ভারতের সঙ্গে আরো গভীর সম্পর্ক করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

India-USA.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৬ জানুয়ারী) :: চীনের উত্থান নিয়ে অভিন্ন উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র যে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরো গভীর করতে আগ্রহী তার প্রমাণ ‘এশিয়া রিএসিউরেন্স ইনিশিয়েটিভ এ্যাক্ট। বিশ্লেষকরা এ কথা বলছেন।

তারা বলছেন যে নতুন আইন এমনকি সামরিক সহযোগিতা আরো জোরদার করতে পারে। এর মধ্যে ভারতের কাছে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির বিষয়টি থাকবে।

এই আইনে ‍যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক জোরদার ও সম্প্রসারণের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদারে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্বীকার করা হয়েছে।

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এক টুইটে এই আইনের গুরত্বপূর্ণ অংশগুলো তুলে ধরেন। এতে একটি বড় প্রতিরক্ষা অংশীদার হিসেবে ভারতকে ‘অনন্য’ আখ্যা দেয়া হয়েছে।

এই আইনে  উল্লেখ করা হয় যে ২০১৬ সালের আখ্যা ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে প্রতিরক্ষা বাণিজ্য ও কারিগরি সহযোগিতা এমন এক পর্যায়ে উন্নিত  করেছে যা যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও অংশীদারদের পর্যায়ে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক অব্যাহত রাখতে চান তা ভারতকে নিশ্চিত করবে নতুন মার্কিন আইন।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ললিত মানসিংহ বলেন, অন্যান্য ঘনিষ্ঠ কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে অনিশ্চতার মধ্যেও ভারতের ক্ষেত্রে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্র বারবার আশ্বস্ত করে বলছে যে ট্রাম্প ভারতকে পরিত্যাগ করছেন না।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ দুটি। প্রথমত, চীনের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলা এবং ভারতে একটি পাল্টা ভারসাম্য তৈরি। এবং দ্বিতীয়ত, ভারত হলো মার্কিন সামরিক প্রযুক্তির একটি বাজার।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক পি কে ঘোষ বলেন: এই আইন ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন যা আরো শক্তিশালী ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bahis siteleri