izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

টার্কি পালনে সফলতার মুখ দেখছেন বাইশারীর মংলা মার্মা

IMG_20180910_130201403.jpg

আবদুল হামিদ,বাইশারী(১০ সেপ্টেম্বর) :: নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে টার্কি মুরগী পালন করে সফলতার মুখ দেখেছেন বাইশারী ইউনিয়নের মাষ্টার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা ট্রাইবেল গার্লস অর ফেন্স হোম এর পরিচালক বাবু মংলা মার্মা।

মাত্র দশটি ডিম নিয়ে তার টার্কি পালনের যাত্রা শুরু। গতকাল সরজমিনে গিয়ে মংলা মারমার সাথে কথা বলে জানা যায়, এতিম অনাথ শিশুদের জন্য রয়েছে একখানা আশ্রয়ন কেন্দ্র। সেখানে রয়েছে প্রায় শতাধিক ছাত্রী। ভরন পোষনের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি নিজেই। সরকারের সমাজ সেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ও মাঝে মধ্যে কিছু সহযোগিতা পেয়ে থাকেন বলে জানান।তবে তাও অপ্রতুল।

সবকিছু নিজেদের চালিয়ে নিতে হয়। শুধু মাত্র তার মৃত আত্বীয় স্বজনের আত্বার শান্তির জন্য প্রত্যন্ত এলাকার অসহায় এতিম ঝরে পড়া শিশুদের আগামীর কথা চিন্তা করে এই অনাথ আশ্রম টি খোলা হয়েছে।

পাশাপাশি টার্কিমুরগ পালন ও শুরু করেন। প্রথমে দশটি ডিম ক্রয় করে দেশীয় জাতের মুরগীর তাও দিয়ে বাচ্চা গুলু ফুটায়। সব কিছু নিজস্ব বিবেক বুদ্বি খাটিয়ে মুরগি পালন শুরু করে। বচ্চা গুলু দেশীয় খাবার দিয়ে দেশীয় জাতের মুরগি র মতন পালন করে। কিছু খাবার পুষ্টির জন্য বয়লার ও খাওয়াতে হয়। তাছাড়া টার্কি মুরগী গুলু ঘাসের পরিমান ও বেশী খেয়ে থাকে। এতে স্বাভাবিক ভাবে বেড়ে উঠে। আস্তে আস্তে সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

মাত্র দশ মাসের মাথায় সফলতার মুখ দেখেছেন বলে জানান। বর্তমানে তার কাছে ছোট বড় মিলিয়ে একশতের অধিক টার্কি রয়েছে। গত তিন মাস আগে প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকার টার্কি বিক্রি করেছেন। এরই মধ্যে এলাকায় লোকজনের মাঝে ও তার এই সফলতা এবং টার্কির সৌন্দর্য্য দেখে প্রতিদিন বাচ্চা ক্রয় করতে আসেন স্থানীয় এবং বহিরাগতরা।

প্রতিটি টার্কির বাচ্চা ছয়শ থেকে সাতশ। আর প্রতি কেজি মাংশ হিসেবে বিক্রি পাচশ থেকে ছয়শ টাকা। মংলা মার্মার সহধর্মিনী বলেন স্বাভাবিক মুরগীর মতন ওদের চলাফেরা। ঝড়ঝামেলা কম,সহজেই পোষ মানে। বিক্রি করতে বাহিরে বা বাজারে যাওয়ার প্রয়োজন হয়না। ককসবাজার থেকে হোটেল ব্যবসায়ী এসে মুরগী গুলু নিয়ে যায়। তাছাড়া মুরগী গুলু খোলা অবস্থায় পালন ও সম্ভব। সব মিলিয়ে তারা লাভ ও সফলতার মুখ দেখেছন।

এবারে আবারো দুই একমাসের মধ্যে লাখ টাকার বিক্রি করা যাবে। তবে দুঃখের সাথে বলেন উপজেলা র কোন পশু চিকিৎসক তাকে পরামর্শ তো দুরের কথা এলাকায় ও দেখেনি। সরকারের পক্ষ থেকে যদি কিছু সহযোগী তা পায় তাহলে টার্কি পালনে আরো সফলতা লাভ সম্ভব হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri