izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

ব্যারিস্টার মিজান সাঈদের নৈশভোজে কক্সবাজার জেলা আ: লীগ নেতাকর্মীদের মিলনমেলা

ms-2.jpg

বার্তা পরিবেশক(১২ সেপ্টেম্বর) :: টুঙ্গিপাড়া সফরে যাওয়া জেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সম্মানে এক নৈশভোজের আয়োজন করেন কক্সবাজর -৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ।

১১ সেপ্টেম্বর ঢাকার এক অভিজাত রেস্তোরাঁয় এ নৈশভোজের আয়োজন করেন তিনি। নৈশভোজে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে থেকে যাওয়া ৩ শতাধিক নেতাকর্মী যোগদান করেন।

নামে নৈশভোজ হলেও যেটি পরিণত হয় মিলনমেলায়। কক্সবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান, সংসদ-সদস্য আশেক উল্লাহ রফিকের নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেন।

নৈশভোজের এক পর্যায়ে অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা ব্যারিস্টার মিজান সাঈদকে একজন প্রাজ্ঞ আইনজীবী উল্লেখ করে আওয়ামী পরিবারে তাঁর মতো একজন শুভাকাঙ্খির প্রয়োজনীতার গুরুত্ব নেতাকর্মীদের সামনে তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, ঢাকায় এলেই ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ দলীয় নেতাকর্মীদের সম্মানিত করেন। তাঁর মতো একজন মানুষ রাজনীতিতে এলে জেলার রাজনীতি আরো প্রাণ পাবে।

মোস্তাক আহমদ চৌধুরী মিজান সাঈদকে নৈশভ্জো আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, আগামি নির্বাচনে যাঁকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। আমরা তাঁর পক্ষে কাজ করবো।
মুজিবুর রহমান সবাইকে একত্রিত করে সুন্দর একটি নৈশভোজ আয়েজনের মিজান সাঈদকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আমরা প্রমাণ করলাম আমরা একতাবদ্ধ।

আশেক উল্লাহ রফিক এমপি সুন্দর একটি আয়োজনের জন্য ব্যারিস্টার মিজান সাঈদকে ধন্যবাদ জানান।

ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীকে একত্রে পাওয়া আমার জন্য এক সৌভাগ্যের ব্যাপার। আমরা দেখাতে পারলাম আমরা এক এবং অভিন্ন।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার জেলার প্রথম ব্যারিস্টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রাক্তন মেধাবী ছাত্র এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবি পরিষদের ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ২৯৬ কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার সদর ও রামু) আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইতে পারেন। একজন সফল আইনজীবি এবং পরিচ্ছন্ন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে ব্যারিস্টার মিজান সাঈদকে গ্রহনযোগ্যতার সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে না।

ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ জন্মগ্রহন করেছেন ঈদগাঁও পাঁহাশিয়া খালী গ্রামে তাঁর নানাবাড়ীতে। যদিও তাঁর পিতৃভূমি হল ভারুয়াখালী যেখানে তাঁর বাবা এ্যাডভোকেট সাঈদ রমজানুল আলম ও পূর্ব পুরুষদের একটি অংশের বসবাস। তাছাড়া সরকারের আগামী ২০২০ ভিশন কার্যকর করার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ধরনের প্রতিভাবান, মেধাবী, সৃজনশীল ও শিক্ষিত তরুণ নেতৃত্বের সন্ধান করছেন ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ হতে পারেন ঘুনে ধরা ও জরাগ্রস্থ বর্তমান নেতৃত্বের যোগ্য বিকল্প।

ব্যারিস্টার মিজান সাঈদের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কেন তাকে দেয়া উচিৎ এবং মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি? জবাবে তিনি বলেন “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে সমাজের সর্বস্তরে বিশেষ করে রাজনীতিতে সৎ ও সক্ষম নেতৃত্বের বিকল্প নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার মত তরুনদের উপর আস্থা রাখতেই পারেন কারণ আমাদের দৃষ্টি আগামী দশকের বাংলাদেশে নয়, আমাদের ভাবনায় আছে আগামী শতকের বাংলাদেশ”।

তিনি আরও বলেন “মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে কক্সবাজার জেলার সমন্বিত উন্নয়নের জন্য তিনি একটি বাস্তব সম্মত ও জনবান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রনয়ন করবেন এবং ধাপে ধাপে কক্সবাজারকে একটি অত্যাধুনিক, পরিবেশ বান্ধব পর্যটন কেন্দ্র ও টেকসই উন্নয়নের মডেল হিসেবে পরিণত করবেন”।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri