চকরিয়ায় চিংড়িঘেরে গুলিবর্ষণ ও লুটপাট : গুলিবিদ্ধ ৮

guli-gola.jpg

এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া(৩০ এপ্রিল) :: চকরিয়া উপজেলার চিংড়িজোনের বদরখালী ১নম্বর ব্লক এলাকায় একটি চিংড়ি ঘেরে ব্যাপক গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া গুলিবর্ষণে ইজারাদার ও কর্মচারিসহ অন্তত ৮জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

ওইসময় হামলাকারীরা ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে মাছ, জাল ও রকমারি মালামাল লুট করার পাশাপাশি প্রায় ৫লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেছে ।

রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ হয়ে আহতরা হয়েছেন ঘেরের ইজারাদার জালাল আহমদ মেম্বার (৫৫), আবুল হোছাইন (৪২), হেফাজ উদ্দিন (৩২),কর্মচারি শাকিল হোসেন (১৯), শেহাবউদ্দিন (২৫) ও রাসেল (২৬)। তাদের সবার বাড়ি বদরখালী ইউনিয়নে। আহতদেরকে রাতে চকরিয়া উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘের ইজারাদার উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা আবুল হোছাইন জানান, সোমবার সন্ধ্যায় মাছ ধরার উদ্দেশ্যে চিংড়িঘেরে তারা (ইজারাদার ও কর্মচারীরা) অবস্থান নেন। ঘেরে জাল ফেলে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে রাতের খাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা। এসময় ১৪-১৫ জনের একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিতভাবে ঘেরের বাসা লক্ষ্য করে বেপরোয়া গুলিবর্ষণ করে।

আবুল হোছাইন আরও জানান, গুলিবর্ষণের সময় ঘেরে অবস্থানরত তাঁরা (ইজারাদার ও কর্মচারীরা) দিকবেদিক হয়ে সরে যায়। এসময় সন্ত্রাসীরা বাসা থেকে মাছ ও জালসহ রকমারি মালামাল লুট করে বাসায় আগুণ লাগায়। আগুণে সবছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন ইজারাদার আবুল হোছাইন।

ঘের ইজারাদার আবুল হোছাইন অভিযোগ করেছেন, ঘটনার সময় তাঁরা হামলায় জড়িত বেশ ক’জনকে চিনতে পেরেছেন। তাদের মধ্যে বদরখালীর মো: হোছন, বেলাল উদ্দিন, করিয়ার দ্বিয়ার মুজিব ও জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে সহযোগিরা হামলার ঘটনায় ছিল বলে তিনি জানান।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তবে চিংড়িঘেরটি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ওই বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনাটি ঘটতে পারে।

ওসি বলেন, এ ঘটনায় সোমবার বিকেল পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। তবে লিথি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top