izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

গর্জনিয়ায় পুলিশের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

FB_IMG_1530682821736.jpg
কামাল শিশির,ঈদগড়(৪ জুলাই) :: সম্প্রতি রামুর গর্জনিয়ায় অপহরণ ও ডাকাতির ঘটনায় আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে টনক নড়ে প্রশাসনের। তাই এলাকায় আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে এবং অপহরণকারী, ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ।
 মঙ্গলবার (৩ জুলাই) বিকালে গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল নাজুমাতাব্বর পাড়ায় পুলিশ ও জনতার এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। গর্জনিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মওলা চৌধুরীর সভাপতিত্বে  এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কক্সবাজারের নবাগত সহকারী পুলিশ সুপার(উখিয়া সার্কেল) আবিদ ইসলাম বলেন,সন্ত্রাসী, ডাকাত ও অপহরণকারীদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। এসময় তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, অপরাধী যত বড় হওক তাদের ছাড় দেওয়া হবেনা। তিনি গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়া তথা রামুকে ডাকাত ও সন্ত্রাস মুক্ত করার ঘোষণা দেন।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মোঃ আলমগীর,এ এস আই মনজুরুল ইসলাম, এ এস আই নুরুল্লাহ, এ টিএস আই বদরুল আলম,ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল ইসলাম,সাইমুন হাসান মানুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
  উল্লেখ্য গর্জনিয়া ইউনিয়নের নাজুমাতাব্বর পাড়া থেকে ২৯ জুন ও ১ জুলাই দুই দপে অপহৃত হয় তাজুর মুল্লুক ও দু’ সহোদর মোঃ রিদুয়ান ও শহিদুল্লাহ। অপহরণের একদিনের মাথায় ৫৫ হাজার টাকায় মুক্ত হয় তাজুর মুল্লুক। এর পরে দরকষাকষির পর পরিশেষে সোমবার বিকেল ৫ টায় দু’সহোদরকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে মুক্তি দেয় অপহরণকারীরা।
  স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বিগত ৫ বছর ধরে  রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়ন এবং পার্শবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী-বাকঁখালী এলাকায় নিয়মিত অপহরণ বানিজ্য চলে আসছিল। এমনকি এ ধরণের ঘটনায় শিশু হাসান-হোছাইন নামের দু’সহোদরকে অপহরণের পর মুক্তিপণ অনাদায়ে হত্যা করা হয়। এভাবে অনেক নাটকের জন্ম দেয় এ ডাকাত দল। মাত্র  ২০ বর্গকলোমিটারের এলাকায় এসব ঘটনা বন্ধ করতে এবং জড়িতদের আটকের চেষ্টা করা হলেও  সুফল পাওয়া যায় নি মোটেও।
ডাকাতদলের গড়ফাদার সকলের সাথে ভারসাম্য রক্ষা করে দিনের পর দিন  ডাকাতি ও অপহরণ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গর্জনিয়া ইউনিয়নের বাঘঘোনা নামক স্থানের গহিন বনে ছুরুত আলম,সাহাব উদ্দিন ও ফিরোজ আহাম্মদ নামের এ তিন জন মিলে একটি বড় টিনের ঘর করেছে সেখানে কোন মানুষ থাকেনা মাঝে মধ্যে অপহরণকারী এ দলটি এসে রান্নাবান্না করে খায় এবং ঘুমায়। তাই স্থানীয়দের দাবী নাইক্ষ্যংছড়ি ও গর্জনিয়ায় যতো ডাকাতি,অপহরণের ঘটনা ঘটেছে এসবের সাথে এ তিন গড়ফাদার জড়িত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গর্জনিয়ার ইউপি মেম্বার ও ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আহসান উল্লাহ মেম্বার এসব স্বীকার করে বলেন ছুরুত আলম একটি হোটেলে ৪ হাজার টাকা বেতনের পাহারাদার ছিল। হঠাৎ করে সে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক হল কি ভাবে।
মেম্বার ও এলাকাবাসীর দাবী সাহাব উদ্দিন, ফিরোজ আহাম্মদ ও ছুরুত আলমকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বের হয়ে আসবে মূল রহস্য।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri