টেকনাফের ইয়াবা কারবারিদের সুকৌশলী বাজারনীতি

yaba-river.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৭ জানুয়ারী) ::‍‍ সুকৌশলী বাজারনীতির কারণে কক্সবাজার-টেকনাফের ইয়াবা ব্যবসার হাত বদল হচ্ছে। পুরনোদের স্থান দখল করে নিচ্ছে নতুনরা। বাকিতে মাদক বেচার পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে ইয়াবা চোরাচালানের নতুন পথ ব্যবহার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি আত্মসমর্পণ করতে যাওয়া ৬৩ তালিকাভুক্ত ‘ইয়াবা ব্যবসায়ীকে’ জেরা করে পুলিশ এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫০ জন ‘নতুন ব্যবসায়ী’ সম্পর্কে জানতে পেরেছে।

সূত্র জানায়, কোনো গোয়েন্দা প্রতিবেদনে নতুন কারবারিদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

জেলার একজন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “এখনো সেই ২৫০ জন সম্পর্কে কিছু জানতে পারিনি। আমরা তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করছি।”

পুলিশের আশ্রয়ে থাকা ‘ইয়াবা সম্রাটদের’ বরাত দিয়ে দুজন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, চোরাকারবারিরা ইয়াবা আনতে নতুন নতুন পথ ব্যবহার করছে। যেমন- টেকনাফের হোয়াইক্যং এবং উখিয়ার থাইংখালী দিয়ে মিয়ানমার থেকে মাদক আনা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় চোরাকারবারিরা কোনো রকমের অগ্রিম টাকা ছাড়াই ইয়াবা সরবরাহ করছে।

ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে জেলা পুলিশের একজন কর্তাব্যক্তি বলেন, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ইয়াবা জব্দ করে তা ধ্বংস করে দিলে সে জন্যে ব্যবসায়ীদের কোনো টাকা দিতে হয় না।”

ইয়াবা বিক্রি হওয়ার পর হুন্ডির মাধ্যমে টাকা মিয়ানমারে পাঠানো হয় বলেও জানান তিনি।

পুলিশ সেসব হুন্ডি ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করছে বলে জানান যায়।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri