কক্সবাজারের সড়কপথে এবার আওয়ামী লীগের ‘নির্বাচনী প্রচারণা’

alg-election-coxsbazar.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২০ সেপ্টেম্বর) :: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ট্রেন যাত্রার পর এবার সড়কপথে সাংগঠনিক সফরে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী টিম।

বর্তমান সরকারের উন্নয়ন প্রচার,দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালীকরণ,তৃণমূলে নেতাকর্মীদের দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং দলীয় নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ নিয়ে কক্সবাজারের আওয়ামী লীগের তৃণমূলে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচি সফল করতে দফায় দফায় বৈঠক করছেন নেতারা।

সূত্রে জানা যায়, শনিবার ঢাকার ধানমণ্ডি আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল রওনা হবে। প্রায় সাড়ে চার শ কিলোমিটারের সড়কপথে যাত্রাকালে সড়ক ও মহাসড়কের আশপাশে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বেশ কয়েকটি পথসভা করবে আওয়ামী লীগ।

রবিবার চট্রগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনাকালে সকালে ১১টায় লোহাগাড়ার চুনতি, দুপুরে সেখানে মধ্যাহ্নভোজের পর চকরিয়া বাসস্টেশন, ঈদগাহে পথসভা করে রাতে কক্সবাজারে অবস্থান নেবেন নেতারা। সোমবার সকালে নেতারা বিমানযোগে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।

কেন্দ্রীয় নেতাদের এই সফরে নেতৃত্ব দেবেন দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। এ ছাড়া প্রতিনিধিদলে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম ও ব্যারিস্টার মহীবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ রয়েছেন এ সফরে। এতে আরো কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা যোগ দিতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

‘নির্বাচনী ট্রেনের’ পর এবার সরকারি দলের নেতাদের মহাসড়কে যাত্রা ঘিরে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চাঙ্গা ভাব দেখা দিয়েছে। বিরাজ করছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।

অনেকে বলেছে, পথসভার নির্ধারিত স্থানের পাশাপাশি অনির্ধারিতভাবেও বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু পথসভা হতে পারে। এর মধ্যে আবার কোনো কোনো পথসভা ব্যাপক লোকসমাগমের মাধ্যমে ‘নির্বাচনী জনসভায়’ রূপ নিতে পারে।

কক্সবাজারমুখী সাংগঠনিক সফরের পর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবে আওয়ামী লীগ।তবে কেন্দ্রীয় নেতাদের এই সফরে কোনো সভায় কাউকে পরিচয় (মনোনয়নপ্রত্যাশী) করিয়ে দেওয়া হবে না। সভাগুলোতে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের শোডাউন হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতাদের দেখাতে কার চেয়ে কে বেশি লোকসমাগম করতে পারেন এর এক ধরনের প্রতিযোগিতা হবে। কেন্দ্রীয় নেতারা পথসভাগুলোতে স্থানীয় নেতাদের রেখেই প্রতিটি এলাকায় সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করতে চাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। ‘নির্বাচনী এই প্রচারণা’ পর্যায়ক্রমে সারা দেশে করা হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bahis siteleri