izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

মানুষের মন খারাপ দূর করবে যেসব খাবার

wmn-food.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৭ ফেব্রুয়ারি) :: একজন মানুষের মধ্যে জেনেটিক্স, অসুস্থতা, হরমোনের সমস্যা প্রভৃতি কারণে মন খারাপ, বিষণ্ণতা, হতাশা সৃষ্টি হতে পারে। বিভিন্ন গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমাদের দৈনন্দিন ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যাভাস এই হতাশার ঝুঁকিকে আরও বৃদ্ধি করতে পারে। সুতরাং যাদের প্রায়ই মন খারাপ থাকে তারা নীচের খাবারগুলো নিয়মিত রাখুন খাদ্য তালিকায়।

হেলদি ফ্যাট

সামুদ্রিক মাছ থেকে প্রাপ্ত ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এবং বাদাম, অলিভ ওয়েল ও অ্যাভোকাডো থেকে প্রাপ্ত মনোঅ্যানস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড মস্তিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই মন ভালো রাখতে, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন এই হেলদি ফ্যাটগুলো।

সবুজ শাক

সবুজশাক যেমন পালংশাক, কলমীশাক, সরিষাশাক, লেটুসপাতা প্রভৃতি সবুজ রঙের শাক ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার সমূহ দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সবুজ রঙের শাকে উচ্চ পরিমানে ফোলেট থাকে। দেহে ফোলেট লেভেল কমার সঙ্গে হতাশার সম্পর্ক রয়েছে। ফোলেট যুক্ত খাবার গ্রহন করলে দেহে সেরোটোনিন লেভেল বৃদ্ধি পায় যা হতাশা দমনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং, মন ভালো রাখতে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় রাখুন সবুজ শাক।

ডার্ক চকোলেট

মন ফুরফুরে রাখতে চান, তবে ডার্ক চকলেটকে হ্যাঁ বলুন। কেননা, কোকো বিনে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, “ফ্লাভোনয়েড” আমাদের মেজাজ ভালো রাখতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, উচ্চ পরিমানে “ফ্লাভোনয়েড” গ্রহন করলে মেজাজ মর্জি ভালো থাকে।

গাজর এবং মিষ্টি আলু

গাজর এবং মিষ্টি আলুতে থাকা “ক্যারোটিনয়েডস” বিষণ্ণতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।রক্তে ক্যারোটিনয়েডসের মাত্রা কমে গেলে বিষণ্ণতার উপসর্গ গুলো বেড়ে যায়। তাই, হাসি, খুশী থাকতে গাজর আর মিষ্টি আলু খান।

কলা, আভোকাডো এবং কাজু বাদাম

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, দেহে “টাইরোসিন”নামক অ্যামিনো এসিডের অভাবের সাথে হতাশা বা বিষণ্ণতার সম্পর্ক রয়েছে। “টাইরোসিন” ডোপামিন নামক হরমোন তৈরী করে আর ডোপামিন হরমোন মস্তিকে ভালোলাগার অনুভূতি তৈরী করে।সুতরাং“টাইরোসিন” বাড়াতে হলে কলা,অ্যাভকাডো এবং কাজু বাদাম রাখুন খাদ্য তালিকায়।

ফারমেন্টেড খাবার

মানসিক স্বাস্থ্যের উপর অন্ত্রের ব্যাক্টেরিয়ার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কেননা,অন্ত্রের ব্যাক্টেরিয়া থেকেই নব্বই শতাংশের বেশী “ফিল গুড নিউরোট্রান্সমিটার কেমিক্যাল” সেরোটেনিন উৎপন্ন হয়। ফারমেন্টেড খাবার, অন্ত্রের ব্যাক্টেরিয়া বা প্রোবায়োটিকের উৎকৃষ্ট উৎস। দই, বাটার মিল্ক, চিজ, লাচ্ছি, মাঠা এই ফারমেন্টেড খাবারগুলো নিয়মিত গ্রহন করুন, গাট এবং মন দুটোই সুস্থ রাখুন।

মনে রাখবেন, আপনার ডায়েট আপনার শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। সঠিক খাদ্যভাস শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। তাই অস্বাস্থ্যকর খাদ্যভাস পরিহার করুন এবং মানসিক ভাবে সুস্থ থাকুন।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri