izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি নিক্কি হ্যালি দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারত আসছেন

nikky-2.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২১ জুন) :: জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি নিক্কি হ্যালি আগামী সপ্তাহে দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারত আসছেন। নিক্কি হ্যালি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আস্থাভাজন সহকারীদের একজন। সফরকালে তিনি পররাষ্ট্র দফতর, ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজর অজিত দোভালের সাথে বৈঠক ছাড়াও ২৭ জুন একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা করার সম্ভাবনা রয়েছে তার।

হ্যালি এমন সময় ভারত সফরে আসছেন যখন দুটো বড় ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ইস্যু দুটো হলো ইরানের পারমানবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে আসা এবং রাশিয়ার সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা।

সূত্র জানিয়েছে, আগের নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী এই দ্বিপাক্ষিক সফর হচ্ছে। আগামী ৬ জুলাই ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পর্যায়ের যে ২+২ আলোচনার কথা রয়েছে, তারই প্রস্তুতি হিসেবে এই সফর হচ্ছে।

সূত্র জানিয়েছে,“হ্যালির সফরে বৈশ্বিক ইস্যুগুলো উঠে আসবে এবং ভারতীয় কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনায় জেসিপিওএ থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের বেরিয়ে আসার বিষয়টিও আলোচিত হবে”।

সাউথ ব্লক গত এক বছর ধরে মার্কিন কর্মকাণ্ডের উপর নজর রাখছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন তৎপরতার গতিপ্রকৃতি অনুমান করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

পি-৫+১ ও ইরানের মধ্যে যে পারমানবিক চুক্তি হয়েছিল (জেসিপিওএ) সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র।যদিও ইউরোপিয়ান দেশগুলো, চীন ও রাশিয়া চুক্তি বজায় রেখেছে।

১২ জুন সিঙ্গাপুরে বৈঠক করেছেন ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিং জং উন। দুই দেশের নেতাদের মধ্যে এটা প্রথম বৈঠক। বৈঠকে কোরিয় উপদ্বীপকে পারমানবিকীকরণ থেকে মুক্ত করার ব্যাপারে আলোচনা হয়।

অন্যদিকে কাউন্টারিং অ্যামেরিকা’স অ্যাডভার্সারিজ থ্রু স্যাঙ্কশান্স অ্যাক্টের (সিএএটিএসএ) অধীনে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে মার্কিন কংগ্রেস। এই সিদ্ধান্তের কারণে রাশিয়ার সাথে ভারতের প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলোর উপর বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

সালিসবেরিতে রাসায়নিক হামলার ফলশ্রুতিতে রাশিয়ার সাথে পশ্চিমাদের উত্তেজনা মারাত্মক বেড়ে গেছে। একে অন্যের দেশ থেকে কূটনীতিকদের বহিষ্কারের ঘটনাও ঘটেছে। এই সব ঘটনাগুলো ঘটেছে মোদির উহান ও সোচি সম্মেলনের আগে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে দিল্লীর মনোভাব সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা নিতেই মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা ভারত সফরে আসছেন। একইসাথে ভারত সরকারের কাছে ট্রাম্পের বার্তাও পৌঁছে দিবেন তিনি।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri