নাইক্ষ্যংছড়িতে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেল সাড়ে ১২ হাজার শিশু

37127927_1753576418071663_799938092671696896_n.jpg

আব্দুল হামিদ,নাইক্ষ্যংছড়ি(১৪ জুলাই) :: ‘ভিটামিন এ খাওয়ান, শিশুরমৃত্যু ঝুঁকি কমান’ প্রতিপাদ্যকে প্রাধান্য দিয়ে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে শনিবার ১২৬০৩ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপ্সুল খাওয়ানো হলো।

পাচঁ ইউনিয়নের ১০৩টি কেন্দ্র সহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিশেষ এলাকায় সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের এ টিকা খাওয়ানো হয়। পাশাপাশি কৃমি নাশক বড়িও খাওয়ানো হয় শিশুদের।

শনিবার সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি।

এর আগে বান্দরবান সিভিল সার্জন দপ্তরের নির্দেশনায় গত ১০ নভেম্বর উপজেলায় মাইক্রোপ্লানিং সভার সীদ্ধান্ত অনুসারে জেলা তথ্য অফিস ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়।

যার ফলে অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্প গুলো সরব ছিল। উপজেলা সদর ছাড়াও দুর্গম দোছড়ি, সোনাইছড়ি, বাইশারী ও ঘুমধুমের পাহাড়ী পল্লীর শিশুদেরও ভিটামিন এ ক্যাপ্সুল সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি স্বাস্থ্য সহকারি (ভারপ্রাপ্ত) পল্লব বড়ুয়া জানান, উপজেলার পাচঁ ইউনিয়নে ব্যাপক প্রচারের কারণে এবার শিশুদের উপস্থিতি বেশ ভালো ছিল।

৬ থেকে ১১ মাস পর্যন্ত স্বাভাবিক বয়সের ১২৪৮ শিশু, ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী স্বাভাবিক ১০,৬৯৬ জন সর্বমোট ১১৯৪৪ জন শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপ্সুল লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হলেও এতে ৬ থেকে ১১ মাস শিশু ১৪০৩ জন এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস শিশু ১১২০ জন সর্বমোট ১২৬০৩ শিশুকে খাওয়ানোর ফলে ৬৫৯ জন শিশুকে লক্ষ্যমাত্রা অতিরিক্ত অর্জন করা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।

আর এদিকে অতিরিক্ত লক্ষ্যমাত্রার বিষয়ের কারন জানতে চাইলে তিনি বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পার্শ্ববর্তী রামু উপজেলার দুইটি গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের কিছু সংখ্যক শিশু সীমানায় অবস্থান করাতে তারা সরাসরি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় পাড়ি জমিয়ে ভিড় করতে থাকলে তাদেরকে আর ফেরত না দিয়ে অত্র ক্যাম্প থেকে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত ৬৫৯ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপ্সুল খাওয়ানো হয়।

Share this post

PinIt
scroll to top