izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

কক্সবাজার সদর উপজেলার প্রত্যাশী রাশেদ তৃণমূলের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রার্থী বাছাইয়ের দাবী

11-1.jpg

মোঃ রেজাউল করিম,ঈদগাঁও(২৭ জানুয়ারী) :: কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইমরুল হাসান রাশেদ বলেছেন, কার্যকর ও জনমুখী স্থানীয় সরকার কাঠামো গড়ে তুলতে তারুণ্যনির্ভর যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই।

আওয়ামীলীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উপজেলাকে মডেল উপজেলায় রূপান্তর ও দলমত নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন তিনি। আদর্শভিত্তিক ও মর্যাদাপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নাগরিকদের অধিকার সুনিশ্চিত করাই হবে আমার দায়িত্ব।

তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে সদর উপজেলাকে দূর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার প্রশাসন হিসেবে উপহার দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বলেন, নির্বাচিত হলে কক্সবাজারের ভূমিকা জাগ্রত করে জনকল্যাণ ও জনসেবামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে গতিশীল জনপ্রতিনিধিত্ব সৃষ্টি করব।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক ও জালালাবাদ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত এ তরুন চেয়ারম্যান আরও বলেন, অমিত সম্ভাবনা থাকা স্বত্ত্বেও যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে পর্যটন শিল্প ও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ জনগুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজার সদর উপজেলা প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা বঞ্চনা ও অবহেলার শিকার।

প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ‘জনগণের দোরগোড়ায় সেবা’ কার্যক্রম কাংখিতরূপে পৌঁছছে না। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, পর্যটনসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে যে হারে উন্নয়ন হবার কথা তা থেকে উপজেলাবাসী দীর্ঘদিন বঞ্চিত রয়েছেন।

২৭ জানুয়ারী সন্ধ্যায় ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবে নৌকা প্রতীকের এ মনোনয়ন প্রত্যাশী স্থানীয় সাংবাদিকদের নিকট উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে তার সুদূর প্রসারী কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে ব্রিফিঙ ও খোলামেলা আলোচনা করেন।

তৃণমূলের মতামতের আলোকে দলীয় মনোনয়নে তিনি নির্বাচিত হলে উপজেলার আপামর জনগণকে ন্যায্য সেবা প্রদান করে তাদের মুখে হাসি ফুটাতে আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালানোর কথা জানিয়ে বলেন, সমাজ সংস্কারক হিসেবে উপজেলাবাসীর শুণ্যতা ও চাহিদা পূরণে তিনি নিরলস কাজ করবেন।

এক্ষেত্রে তিনি যোগ্য নেতৃত্ব তৈরী ও মানবিক সমাজ গড়তে সাংবাদিকদের বলিষ্ঠ ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘদিন ছাত্র রাজনীতি ও বর্তমানে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় তিনি গণমানুষের অভাব ও চাহিদার ব্যাপারে সম্যক অবগত আছেন জানিয়ে বলেন, জনসম্পৃক্ততার কারণে তৃণমূল তাকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন।

তিনি জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে মেধা, বুদ্ধিদীপ্ত ও তারুণ্য নির্ভর গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে উপজেলাবাসীর সার্বিক উন্নয়নে মনোনিবেশ করবেন বলে জানান।

তিনি মনোনয়ন পাবার শতভাগ আশা ব্যক্ত করে বলেন, অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং স্থানীয় রাজনীতির কষাঘাতে জর্জরিত না হলে তিনি অবশ্যই তরুন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরকারী ঘোষিত রূপকল্প বাস্তবায়নের একজন সহযোদ্ধা হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একটি গণতান্ত্রিক ও গণমুখী সংগঠন। এ সংগঠনের একজন প্রত্যক্ষ কর্মী হিসেবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদকের প্রত্যক্ষ ভোটে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় তার নাম মনোনীত করা হবে। পাশাপাশি তিনি আশংকা ব্যক্ত করেন যে, কেন্দ্রের ঘোষনামতে তৃণমূলের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা না হলে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিজয় চরমভাবে বাধাগ্রস্থ হবে।

Share this post

PinIt
scroll to top