buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

রোহিঙ্গারা জাল জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বানাচ্ছে বাংলাদেশি পাসপোর্ট

rohinga-bd-pass-port.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৩ জুলাই) :: কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন শিবিরে থাকা নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা এখন ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫৭৬। তাদের নাম-ঠিকানা, ছবি ও আঙুলের ছাপ নিয়ে সরকার তথ্যভান্ডার তৈরি করেছে। কিন্তু নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের তথ্যভান্ডার এখনো পাসপোর্টের মূল সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়নি। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি সঙঘবদ্ধ চক্র ভুয়া জন্মসনদ আর জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট বানাচ্ছে রোহিঙ্গারা।

আর এ পাসপোর্ট নিয়ে দুই থেকে আড়াই লাখ রোহিঙ্গা বিদেশে চলে গেছে। তথ্য যাচাইয়ে পুলিশের যোগসাজশ রয়েছে বলেও মনে করেন পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। যদিও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের দাবি, অনিয়ম ঠেকাতে তারা সোচ্চার।

অভিযোগ রয়েছে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট করিয়ে দিতে একটি চক্র গড়ে উঠেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী, পুলিশের কতিপয় কর্মকর্তা এবং দালালদের নিয়েই চক্রটি গড়ে উঠেছে। দেশের একজন প্রকৃত নাগরিকও চাইলেই পাসপোর্ট পান না। এ জন্য তাঁকে জন্মনিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ নানা তথ্য–প্রমাণ কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করতে হয়। এরপর সেই তথ্য-উপাত্ত সঠিক কি না, তা যাচাই করে থাকে পুলিশ বিভাগের বিশেষ শাখা। এই প্রেক্ষাপটে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট পেতে সহযোগিতা করছে সংঘবদ্ধ চক্র।

জানা যায়,গত ৬ জুলাই মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের তল্লাশিতে ধরা পড়ে পাঁচ রোহিঙ্গা।

পরে তাদের কক্সবাজার রোহ্ঙ্গিা ক্যাম্পে পাঠানো হয়। এর মাধ্যমেই বিষয়টি স্পষ্ট হয় রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট করে দিতে কাজ করছে, দেশেই একটি চক্র।

বর্হিগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলা থেকে সহজেই ভূয়া জন্ম সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করতে পারছে রোহিঙ্গারা।

২০১৭ পরবর্তীতে যারা বাংলাদেশে এসেছে তাদেরসহ ১১ লাখ রোহিঙ্গারই নাম, ছবি ও আঙ্গুলের ছাপ সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় জন্ম সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র পাচ্ছে, রোহিঙ্গারা।

তার আহবান শুধু কক্সবাজার নয়, দেশের সব জেলায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশেষ সর্তকর্তা জারি রাখতে হবে। বাংলাদেশী পাসপোর্ট নিয়ে কেউ যেন বিদেশে যেতে না পারে।

এ বিষয়ে ইসির অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে ভোটার হতে না পারে, সে জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরেই তারা স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়েই ভোটার তালিকা অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। আমরা কক্সবাজার এলাকাটিকেই বিশেষ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম চালাই। সেখানে তাদের অনেক ধরনের তথ্য দিতে হয়। সেগুলো পূরণ করে যে কোনো বিদেশির জন্যই ভোটার হওয়া কঠিন। কেউ সহায়তা না করলে ভোটার হওয়া সম্ভব নয়।

এরপরও রোহিঙ্গাদের কেউ ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়। এর আগেও আমরা তদন্ত করে প্রমাণ পাওয়ায় অনেক রোহিঙ্গাকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছি। এরপরও যদি কোনো রোহিঙ্গা নতুন করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বাদ দেয়া হবে জানিয়েছেন মোখলেসুর রহমান।

কক্সবাজারের সচেতন মহলের দাবী বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গারা সংখ্যায় কম হলেও এদের একাংশ জনসমাজে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এর আগে আসা রোহিঙ্গাদের বেলায়ও একই ঘটনা ঘটেছে।

আর এই সংকট থেকে উত্তরণ পেতে হলে প্রথমত, রোহিঙ্গাদের জন্য যেসব শরণার্থী শিবির করা হয়েছে, সেখানেই তাদের চলাচল সীমিত রাখা; তারা যাতে কোনোভাবেই বাইরে এসে নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক দাবি করতে না পারে।

দ্বিতীয়ত, যেসব স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পাসপোর্ট অফিস ও পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। অন্যায় করে কেউ পার হয়ে গেলে নতুন অন্যায়ের পথ উন্মুক্ত হয়।

তৃতীয়ত, সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বায়োমেট্রিক বা হাতের ছাপসহ পরিচয়পত্র দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তা প্রত্যেক শরণার্থীর জন্য নিশ্চিত করা। সে ক্ষেত্রে কোনো শরণার্থী বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে পাসপোর্ট করতে সক্ষম হবে না।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri