izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

ধেয়ে আসছে ‘দানবীয়’ ঘূর্ণিঝড় ফ্লোরেন্স, ভয়ে কাঁপছে আমেরিকা

fl4.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৩ সেপ্টেম্বর) :: ‘দানবীয়’ ঘূর্ণিঝড় (হারিকেন) ফ্লোরেন্সের ভয়ে কাঁটা আমেরিকাবাসী। ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ মাইল বেগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের দিকে এই ঝড় ধেয়ে আসছে। যে কারণে এটিকে ইতোমধ্যেই ‘অত্যন্ত ভয়ংকর’ ক্যাটেগরি-৪ মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ের তকমা দেওয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, আগামিদিনে ফ্লোরেন্স আরও শক্তি বাড়াবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

মার্কিন আবহাওয়া দফতরের সংজ্ঞা অনুযায়ী, ক্যাটাগরি-৪ ঝড় হলো দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শক্তিশালী ঝড়। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে এর আগে ৪ মাত্রার ঝড় আঘাত হানেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কোরলজিক বলছে, ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ১৭০ বিলিয়ন (১৭ হাজার কোটি) ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হবে। সাত লাখ ৫৯ হাজার ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আগামী বৃহস্পতিবার সকালে বা শুক্রবার এটি পূর্ব উপকূলে আছড়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বুধবার সন্ধ্যার পর থেকেই প্রবল প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কা করা হচ্ছে।ইতোমধ্যে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি অঞ্চল থেকে ১৭ লাখ মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে ৪০ মাইল পর্যন্ত প্লাবিত হবে।

‘অত্যন্ত ভয়ংকর’ এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে শুধু উপকূলবর্তী এলাকাই নয় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম এবং মধ্য অ্যাটলান্টিক অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ভার্জিনিয়া, সাউথ ক্যারোলিনা এবং নর্থ ক্যারোলিনার উপকূল এলাকা থেকে ১০ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

আসন্ন বিপুল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় সোমবার মার্কিন রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি-তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। ভার্জিনিয়া, উত্তর এবং দক্ষিণ ক্যারোলিনার জন্য সমস্ত রকমের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশবাসীকে সতর্ক এবং নিরাপদে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

উত্তর ও দক্ষিণ ক্যারোলিনা ও ভার্জিনিয়া থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ১৭ লাখ মানুষকে। চারটি লেনের রাস্তাকে একমুখী করা হয়েছে। বুধবার ক্যারোলিনাস, ভার্জিনিয়া, ম্যারিল্যান্ড, ওয়াশিংটন ডিসি ও জর্জিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

একটি আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায়, ক্যারোলিনায় এর আগে কখনোই এত শক্তিশালী ঝড় আঘাত আনেনি। এজন্যই সবাইকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

উত্তর ক্যারোলিনার গভর্নর রয় কুপার বলেন, ‘এই ঝড়টি দৈত্যাকার ধারণ করেছে। এটি বিশাল ও ভয়ঙ্কর।’ হারিকেন ফ্লোরেন্সের কারণে আগামী শুক্রবার মিসিসিপিতে পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ বাতিল করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।

২০০৫ সালে ঘূর্ণিঝড় ক্যাটরিনার আঘাতে মার্কিন মুলুকে অন্তত ১৮৩৩ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। ফ্লোরেন্সও যেভাবে ক্রমশ নিজের শক্তি বাড়াচ্ছে তাতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে প্রশাসন।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri