izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

পেকুয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের এডমিট আটকে রাখার অভিযোগ

IMG_2793-1.jpg

মো: ফারুক,পেকুয়া(৩০ জানুয়ারী) :: কক্সবাজারের পেকুয়ায় মেহেরনামা উচ্চ বিদ্যালয়ে অতিরিক্তি টাকা না দেয়ায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের এডমিট কার্ড আটকে রেখেছেন প্রধান শিক্ষক মোঃ শামশুদ্দোহা।

এবিষয়ে তাৎক্ষনিকভাবে পরিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহল বিক্ষোভ শুরু করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আ.ফ.ম হাসান স্কুলে গিয়ে পরিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে অনিয়মের তথ্য নেন।

এক পর্যায়ে স্কুলে বসে শিক্ষা কর্মকর্তা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও ইউএনও’র সাথে কথা বলেন বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা চালান।

বুধবার (৩০জানুয়ারি) পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বাঘগুজারা এলাকায় মেহের নামা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

পরে কক্সবাজার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও পেকুয়ার ইউএনও পরিক্ষার্থীদের এডমিট দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করলেও প্রধান শিক্ষক এতে কর্ণপাত করেননি। সর্বশেষ পরিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন ধরণের সুরহা না হওয়ায় তারা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে।

সুবর্ণা মুস্তফা পপি, রুমি, আফরোজা, সাদিয়া, খোকন মিয়া, মোঃ হাছান, ইমরানুল ইসলাম ও সোহাগসহ আরো কয়েকজন পরিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, এসএসসি পরিক্ষার্থীদের ফরম পুরণের সময় আদায় করা হয় ২৩শত ৫০টাকা, কোচিংয়ের নামে আদায় করা হয় ১২শ টাকা, এক সাবজেক্ট ফেল করলে ৫হাজার, তারচে বেশি বিষয় ফেল করলে ১০ থেকে ১৫হাজার টাকা, কোচিংয়ে ১ থেকে ৫ দিন অনুপস্থিত থাকলে ১শ থেকে ২হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। সর্বশেষ এডমিট কার্ড দেওয়ার সময় প্রতিজন থেকে ৫শ টাকা করে দাবি করলে, তা না দেওয়ায় এডমিট আটকে দেন প্রধান শিক্ষক শামশুদ্দোহা। তাই পরিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বিক্ষোভ করে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেন।

পরিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা ফরম পুরণের টাকা আদায়ের রশিদ দেখতে চাইলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা দেখাতে না পেরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে নেন। এডমিটের জন্য আবারো ৫শ টাকা কেন নিচ্ছে তা প্রশ্ন করা হলে, তারা উত্তর দেন এবিষয়ে ইউএনও’র সাথে কথা বলা হয়েছে। এসময় শিক্ষা কর্মকর্তা স্কুলের হিসাব দেখতে গিয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও লুঠপাটের চিত্র দেখে হতবাক হয়ে পড়েন। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষনিকভাবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবগত করেন। পরে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে সন্ধ্যায় এডমিট কার্ড দিতে বাধ্য হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এসময় উপস্থিত অভিভাবক কাছিম আলী, নুরুল আবছার, আবদু শুক্কুর, শওকত ওসমাণসহ আরে কয়েকজন বলেন, প্রধান শিক্ষক ও স্কুল সভাপতি বিএনপি নেতা মোঃ শাহালম একটি সিন্ডকেট করে স্কুলটিকে ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তাদের ইচ্ছেমত টাকা আদায় করা হয়ে থাকে। মাঝে মধ্যে আমরা প্রতিবাদ করলে বলা হয়, আমাদের ছেলে মেয়েদের পরীক্ষায় বসতে দিবে না।

এব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আ.ফ.ম হাসান বলেন, মেহেরনামা উচ্চ বিদ্যালয়ে টাকা আদায়ের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গেছে। ২৩শ ৫০টাকা করে নেওয়া হয়েছে ফরম পুরণের সময়। ৫শ টাকার জন্য এডমিট না দেয়ার অভিযোগও সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি আমি তাৎক্ষনিকভাবে আমার উর্ধ্বতম কর্তপক্ষকে অবগত করেছি। বিষয়টি আমি লিখিতভাবে জানাবো।

তিনি আরো বলেন, ঘটনাস্থল থেকে অল্প দূরে স্কুল সভাপতির বাড়ি। তাকে বার বার ফোন করে স্কুলে আসার জন্য বলা হলেও তিনি আসেননি। সর্বশেষ তিনি বলেন, আমি এতটাকা না নেওয়ার জন্য অনেকবার বারণ করেছিলাম। তারপরও নেওয়ায় আমার করার কিছু নাই।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহাবুবউল করিম বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানানো হয়েছে।

এব্যাপারে মেহেরনামা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শামশুদ্দোহা বলেন, আমার স্কুল আমি যেভাবে চালাই সেভাবে চলবে। এখানে শিক্ষা অফিসার আর ইউএনও’র কি।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri