izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কৌশলগত অংশীদার : চীনা কনসোর্টিয়ামকেই চূড়ান্ত

dse-strategic-partner.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৩০ এপ্রিল) :: কৌশলগত অংশীদার হিসেবে চীনা কনসোর্টিয়ামকেই (শেনঝেন-সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ) চূড়ান্ত করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শেয়ারহোল্ডাররা।

৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) উপস্থিত এক্সচেঞ্জটির ২০৮ জন শেয়ারহোল্ডার কৌশলগত অংশীদার হিসেবে চীনা কনসোর্টিয়ামকে বাছাই-সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রস্তাব ও সংশোধিত শেয়ার ক্রয়চুক্তি (এসপিএ) অনুমোদন করেছেন। ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের পরই বিকালে এ-সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক কাগজগত্র বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে জমা দিয়েছে ডিএসইর পর্ষদ।

পূর্বঘোষণা অনুসারে, গতকাল বেলা আড়াইটায় হোটেল পূর্বাণীতে ইজিএম অনুষ্ঠিত হয়। ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম ইজিএমে সভাপতিত্ব করেন। সভায় ডিএসইর ২৫৩ জন শেয়ারহোল্ডারের মধ্যে ২০৮ জন উপস্থিত ছিলেন।

ইজিএমে উপস্থিত সব শেয়ারহোল্ডার ডিএসইর কৌশলগত অংশীদার হিসেবে শেনঝেন স্টক এক্সচেঞ্জ ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত চীনা কনসোর্টিয়ামের চূড়ান্ত প্রস্তাব ও সংশোধিত এসপিএ সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন করেন।

ইজিএমের পরই বিকাল ৪টায় ডিএসইর চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পর্ষদ সদস্যরা বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেনের সঙ্গে দেখা করে ইজিএমের কার্যবিবরণী ও নোটিস, চীনা কনসোর্টিয়ামের চূড়ান্ত প্রস্তাব এবং সংশোধিত এসপিএ জমা দেন। এ সময় বিএসইসির কমিশনাররা ও ডিএসইর কৌশলগত অংশীদার বাছাই প্রস্তাব পর্যালোচনায় গঠিত কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসইর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাশেম বলেন, আমরা কমিশনের পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা অনুসারে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিয়েছি। বিএসইসির চেয়ারম্যান আমাদের জানিয়েছেন, প্রস্তাব পর্যালোচনা করে খুব দ্রুত কমিশন তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমান জানান, ডিএসই ইজিএমের মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিয়ে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে। কমিশনের নির্দেশনা অনুসারেই ডিএসই প্রস্তাব জমা দিয়েছে বলে আমাদের জানিয়েছে। তাদের জমা দেয়া প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে কমিশন শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএসইসির নির্দেশনা অনুসারে ডিএসই চীনা কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আলোচনা করে যেসব বিষয়ে কমিশনের আপত্তি ছিল, সেগুলো বাদ দিয়ে শেয়ার ক্রয়চুক্তি সংশোধন করেছে। সংশোধিত প্রস্তাবে ডিএসইর সংঘবিধি পরিবর্তনের বিষয়টিও বাদ দেয়া হয়েছে। কমিশনও ডিএসইর প্রস্তাবটি ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করছে। আগামী কমিশন সভায়ই ডিএসইর কৌশলগত অংশীদার বাছাই প্রস্তাবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। অন্যদিকে ১৪ মে ডিএসইর সঙ্গে চীনা কনসোর্টিয়ামের চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এ বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি কৌশলগত অংশীদারদের প্রস্তাবসংবলিত টেন্ডার বাক্স উন্মোচন করে ডিএসই। দরপত্র প্রক্রিয়ায় কৌশলগত অংশীদারের জন্য সংরক্ষিত ডিএসইর ১৮০ কোটি শেয়ারের এক-চতুর্থাংশ, অর্থাৎ ৪৫ কোটি শেয়ার কিনতে ভারত ও চীনের দুটি কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাব জমা হয়।

এর মধ্যে শেনঝেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের চীনা কনসোর্টিয়াম ডিএসইর প্রতি শেয়ারের জন্য ২২ টাকা হারে ৯৯২ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব করে। এর বাইরে তারা ডিএসইকে বিনামূল্যে (৩০৮ কোটি টাকা) বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।

অন্যদিকে ভারতীয় ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) সাবসিডিয়ারি এনএসই স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন লিমিটেডের নেতৃত্বাধীন আরেকটি কনসোর্টিয়াম একই শেয়ারের জন্য ১৫ টাকা হারে ৬৭৬ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব করে। সবকিছু পর্যালোচনা করে শেষ পর্যন্ত চীনা কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাবটিই গ্রহণ করে ডিএসইর পর্ষদ। কৌশলগত অংশীদার বাছাইয়ের প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য ২২ ফেব্রুয়ারি বিএসইসির কাছে জমা দেয় ডিএসই।

ডিএসইর জমা দেয়া প্রস্তাবের খুঁটিনাটি পর্যালোচনার জন্য গঠিত বিএসইসির চার সদস্যের কমিটি তাদের প্রতিবেদনে কৌশলগত অংশীদার হিসেবে চীনা কনসোর্টিয়ামকে বাছাই-সংক্রান্ত প্রস্তাবকে ত্রুটিপূর্ণ উল্লেখ করে এ প্রস্তাবের বেশকিছু ধারা ডিএসইর সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ ও দেশের প্রচলিত আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মত দেয়।

কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত জরুরি কমিশন সভায় চীনা কনসোর্টিয়ামের বিনিয়োগ প্রস্তাব ও শেয়ার ক্রয়চুক্তি অনুমোদন না করার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। তবে পাঁচটি শর্ত পরিপালন সাপেক্ষে সংশোধিত এসপিএ জমা দেয়ার সুযোগ দেয়া হয় ডিএসইকে।

Share this post

PinIt
scroll to top