buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

নিউটনীয় মহাবিশ্ব

galaxy.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২ সেপ্টেম্বর) :: নিউটনের সূত্র বলছে সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলো গ্রাভিটির কারণে উপবৃত্তকার পথে ঘুরছে। মহাবিশ্বে নক্ষত্র গতিশীল এবং সংখ্যায় অসীম। মহাবিশ্ব সীমাহীন বা অসীম।মহাবিশ্ব চিরকালই অপরিবর্তনীয় বা স্থির (Static)। মহাবিশ্ব সংকুচিত বা প্রসারিত হচ্ছে না ।

গ্রাভিটির দ্বারা গঠিত মহাবিশ্বের নিউটনীয় মডেলে সমস্যা দেখা দিল। যদি সব বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে তাহলে এরা নিশ্চয়ই একদিন এক বিন্দুতে পতিত হবে।

নিউটন হয়তো বলতে পারতেন মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে তাই এরা সংকুচিত হবে না। এ অনুমান করা অসম্ভব ছিল না। কিন্তু নিউটন স্থির মহাবিশ্বে বিশ্বাস করতেন।

তিনি সমাধান দিলেন-অসীম মহাবিশ্বে, অসীম সংখ্যক গতিশীল তারা গ্রাভিটির কারণে কেন্দ্রে পতিত হবে না কারণ অসীম মহাবিশ্বের কোন বিন্দুই কেন্দ্র হতে পারে না।

আরো সমস্যা হল, একটি অসীম স্থির মহাবিশ্বে দৃষ্টির প্রতিটি রেখাই একটি তারার উপর শেষ হবে। সুতরাং রাতেও আকাশ দিনের মত উজ্জ্বল থাকবো।

১৮২৩ সালে জার্মান দার্শনিক হইনরিখ ওলবারস (Heinrich Olbers) আরো অনেক যুক্তি দিয়ে সমস্যাটিকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলেন।

নিউটন বিজ্ঞানী হিসাবে যেমনি সমাদৃত তেমনি ব্যক্তি হিসাবে সমালোচিত ছিলেন। তার সহকর্মীদের অধিকাংশের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভাল ছিল না। শিক্ষক হিসাবেও তার তেমন দক্ষতা ছিল না।

এডমান্ড হ্যালি (Edmund Hally, ১৬৫৬-১৭৪২) নিউটনের সত্যতিকারের বন্ধু ছিলেন। হ্যালি নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে প্রিন্সিপিয়া প্রকাশ করে। এই হ্যালিকে আমরা চিনি তার নামে নামকৃত ধূমকেতুর জন্য।

ক্যালকুলাসের প্রবক্তা হিসাবে নিউটনের নামই আমরা জানি। গথফ্রিড লাইবিনেজ (Gottfried Leibniz) ও সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে ক্যালকুলাস পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।

নিউটন অবশ্য কখনোই তা স্বীকার করেননি এবং লাইবিনেজের নাম প্রকাশে অসহযোগিতা করেন। তবে বর্তমানে দুজনকেই ক্যালকুলাসের প্রবক্তা মনে করা হয়।

নিউটন রয়েল সোসাইটি থেকে রবার্ট হুকের একমাত্র পোট্রেট টি সরিয়ে ফেলেন।

প্রিন্সিপিয়া প্রকাশিত হবার কয়েক বছর পর ১৬৯৩ সালে নিউটন মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। এটা হয়তো তার রসায়নিক গবেষণার সময় পারদ বিষক্রিয়া থেকে ঘটে। তিনি সেরে উঠলেও পরবর্র্তী দিনগুলো বিজ্ঞানে তেমন কোন অবদান রাখতে পারেননি। তিনি ১৯২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

নিউটনীয় পদার্থ বিজ্ঞানের অবসান ঘটান আইনস্টাইন। কিন্তু এখনো আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনে নিউটনীয় পদার্থবিদ্যার ধারনা কাজে লাগে। নিউটনকে মনে করা হয় ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের অন্যতম।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri