সিগারেট ছাড়ার ১০ উপায়

smoking.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১ জুন) :: সিগারেট স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, সিগারেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়, সিগারেট মৃত্যুকে তরান্বিত করে। এমন প্রচার সবচেয়ে বেশি করে থাকে স্বয়ং সিগারেট কোম্পানি প্রতিষ্ঠান গুলো। অথচ তারাই এই ক্ষতিকর দ্রব্যটি বাজারে প্রতি মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। আর সরকারও এটি আমাদানীতে উৎসাহী দিতে, বেশি কর আরোপ করে না।

সবচেয়ে অবাক ব্যাপার, সিগারেট খেলে ক্যানসার যাদের হতে পারে, এমকি মৃত্যু ঘটতে পারে; তারাই এই দ্রব্যটি শরীরে বেশি বেশি নেয় খুব আনন্দের সঙ্গে। পায়ের ওপর পা তুলে! অনেক মানুষ আবার সিগারেট গর্ব করে ব্যবহার করে।

যাইহোক আনন্দের সঙ্গে সিগারেট টানুন আর গর্ব করেই টানুন, এটি আপনার চরম শত্রু তা দিবালোকের মতো সত্য। তাই এসব গর্ব, আনন্দ ছেড়ে আজই সিগারেট ব্যবহারের অভ্যাস পরিত্যাগ করুন। কিভাবে এই ক্ষতিকর জিনিসটি ছাড়বেন, বুঝতে পারছেন না? তাহলে নিচের কিছু টিপসের ওপর একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন। সিগারেট ছাড়তে আপনার সাহায্য করবে।

সহজে সিগারেট ছাড়ার উপায়:

১। স্কুল, কলেজ, অফিস ও বাজারে সিগারেট বিক্রি বন্ধ করা বাধ্যতামূলক করা উচিত।

২। বয়জ্যেষ্ঠ মানুষ অথবা সম্মাননীয় কোনও মানুষের সামনে সিগারেট খাবেন না।

৩। সিগারেট বিক্রি হোক ওষুধের দোকানে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের সিগারেট বিক্রি করলে বিক্রেতাকেও শাস্তি দেওয়া হোক। তবে সবার আগে দরকার নিজের সদিচ্ছা।

৪। এক সঙ্গে প্যাকেট বোঝাই সিগারেট বা বিড়ির বান্ডিল কিনবেন না। বড়জোর ২টো কিনুন। প্যাকেট ভর্তি থাকলে মন বার বার খাই খাই করে আপনাকে উস্কানি দেবে।

৫। গাড়ির মধ্যে, অফিসে বা বাড়িতে সিগারেট টানবেন না। ছাদে উঠে কিম্বা রাস্তায় নেমে সিগারেট ধরান।

৬। সিগারেট ধরানোর পর পুরোটা না টেনে অর্ধেক ফেলে দেওয়ার অভ্যেস করুন। ক্রমশ তা বাড়িয়ে এক চতুর্থাংশ টেনে ফেলে দিন।

৭। পানের দোকানে সিগারেট-সহ যাবতীয় তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি বন্ধ করার ব্যবস্থা করলে তামাকের ব্যবহার কমতে বাধ্য। সহজলভ্য হওয়ায় চট করে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা নেশা শুরু করে।

৮। সরকার কিছু আইন জারি করলে ধূমপান-সহ তামাকের নেশা কমানো যায় সহজেই।  সিগারেটের সাইজ ছোট করে দিতে হবে। যে কোনও প্রকাশ্য স্থানে ধূমপান আইনত দণ্ডনীয় করা দরকার।

৯। সিগারেটের প্যাকেটে কিছু স্যাম সিগার রাখলেও ভাল ফল পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১০ টা সিগারেটের মধ্যে ২- ৩টি নকল সিগারেট থাকুক।

১০। দু’টি সিগারেট টানার মধ্যে গ্যাপ বাড়াতে হবে। চা পানের পর বা সকালে বাথরুম দৌড়নর আগে সিগারেটের অভ্যেস থাকলে তা ধীরে ধীরে কমানোর চেষ্টা করতে হবে। ধোঁয়া টানার ইচ্ছে হলে জোয়ান, চিকলেট, আমলকি জাতীয় কিছু মুখে রাখুন।

Share this post

PinIt
scroll to top