izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

পেকুয়ায় সন্তানের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা !

mamla-coxbangla.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(২৪ জানুয়ারী) :: পেকুয়ায় এবার সন্তানের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা করল গর্ভধারিনী মা। সম্পত্তির বন্টন ও কবলা সম্পাদন নিয়ে ভাই বোনদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর সুত্র ধরে ছেলেরা মাকে ভাগিয়ে নেয়। এ সময় ওই বৃদ্ধাকে দিয়ে তার দু’মেয়ে ও মেয়ের স্বামীদের বিরুদ্ধে কোর্টে গায়েবী মামলা রুজু করায়।

উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের বুধামাঝিরঘোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ দিকে কাল্পনিক ঘটনায় খোদ মা সন্তানের বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা রুজু করার খবর গ্রামে চাউর হয়।

এতে করে গ্রামবাসীদের মাঝে হতাশা ও চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির অবতারনা হয়। গত ২২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি রুজু করে। যার নং সিআর ১৩৮৬/১৮।

বিচারিক আদালত এ বিষয়ে তদন্তভার ন্যস্ত করেছেন পিবিআই কক্সবাজার ব্রাঞ্চকে। পুলিশ ব্যুরো ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই) এর একজন এসআই এর নেতৃত্বে তদন্ত টীম উপজেলার বারবাকিয়া ই্উনিয়নে বুধামাঝিরঘোনায় পরিদর্শনে যায়।

এ সময় মামলা ও মামলার আর্জিতে উপস্থাপিত বিষয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ স্বাক্ষী গ্রহন করে। এ সময় বাদী ও বিবাদীগনের নিকট আত্মীয়সহ গ্রামবাসী ও প্রতিবেশীরা জড়ো হন। তারা মামলার বিষয়ে স্পষ্ট মতামত ও বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন। পিআইবির তদন্ত টীম এ সব বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেছেন।

স্থানীয় সুত্র জানায়, বুধামাঝিরঘোনায় মৃত শহর আলীর স্ত্রী হানিফা খাতুন প্রকাশ হানিফা বিবি চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা রুজু করে। ওই মামলায় তার মেয়ে জন্নাত আরা বেগম, আমেনা বেগমকে আসামী করে। এ ছাড়া আমেনা বেগমের স্বামী ফরিদুল আলম, মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে মাহামুদুল করিম, মৃত পুতন আলীর ছেলে আক্তার হোসন, তার ভাই কবির হোছনসহ ৬ জনকে ওই মামলায় বিবাদী করে।

সুত্র জানায়, হানিফা বিবি দু’মেয়ে জন্নাত আরা ও আমেনা বেগমকে হেবামুলে ২৪ শতক হারে ৪৮ শতক জমি রেজিষ্ট্রি দেয়। ২০১৬ সালের ২০ মার্চ ওই জমি কবলা সম্পাদিত হয়। যার নং ৮০৪/১৬। এ জমি তারা জমাভাগ খতিয়ান সৃজন করে। যার নং ৩৮৩৪/১৬। ওই মহিলা তার প্রাপ্ত অংশ অপর বিবাদীদের নামে কবলা দেয়। যার নং ১৩৫১/১৬। জমির পরিমাণ ৭ শতক।

এ ছাড়া ৫/৬ নং বিবাদীদের অনুকুলে ৩শতক জমি বিক্রি করে। যার দলিল নং ১৬৫৮/১৬। হানিফা বিবি দীর্ঘদিন বার্ধক্যে ভোগছিলেন। ভরন পোষন ও সেবা শশ্রুষা নিয়ে পুত্র আহমদ নবী ও মাহামুদ নবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রুজু করেছিলেন পেকুয়া থানায়। পুত্রবধূ রোকেয়া শাশুড়ীকে প্রায় সময় মানসিক নির্যাতন করতেন। তার আচার আচরন অতিষ্ট ছিলেন। এ সময় হানিফা বিবি প্রবাসী ছেলে ও পুত্রবধূর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেয়।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছেলে ও পুত্রবধূ মিলে হানিফা বিবিকে মারধর করে। এক পর্যায়ে হানিফা বিবি স্বামীর ভিটা থেকে বিতাড়িত হন। মেয়ে আমেনা বেগম মাকে তার সংসারে ঠাই দেয়। সেবা শশ্রুষা করছিলেন প্রায় ৩ বছর। এ সুবাধে ছেলে ও পুত্রবধূ মিলে হানিফা বিবির পৃথক বসতবাড়ি গুটিয়ে দেয়।

এদিকে সম্প্রতি হানিফা বিবির ছেলে আহমদ নবী বিদেশ থেকে বাড়িতে আসে। এ সময় মা ছেলেকে দেখতে গিয়েছিলেন। কৌশলে ছেলে ও পুত্রবধূ মাকে সেখানে ঠাই দেয়। তারা মাকে ফুসলিয়ে দু’বোনের বিরুদ্ধে ও অপর কবলা গ্রহীতাগনকে ও আসামী করে একটি নালিশি অভিযোগ কোর্টে পৌছায়।

আমেনা বেগম জানায়, এ মামলাটিতে সম্পূর্ন কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়েছে। সেটি গায়েবী মামলা। আমি ও আমার বোন মাকে সেবা দিয়েছি। তারা করেছিল অত্যাচার। এ অসহায় নারীকে নিয়ে যারা খেলছে তারা সবাই অত্যাচারী। তদন্তে পিআইবির টীম এসেছিল।

তারা প্রতিবেদন আদালতে পৌছাবার আগে পক্ষপাতিত্ব লক্ষ্য করছি। এরা বস্তুনিষ্ট প্রতিবেদন দিবেনা এমন মনে হচ্ছে তাদের আচার আচরনে। আমরা নিরপেক্ষ তদন্ত দাবী করছি। প্রকৃত অবস্থা কি এসব বেরিয়ে আসবে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri