পেকুয়ায় তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষনের অভিযোগ

rap-logo-main.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(৬ আগস্ট) :: পেকুয়ায় তৃতীয় শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রী অন্ত:স্বত্তা হয়েছে। মুখ চেপে ধরে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ খবর সর্বত্রে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় দেখা দেয়। এমনকি আপোষ মিমাংসার কথা বলে ওই ছাত্রীকে গোপনে গর্ভপাত ঘটানো হয়েছে। সালিশ বৈঠক হয়েছে। তবে বিষয়টি অমিমাংসিত থাকায় ছাত্রীর পিতা পেকুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের সুতাচোরা আইয়ুব আলী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

গত ৩ দিন আগে পেকুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় ওই ছাত্রীর পিতা। সংগত কারনে ভিকটিমের নাম গোপন রাখা হল। তবে ভিকটিম ওই ইউনিয়নের্মিএকটি দ্রাসার তৃতীয় শ্রেনীর অধ্যয়নরত ছাত্রী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

থানায় অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্র জানায়, তৃতীয় শ্রেনীর ওই ছাত্রী সোনালী বাজারে শাক বিক্রি করছিলেন। সন্ধ্যার দিকে বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে তাকে জোরপূর্বক মুখ চেপে ধরে ধর্ষন করে। ছাত্রীর মা বাড়িতে ছিলেন না। এ সময় ওই ছাত্রী বিষয়টি গোপন রাখে। মাস দুয়েক পর ওই ছাত্রীর মধ্যে অস্থিরতা ও শারীরিক ভিন্নতা দেখা দেয়।

এ সময় মহিলারা তাকে চেকআপ করে। সেখানে নিশ্চিত হয় মেয়েটি তিনমাসের অন্ত:স্বত্তা হয়েছে। ছাত্রীর পিতা একজন দিনমজুর। চকরিয়ার দরবেশকাটা থেকে ঘরজামাই থাকে শশুর বাড়িতে। অসহায় মাতা-পিতা বিষয়টি স্থানীয়ভাবে প্রকাশ করে। এ সময় ব্যাপক তোলপাড় সহ চাঞ্চল্য পরিস্থিতি তৈরী হয়।

সুত্র জানায়, স্থানীয় সমাজপতি ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি মিটমাট করতে দৌড়ঝাপ করছিলেন। এক পর্যায়ে ফায়সালার কথা বলে তারা তৃতীয় শ্রেনীর ওই ছাত্রীকে সম্প্রতি পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে এমআর করা হয়েছে।
ছাত্রীর পিতা জানায়, লম্পট কপিল আমার মেয়েকে সর্বনাশ করেছে। মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষন করে।

এলাকায় বৈঠক হয়েছে। সমাজপতি ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা এ জঘন্যতম অপরাধকে প্রশ্রয় দিতে সেটি ধামাচাপা দেয়। আমি এ সম্পর্কে মুখ খুলেছি। তারা আমাকে আক্রমন করেছে। দা, ছুরি নিয়ে প্রাণনাশ ঘটাতে আমার বাড়িতে আক্রমন চালায়। পেকুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

আইয়ুব আলী পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আক্তার আহমদ জানায়, বৈঠক হয়েছে। তবে এ সম্পর্কিত বিষয় উত্তাপিত হয়নি। তারা অভিযোগ আনয়ন করেননি। তাই সিদ্ধান্ত হয়নি। পরবর্তীতে অভিযোগ করছে। তবে বিষয়টি জটিল। এখানে সামাজিকভাবে মিমাংসা করার এখতিয়ার বহির্ভূত। আর কিছু বলার নেই।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri