পেকুয়ায় রাজাখালীতে চলছে স্কুল সড়কে মাটি ভরাট কাজ

pekua-lnews-pn.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(৫ জানুয়ারী) :: পেকুয়ায় রাজাখালীতে চলছে স্কুল সড়কে মাটি ভরাট কাজ। ইউনিয়ন পরিষদ সড়ক সংষ্কার কাজ বাস্তবায়ন করছে। পূর্ব রাজাখালী লালজানপাড়া বেড়িবাঁধ থেকে ওই সড়কটি মধ্যম রাজাখালী পর্যন্ত বিস্তৃত। গ্রামীণ ওই সড়কটি এ ইউনিয়নের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান সড়ক।

বিগত কয়েক বছর সড়কটি প্রায় বিলীন হয়েছে। এক সময় গ্রামীণ এ সড়ক দিয়ে রাজাখালী ইউনিয়নের পশ্চিম ও মধ্য অংশের বিপুল লোকজন যাতায়াত করতেন। তবে কালের পরিক্রমায় ওই সড়কটিতে উন্নয়নের ছোয়া লাগে নি।

সুত্র জানায়, লালজানপাড়া তৈয়ব চৌধুরীর বাড়ি থেকে সড়কটি পশ্চিম দিকে চলমান। বিস্তীর্ণ এলাকায় মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় এ সড়ক সংষ্কার কাজের দেখভাল করে। কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসুচী (কাবিখা) থেকে খাদ্য শস্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সড়ক সংষ্কার কর্মসুচীতে।

সুত্র জানায়, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ এ সড়ক সংষ্কার কাজ বাস্তবায়ন করছেন। তবে মাটি ভরাট নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে অভিযোগ উঠেছে।

লালজানপাড়ার গ্রামবাসী জানায়, সড়কটি ব্রিটিশ আমল থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। সংষ্কার না হওয়ায় সড়কটি লবণ উৎপাদন জমির সাথে একাকার হয়। বর্তমান ওই সড়কে মাটি ভরাট কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। তবে বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গিতে সড়ক সংষ্কারে অনিয়ম দেখা দেয়। মাটি ভরাটে একপক্ষীয় কাজ পরিলক্ষিত হয়।

বিশেষ করে সড়কের নির্দিষ্ট জায়গা থাকলেও সেটিকে পাশ কাটিয়ে মুল স্থান পরিবর্তন করা হচ্ছে। টাকা নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি মাটি ভরাট কাজ একপেশে বাস্তবায়ন করছে। এতে করে একপক্ষীয় কাজে সড়কটি নির্মাণ কাজে পক্ষপাতমুলক উন্নয়নকাজ ত্বরান্বিত হচ্ছে।

লালজানপাড়ার বাসিন্দা ইউনিয়ন আ’লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তৈয়ব চৌধুরী জানায়, এ সড়ক সংষ্কার কাজ বাস্তবায়নে আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা ছিল। মৃত এ সড়কটি যোগাযোগ প্রাণস্পন্দন করতে আমি অনেক তদবির করেছি। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি সড়কে মাটি ভরাট কাজ মনগড়া বাস্তবায়ন করছেন। তারা উভয়পাশ থেকে সমান অংশ ভরাট থেকে বিরত রয়েছেন।

অধিকতর আমার বসতির উপর সড়কটি ছাপিয়ে দেয়। আমার বাড়ির অপর পাশে যারা অবস্থান করছেন তারা মুলত জামায়াত বিএনপির অনুসারী। তারা মোট অংকের টাকা দিয়ে সড়কটি জোরপূর্বক আমার বসতবাড়ির উপর বাস্তবায়ন করছে। মাটি খনন ও উত্তোলনেও একই বৈষম্য। তারা সড়ক সংস্কারে সব মাটি আমার বসতভিটা থেকে কাটছে।

তৈয়ব চৌধুরীর স্ত্রী পারভিন আক্তার জানায়, বসতবাড়ি তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বাড়ি ঘেষে মাটি তুলতে গর্ত করা হয়েছে। এতে করে বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ফলজ ও বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ সাবাড় করা হয়েছে। যা একটি পরিবারের উপর অবিচার।

তৈয়ব চৌধুরীর মা মেহেরুন্নেছা চৌধুরী জানায়, তারা কিভাবে এ কাজ বাস্তবায়ন করছে চোখে না দেখলে কারও বিশ্বাস হবে না। আমার উপর অন্যায় চলছে। আমরা উন্নয়নের পক্ষে। এক পক্ষের জমি যাবে এ কেমন কথা। উভয়পক্ষকে উন্নয়নের জন্য সমভাগ জায়গা দিতে হবে। এখন একপেশী হচ্ছে।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri