izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনীতদের চিঠি আজ থেকে

alg-noka-ticket.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৭ ডিসেম্বর) :: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের আজকের মধ্যেই চিঠি দেবে আওয়ামী লীগ। দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল দলের ও জোটের মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ করা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দল ও জোটের মনোনয়ন প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। শরিকদের সঙ্গেও বোঝাপড়া হয়ে গেছে। আমরা একটা সমঝোতা করতে পেরেছি। মনোনয়ন নিয়ে শরিকদের সঙ্গে টানাপড়েন দেখতে পাইনি।

মহাজোট যাদের মনোনয়ন দিয়েছে, আমি শতভাগ আশাবাদী, তারা বেশির ভাগ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।

আওয়ামী লীগের যেসব নেতা এখনো জোট মনোনীত শরিকদের আসনগুলোয় প্রার্থী হয়ে রয়েছেন, তারা জোটের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন বলে মনে করছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আমাদের মনোনয়নে রাজনীতির বিজয় হয়েছে। কাজেই আওয়ামী লীগের দুশ্চিন্তা নেই। কিছু জায়গায় ক্ষোভ-বিক্ষোভ হতে পারে। জোটের কারণে আমাদের অনেক আসনে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। আমরা আশা করি, জোটের মনোনয়ন তারা মেনে নেবেন।

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্র’ হচ্ছে মন্তব্য করে এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বিরোধী শক্তির কাছে রাজনীতির একটা বড় অস্ত্র আছে, সেটা হলো ষড়যন্ত্রের হাতিয়ার। এ হাতিয়ার আবার ব্যবহার হতে পারে, সতর্ক থাকতে হবে।

তারা আবার নাশকতা করতে পারে, সহিংসতা করতে পারে। শুরুটা তারাই করেছে তফসিলের পর নয়াপল্টনে নারকীয় তাণ্ডব দিয়ে। এটা যারা করতে পারে, তারা দেশে-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা করছে। তারা তো কেন্দ্র পাহারা দেবে, আমাদের কেন্দ্র রক্ষা করতে হবে।

প্রবীণ রাজনীতিক ড. কামাল হোসেন বিএনপির রাজনীতির কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গড়ে ‘বাঘা বাঘা’ নেতারা এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে পরিচালিত হচ্ছেন।

ড. কামাল হোসেন এখন নেতা নন, নির্বাচনও করছেন না। তাহলে তাদের নেতা হচ্ছে পলাতক, দণ্ডিত আসামি তারেক রহমান। তার নির্দেশ ছাড়া কামাল হোসেন সাহেব এখন কথাও বলেন না।

‘নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হবে’ বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের করা সাম্প্রতিক এক মন্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি আওয়ামী লীগকে ৩০ আসনের বেশি দিতে চান না।

২০০৮ সালে পেয়েছিলেন ২৯ সিট। আমরা কিন্তু ক্ষমতায় থেকে প্রতিপক্ষকে এত সিট দেব; এ ধরনের অহঙ্কারী উচ্চারণ একবারও করিনি। ক্ষমতার মালিক আল্লাহপাক, তারপর দেশের জনগণ। জনগণই ঠিক করবে, কাকে কত সিট দেবে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri