izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর

black-hole.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২১ নভেম্বর) :: ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর ভয়ঙ্কর জিনিস। সেখানে একবার ঢুকলে আর কিচ্ছু বেরিয়ে আসে না। এমনকি আলোও ব্ল্যাকহোলে ঢুকলে আর বের হতে পারে না। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ সেখানে যেতে ভয় পাওয়ার কথা, কিন্তু মানুষের কৌতূহলও তো কম না। তা মেটাতে বিজ্ঞানীরা এক নতুন উপায় বের করেছেন।

আমাদের গ্যালাক্সি মিল্কিওয়ের কেন্দ্রে রয়েছে বিশাল ভরের একটি ব্ল্যাক হোল স্যাজিটেরিয়াস। বিজ্ঞানীরা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (ভিআর) বা পরাবাস্তব ভিডিওর প্রযুক্তি ব্যবহার করে এটি কাছ থেকে দেখার অনুভূতি তৈরির ব্যস্থা করেছেন।

নেদারল্যান্ডের র‍্যাডবাউড ইউনিভার্সিটি এবং জার্মানির গ্যেটে ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা সম্মিলিতভাবে তৈরি করেছেন এই ভিআর সিমুলেশনের ভিডিও। কম্পিউটেশনাল অ্যাস্ট্রোফিজিক্স অ্যান্ড কসমোলজি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে তাদের গবেষণাপত্রটি।

ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে বিভিন্ন জায়গা থেকে পাওয়া তথ্য, বিভিন্ন সময়ের পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা থেকে বিজ্ঞানীরা ব্ল্যাকহোলের ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন। থ্রিডি গ্লাস আর স্মার্টফোন প্রযুক্তি থাকলে যে কেউ খুব কাছ থেকে ব্ল্যাকহোল দেখার অভিজ্ঞতা পাবেন এই ভিডিও থেকে।

স্যাজিটেরিয়াস এ’র সাম্প্রতিক চারটি পর্যবেক্ষণ জোড়া গিয়ে একজন দর্শকের জন্য চিত্রায়িত করা হয়েছে ব্ল্যাকহোলটিকে।  বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণগহ্বরের চারপাশের ৩৬০ ডিগ্রী জায়গা ও এর ইভেন্ট হরাইজনের ভার্চুয়াল রিয়ালিটি মুভি তৈরি করেছেন। ব্ল্যাকহোলের ইভেন্ট হরাইজন বা প্রান্তসীমার ওপার থেকে আলো ফেরত না আসায় সেখানে আর কোনও কিছু পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব  নয়।

ব্ল্যাকহোলের কাছাকাছি যেতে পারলে খালি চোখে সেটি কেমন দেখাবে তাই মানুষকে বুঝানোর জন্য এই ভিআর ভিডিও তৈরি করেন বিজ্ঞানীরা।

বাচ্চাদেরকে ব্ল্যাকহোলের ধারণার সঙ্গে পরিচিত করিয়ে দিতেও এই মুভি বেশ কার্যকর হচ্ছে, জানান গবেষণাপত্রটির একজন লেখক জর্ডি ডাভেলার।

ব্ল্যাকহোলের ভিআর ভিডিওটি দেখুন এখানে, তবে বাস্তবে সেখানে উপস্থিত থাকার অনুভূতি পেতে থ্রিডিগ্লাস প্রয়োজন হবে:

 

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri