ইয়াবা পাচারকারীদের জবানবন্দিতে টেকনাফের হাজী সাইফুল করিমের নাম

YabaTrade-Int-haji-saiful-karim.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(৯ জুন) :: গত ৩ মে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল হালিশহর থানার শ্যামলী আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৩ লাখ ইয়াবাসহ আশরাফ ও হাসান নামের দুই সহোদরকে গ্রেপ্তার করে।

এই সূত্রে রাশেদ ওরফে মুন্না নামের এক ইয়াবা কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আশরাফ ও রাশেদ ওরফে মুন্না নামের দুজন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে পরে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

জবানবন্দিতে ইয়াবা পাচারকারীদের মধ্যে টেকনাফের বাসিন্দা হাজী সাইফুল করিম নামের একজনের নাম উঠে আসে। এই সাইফুল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা পাচারকারী। কিন্তু তার নামে কোনো থানায় মামলা থাকার তথ্য পায়নি গোয়েন্দারা।

মামলা না থাকার পরও কিভাবে ইয়াবা পাচারকারীর তালিকায় সাইফুলের নাম উঠল সেই ব্যাখ্যা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে নেই। আবার সাইফুলের সহযোগী হিসেবে যাদের পাওয়া যাচ্ছে বা যারা গ্রেপ্তার হচ্ছে তাদের নাম তালিকায় নেই। অথচ তারা সবাই শীর্ষ ইয়াবা পাচারকারী।

টেকনাফের বাসিন্দা সাইফুল করিম ইয়াবা পাচারে যুক্ত হয় প্রায় ১০ বছর আগে। টেকনাফের মানুষ হলেও সে বাস করে চট্টগ্রাম নগরে। সাগর পথে চট্টগ্রামে যত ইয়াবা আসে তা সবই নিয়ন্ত্রন করেন এই সাইফুল করিম। আর তার হাত ধরেই পাচার হয় ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

একারনে চট্টগ্রামে ব্যবসা-বাণিজ্য করে।আর শীর্ষ করাদাতা হিসেবে সিআইপি মর্যাদাও অর্জন করেছে।

সূত্রে জানা যায়,চট্টগ্রাম বিভাগে কর্মরত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাইফুল করিমের দহরম-মহরম সম্পর্কের কারণেই তার নামে মামলা হয়নি বলে মনে করছেন নগর পুলিশের কর্মকর্তারা। সাইফুল করিম এখনো অধরা।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমার থেকে সাইফুল করিম ও তার সহযোগী রিদোয়ানের কাছে ইয়াবার চালান আসে মংডুর বাসিন্দা আবদুর রহিমের মাধ্যমে। রহিম ইয়াঙ্গুনে বাস করে। তার পাঠানো ইয়াবার চালানই ধরা পড়ে ৩ মে। ওই চালানে ইয়াবা ছিল ২০ লাখ। ধরা পড়ার আগেই পাচারকারীরা সাত লাখ ইয়াবা বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছিল। বাকি ১৩ লাখসহ ধরা পড়েছে আশরাফ ও হাসান।

চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেন, ‘হালিশহর থানা এলাকা থেকে ১৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত পর্যায়ে বেশ কয়েকজন শীর্ষ ইয়াবা পাচারকারীর নাম পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে নামগুলো প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

Share this post

PinIt
scroll to top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno