ক্যান্সারের লক্ষণ,কারণ ও প্রতিকার

cansar.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৩ ফেব্রুয়ারি) :: বিশ্বে যত মৃত্যুর ঘটনা ঘটে তার ১২ ভাগ হয় ক্যান্সারের কারণে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে ক্যান্সারকে যথাক্রমে মৃত্যুর দ্বিতীয় ও তৃতীয় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ক্যান্সার হলে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের কোষ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চারপাশের টিস্যু এমনকি দূরবর্তী কোনো অঙ্গেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। পরিণতিতে আক্রান্ত ব্যক্তি একপর্যায়ে মৃত্যুবরণ করে।

আমাদের দেশে স্তন, জরায়ু, অন্ত্রনালি, প্রোস্টেট, ফুসফুস, পাকস্থলী, ডিম্বাশয়, যকৃৎ, অন্ননালি, মুখগহ্বর, ত্বক প্রভৃতি অঙ্গের ক্যান্সার প্রায়ই পরিলক্ষিত হয়।

ক্যান্সারের কারণ হিসেবে পান-সুপারি, জর্দা, তামাকপাতা, ধূমপান, মদ্যপান, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্য গ্রহণ, ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যের  সংস্পর্শ, কিছু কিছু ভাইরাস (হেপাটাইটিস বি ও সি, এইচআইভি, এবস্টেইন বার ভাইরাস, সাইটোমেগালো ভাইরাস), কিছু পরজীবী (সিস্টোসোমিয়াসিস), সূর্যকিরণ, তেজস্ক্রিয়তা, কীটনাশক, রঙিন খাবার, বায়ুদূষণ প্রভৃতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ধারণা করা হয়ে থাকে, ওপরের কারণগুলো প্রতিহত করতে পারলে তিন ভাগের একভাগ ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। ক্যান্সার প্রতিরোধে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলুন। এসব নিয়মের মধ্যে সুপারি, জর্দা, তামাকপাতা, ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন করতে হবে। ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং প্রয়োজনীয় শারীরিক পরিশ্রম করে শরীরকে সচল রাখা। সব ধরনের তেজস্ক্রিয়তা এড়িয়ে চলা। পেশাগত কারণে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যের সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা থাকলে প্রয়োজনীয় প্রটেকশন নিয়ে কাজ করা।

সময়মতো টিকা গ্রহণ করা (যেমন- ‘হেপাটাইটিস বি’ টিকা লিভার ক্যান্সার প্রতিরোধ করে)। রঙিন খাদ্য ও পানীয়, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ এবং কসমেটিক বর্জন করা। সর্বোপরি খাদ্য, ওষুধ ও কসমেটিক ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা। পর্যাপ্ত উদ্ভিজ খাবার (শাকসবজি, ফলমূল) এবং আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা। খাবারে অতিরিক্ত লবণ বর্জন করা। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা বা এড়িয়ে চলা। যেসব অসুখ থেকে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে সেগুলোর দ্রুত চিকিৎসা করানো। ধূমপান ও মাদকবিরোধী আইন মেনে চলা অথবা বাস্তবায়ন করা। ক্যান্সারের কারণ, প্রতিরোধ, দ্রুত ক্যান্সার নির্ণয় এবং ক্যান্সারের পরিণতি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।

দ্রুত ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে এ ঘাতক ব্যাধি মুক্ত করা সম্ভব। তাই ক্যান্সারের লক্ষণ জানতে পারলে শুরুতেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা নেবেন।

Share this post

PinIt
scroll to top
alsancak escort bornova escort gaziemir escort izmir escort buca escort karsiyaka escort cesme escort ucyol escort gaziemir escort mavisehir escort buca escort izmir escort alsancak escort manisa escort buca escort buca escort bornova escort gaziemir escort alsancak escort karsiyaka escort bornova escort gaziemir escort buca escort porno