izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

কক্সবাজারে আত্মসমর্পণে ইয়াবা চুনোপুঁটিরা : আত্মগোপনে ‘ইয়াবা সম্রাটরা’ !

yaba-most-wanted-gov-1.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৪ জানুয়ারী) ::‍‍ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সীমান্তবর্তী হওয়ায় রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের পাশাপাশি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ইয়াবা ব্যবসার উর্বর ভূমি টেকনাফ। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এখানকার ঘরে ঘরে বিস্তার লাভ করেছে ইয়াবা ব্যবসা। এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের হাত ধরে মরণব্যাধি এ মাদকের বিস্তার ঘটেছে। এদের কেউ কেউ ইয়াবা ব্যবসায়ীদের গডফাদার। আবার বড় একটা অংশ সরাসরি ব্যবসার সঙ্গেই জড়িত।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এবং বিভিন্ন সংস্থার তালিকায় কক্সবাজার জেলার যে ১ হাজার ১৫১ জন ইয়াবা ব্যবসায়ীর নাম রয়েছে তার মধ্যে ৯ শতাধিক ব্যবসায়ী হচ্ছেন নাফতীরের সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফের।

গত বছরের প্রথম দিকে শুরু হওয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানের কারণে এই ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বড় অংশই আত্মগোপনে। মাঝেমধ্যে দু-একজন পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেলেও অন্যদের কোনো সন্ধানই পাচ্ছে না পুলিশ প্রশাসন। কিন্তু যারা গডফাদার, যারা ইয়াবার বড় ব্যবসায়ী তারা এলাকায় দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আর চুুনাপুঁটিরা পালিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রশ্ন, টেকনাফের এত ইয়াবা ব্যবসায়ী গেলেন কই?

জানা যায়,কক্সবাজারে চলমান ইয়াবাবিরোধী অভিযানের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বেশিরভাগ মারা যাচ্ছে চুনোপুঁটিরা। জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারিরা বন্দুকযুদ্ধের শিকার হলেও পার পেয়ে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ কারবারিরা। অথচ মিয়ানমার থেকে ইয়াবা পাচার করে এনে দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই শীর্ষ কারবারিদের বিরুদ্ধে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা ও জেলা পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যুর তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত ৯ মাসে বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছে ৫২ জন। এর মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাত্র চারজন। বাকি ৪৮ জনই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকার বাইরের।

সরেজমিন টেকনাফ উপজেলা সদর ও আশপাশের জালিয়ারপাড়া, নাজিরপুর, বড় হাবিরপাড়া, ছোট হাবিরপাড়া, মৌলভীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এবং স্থানীয় অনেকের সঙ্গে কথা বলে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, টেকনাফের ইয়াবা ব্যবসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হচ্ছেন সরকারদলীয় সদ্য সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদি। তার আশ্রয়-প্রশ্রয়েই গত ১০-১২ বছরে ইয়াবা ব্যবসার বিস্তার ঘটেছে টেকনাফের গ্রামে-গঞ্জে, আনাচে-কানাচে। তার আপন ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন নির্বিঘ্নে ইয়াবার ব্যবসা চালিয়েছেন। তিনি কখনই কাউকে বাধা দেননি কিংবা লাগাম টেনে ধরেননি। ফলে তারা বেপরোয়াভাবে ইয়াবার বিস্তার ঘটিয়েছেন।

টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া গ্রামের এক যুবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সাবেক এমপি বদি নিজে সরাসরি ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এ কথা যেমন ঠিক, তেমন তিনি তো তার ভাই-বোন, ভাগনে, ভাতিজা যারা ইয়াবা ব্যবসা চালিয়েছেন বছরের পর বছর তাদের বাধাও দেননি। বদির আশ্রয়-প্রশ্রয়েই তারা ব্যবসা করেছেন। এ দায় কোনোভাবেই বদি এড়াতে পারেন না। এ কারণেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার করা মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকায় তার নাম সবার শীর্ষে।

শুধু বদি ও তার পরিবারের সদস্যরাই নন, টেকনাফের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায় নাম রয়েছে টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ, তার ছেলে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজান মিয়া, তার আরেক ছেলে মোহাম্মদ ইলিয়াছ (যে নিজেকে সরকারের এক মন্ত্রীর ছেলের বন্ধু হিসেবে পরিচয় দিয়ে বেড়ান), জাফর আহমদের ভাই বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মৌলানা আজিজ উদ্দিন, জাফর আহমদের বড় জামাতা ও টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর ছেলে মাহবুব মোর্শেদ ও ছোট ছেলে রাশেদ মোহাম্মদ আলী, টেকনাফ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা রফিক উদ্দিন, বদির ছোট ভাই টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌলভী মুজিবুর রহমান, বদির বড় বোনের জামাই পুলিশের সাবেক পরিদর্শক (ওসি) আবদুর রহমান, সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নূর হোসেন, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস কে আনোয়ার, ইয়াবা ব্যবসার প্রথম দিকের হোতা সাইফুল করিম (বর্তমানে দেশের বাইরে, গত বছর অভিযান শুরুর পরপরই দেশ ছাড়েন)। এদের সবার নাম শীর্ষ ৭৩ জনের তালিকায় রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছেন, শীর্ষ তালিকার এই মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করা দূরে থাক, মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তাদের বাসাবাড়িতে অভিযানই চালায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। উল্টো তারা প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায় থাকার পরও কীভাবে তারা ঘুরে বেড়ান- এটিই এখন স্থানীয়দের কাছে ‘অপার রহস্য!’

এরা ছাড়াও শীর্ষ ৭৩ জনের তালিকায় নাম আছে মৌলভীপাড়ার মো. একরাম ও তার ভাই আবদুর রহমান, হ্নীলার নির্মল সেন, হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বাবুল হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জামাল হোসেন ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুরুল হুদার।

সূত্র জানান, শেষের তিনজনের মধ্যে বাবুল মেম্বার মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর প্রথম দিকে ইয়াবাসহ ধরা পড়লে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ছয় মাসের কারাদ  দেয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, তার কারাদ  হওয়ার পরও ইউনিয়ন পরিষদে তার সদস্যপদ এখন পর্যন্ত শূন্য হয়নি। আর জামাল ও নুরুল হুদা মেম্বার আত্মসমর্পণের জন্য এখন পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজার পুলিশ লাইনসে রয়েছেন।

শীর্ষ তালিকার আরও দুই ব্যবসায়ী সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোদার বিলের আলী আহমদের দুই ছেলে আবদুর রহমান এবং জিয়াউর রহমানও আত্মসমর্পণের জন্য কক্সবাজার পুলিশ লাইনসে রয়েছেন। আর শীর্ষ তালিকায় থাকা একমাত্র সংখ্যালঘু ব্যক্তি নির্মল সেন এখন পর্যন্ত পুলিশের নজর এড়িয়ে যাচ্ছেন। তাকে ধরা দূরের কথা, তার বাড়িতে কোনো অভিযান পর্যন্ত চালায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বর্তমানে কক্সবাজারে আয়োজন করে ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া চলছে। ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে টেকনাফে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইয়াবা কারবারিরা আত্মসমর্পণ করতে পারে বলে জেলা পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আভাস পাওয়া গেছে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে শতাধিক ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে চলে গেছে। সর্বশেষ বিদেশ থেকে ফিরে গতকাল বুধবারও ২০ জনের বেশি ব্যক্তির হেফাজতে যাওয়ার কথা ছিল। তবে তাদের নামের তালিকা বা সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে পুলিশ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকা ছাড়াও জেলা পুলিশের যে তালিকা রয়েছে, এই তালিকায় এক হাজার ১৫০ ব্যক্তির নাম স্থান পেয়েছে। মূলত জেলাজুড়ে গত কয়েক বছরে দায়ের করা মামলার আসামিরাই এ তালিকায় স্থান পেয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার জেলা পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে নিহত মাদক কারবারিদের তথ্যাদি আলাদাভাবে আরেকটি তালিকায় লিপিবদ্ধ রাখছে।

ওই তালিকায় গত বছরের ২৪ মে থেকে চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ৯ মাসে বিভিন্ন সময়ে জেলায় বন্দুকযুদ্ধ, মাদক কারবারিদের অন্তঃকোন্দলে মৃত্যু, মাদক কারবারিদের অজ্ঞাতপরিচয় লাশ উদ্ধার সংক্রান্ত তথ্যাদি রয়েছে। ওই তালিকায় ৫৪ জনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে। বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে মূলত পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সঙ্গে। তবে তালিকায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুজন জলদস্যুর মৃত্যুর তথ্য রয়েছে। সেই হিসাবে জলদস্যু বাদে ৫২ জন মাদক কারবারির মৃত্যু হয়েছে।

নিহতের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত চারজন হলো তালিকার ২৩ নম্বর ক্রমিকের আকতার কামাল মেম্বার (৩৬), তালিকার ২৭ নম্বর ক্রমিকের হাবিব উল্লাহ হাবিব (৩৫), তালিকার ৩১ নম্বর ক্রমিকের জিয়াউর রহমান এবং তালিকার ৫৬ নম্বর ক্রমিকের মোস্তাক আহমদ মুছু।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত এই চার ইয়াবা কারবারির মৃত্যুর বিষয়টি কালের কণ্ঠ’র অনুসন্ধানে নিশ্চিত হওয়া গেছে। কিন্তু নিহতের তালিকায় দেখা গেছে, পুলিশ আরো তিনজনকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় ওই তিনজনের নাম পাওয়া যায়নি।

গত ২০ জানুয়ারি টেকনাফ থানার হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া এলাকায় টেকনাফ থানার পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায় শামসুল আলম ওরফে বার্মাইয়া শামসু (৩৮)। টেকনাফ থানার পূর্ব সিকদার পাড়ার হোসেন প্রকাশ গুরা মিয়ার ছেলে শামসুর। আবার গত ১০ জানুয়ারি টেকনাফের সাবরাং মেরিন ড্রাইভ সড়কের জিরো পয়েন্ট এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায় ১০ মামলার আসামি রশিদ আহাম্মদ ডেইলা ও দুই মামলার আসামি আবুল কালাম। এই তিনজনকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি হিসেবে উল্লেখ করা হলেও তাদের নাম তালিকায় পাওয়া যায়নি।

বন্দুকযুদ্ধে ছোট কারবারিদের বেশি মৃত্যু হচ্ছে, এই ভয়ে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইয়াবা কারবারি জাফর আহমদ ও আলী আহমদ। এ দুজনই টেকনাফের বাসিন্দা। আলাপকালে তারা জানায়, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি বন্দুকযুদ্ধের নামে চুনোপুঁটি বেশি মারছে। তাই জীবন রক্ষার্থে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৭৩ জনের তালিকার মধ্যে মারা পড়েছে মাত্র চারজন। বাকি ৬৯ জনের মধ্যে ২৩ জন আত্মসমর্পণ করতে পুলিশ হেফাজতে গেছে বলে জানা গেছে। তবে গত বুধবার নতুন করে আরো কয়েকজন পুলিশ হেফাজতে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা কারবারি কতজন আছে, গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে ইয়াবা কারবারে সম্পৃক্তরা আত্মসমর্পণ করলে পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে কী কী সুবিধা পাবেন; তাদের অর্জিত অবৈধ অর্থ; সেই অর্থে গড়ে তোলা সম্পদের কী হবে- এসব এখনো চূড়ান্ত করেনি সরকার। আর তাদের বিরুদ্ধে ইয়াবা কারবারের যেসব মামলা রয়েছে, সেগুলোরইবা কী হবে- এ বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়নি। একাধিক সূত্রমতে, কিছু দিনের মধ্যেই এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে সরকারের তরফ থেকে।

অপরদিকে ইয়াবা বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা যে টাকা উপার্জন করেছেন সে বিষয়ে কী হবে?- এমন প্রশ্নে জবাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একজন শীর্ষ কর্তাব্যক্তি বলেন, তাদের সম্পদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার জন্যে তারা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে চিঠি লিখবে। এরপর, দুদক এবং এনবিআর এ বিষয়ে তাদের তদন্ত চালানোর কাজ হাতে নিবে।

Share this post

PinIt
scroll to top