কক্সবাজারে ছুরিকাঘাতে পর্যটক হত্যাকারী পালাতক ছিনতাইকারি ৮ মাস পর গ্রেপ্তার

DB-cox-Arrest-sintaikari-Killer.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৬ আগস্ট) :: কক্সবাজারে বেড়াতে এসে আবু তাহের সাগর নামে ফেনীর এক পর্যটক ছিনতাইকারিদের ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছিলেন গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর। সার্কিট হাউস সড়কের ডিসির বাংলো এলাকার জাম্বুরমোড়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারিরা।

এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান অভিযুক্তকে ৮ মাসের মাথায় অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

গত ৮ মাসে জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে থেকে সম্প্রতি চট্টগ্রাম এলে রোববার সকালে পতেঙ্গা সৈকতের নিকটবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মানস বড়ুয়া।

গ্রেপ্তার ছিনাতাইকারি সাইফুল ইসলাম বাবু (২০) কক্সবাজার শহরের মোহাজের পাড়ার মো. শাহাব উদ্দিনের ছেলে।

মামলার আর্জির সূত্র ধরে ওসি মানস জানান, গত বছর ১৫ ডিসেম্বর ফেনী থেকে আবু তাহের সাগরসহ ৩ বন্ধু কক্সবাজার বেড়াতে আসেন। তারা ভোরে হোটেল থেকে বেরিয়ে সৈকতে গোসলে যান। গোসল শেষে সৈকত থেকে পায়ে হেঁটে হোটেলে ফেরার পথে সার্কিট হাউস রোড়ের ডিসির বাংলোর রাস্তার মাথায় জাম্বুর মোড় এলাকায় পৌঁছলে অটোরিক্সায় আসা একদল ছিনতাইকারি তাদের পথ আগলে ধরে।

‘এসময় ছিনতাইকারিরা তাদের সঙ্গে অবৈধ মালপত্র রয়েছে দাবি করে দেহ তল্লাশী শুরু করে। এক পর্যায়ে তাদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন সেট এবং টাকা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এতে বাধা দিলে আবু তাহের সাগরের বুক, পেট ও পিটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।’

ওসি মানস আরো জানান, মামলা নথিভূক্ত হবার পর থেকে আসামীরা পলাতক হয়ে যায়। মামলাটি ডিবি পুলিশের কাছে আসার পর তাদের অবস্থান নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। অবশেষে রোববার সকালে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ওরফে বাবুকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয়।

তিনি জানান, তাকে নিয়ে কক্সবাজার ফিরে বিকেলে আদালতে প্রেরণ করা হয়। ঘটনায় সে সহ ৬ জন অংশ নেয়ার কথা উল্লেখ করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে অভিযুক্ত বাবু। এরপর সন্ধ্যায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তার স্বীকারোক্তির সূত্র ধরে বাকি অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান ওসি মানস।

Share this post

PinIt
scroll to top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno