ঈদগাঁও বাজারের সিসি ক্যামরাগুলো অচল

edgao-station.jpg

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাও(৩১ অক্টোবর) :: সিসি ক্যামেরায় বসানোর দীর্ঘদিন পরও কোন চোর শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ,ব্যবসায়ীরা। প্রায়শ এ ধরনের ঘটনা ঈদগাঁও বাজারে বিভিন্ন দোকানপাট ও বাসা বাড়িতে ঘটে চলছে।

প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটলে বিভিন্ন অলিগলি ও গুরত্বপূর্ণ পয়েন্টে একাধিকটি সিসি ক্যামরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেন সদর রামু আসনের সংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল। সিসি ক্যামরা বসানোর পরও চুরি হচ্ছে প্রায়শ।

ব্যবসায়ীদের মতে, চোরদের মুখমন্ডল ও পোশাক পরিচ্ছেদ অস্পষ্ট ভাবে দেখা যাওয়ায় চিহ্নিত করতে পারেনা সহজেই। এসব ঘটনায় মামলা,অভিযোগ দায়ের ও ভিডিও ফুটেজ জমা দিতে হিমশিম খেতে হয় ব্যবসায়ীদের।

তবে সচেতন মহলের মতে, সিসি ক্যামরার আওতায় চুরি হওয়া কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এতে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন ব্যবসায়ীরা। বেশ কদিন পূর্বে ডিসি সড়কের পুর্বাণী হোটেলের সামনে গ্যাস সিল্ডিডারের দোকানে চুরি হলেও অদৃশ্য কারণে চোর সনাক্ত হচ্ছেনা।

ঈদগাঁও বাজারের অপরাধ দমনে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমলের পক্ষ থেকে ২০১৫ সাল থেকে বাজারের বিভিন্ন স্থানে ১৮টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়। তারমধ্যে ডিসি সড়ক ও বাসস্ট্যান্ডে ১০টি বসানো হয় । জনস্বার্থে দেওয়া সাংসদের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্দ্যেগ ক্যামরা গুলো অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এছাড়া এত বৃহৎ বাজারে পুলিশের টহল বা কোন পরামর্শ  না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে ব্যবসায়ী সমাজ।

ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সিরাজুল হক কক্সবাজার প্রতিদিনকে জানান, সিসি ক্যামরা বসানোর পর ২/৩ মাস পর্যন্ত ভাল চলছিল। তারপর অচল হয়ে পড়ে।

মুক্তিযোদ্বা মাষ্টার নুরুল আজিম জানান,সিসি ক্যামরাগুলো বর্তমানে নষ্ট হয়ে পড়েছে।

বাজারের এক ব্যবসায়ীর মতে,তার প্রতিষ্টান চুরির পর চোর শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশও দেখতে আসেনি। বিভিন্ন পয়েন্টে বসানো সিসি ক্যামরায় চোর যদি ধরা না পড়ে তাইলে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে কি লাভ।

সচেতন লোকজনের মতে,বাজারে চুরির ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা চাই।

কক্সবাজার সদর যুবলীগের সহ সভাপতি ও কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি মিজানুল হক জানান,বর্তমানে ঈদগাঁও বাজারে বসানো সিসি ক্যামরাগুলো নষ্ট।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri