izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

রাঘব বোয়ালদের ছেড়ে দিয়ে দুর্বলদের দুর্নীতির অনুসন্ধান নিয়ে ব্যস্ত দুদক : হাইকোর্ট

ddk-High_Court.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৭ ফেব্রুয়ারি) :: ব্যাংকিং খাতে দুর্নীতিবাজ রাঘববোয়াল থাকা সত্ত্বেও স্কুল শিক্ষকদের দুর্নীতি অনুসন্ধান নিয়ে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করায় দুদকের কর্মকাণ্ডের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হচ্ছে। আর শিক্ষকদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দুদক?

কোচিং সেন্টার সংক্রান্ত নীতিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট আবেদনের শুনানিকালে বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। দুদকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

মামলার শুনানিকালে দুদকের আইনজীবীকে উদ্দেশ করে আদালত বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বড় বড় রাঘববোয়ালদের ধরে এনে ছেড়ে দিয়ে শুধুমাত্র (দুর্বলদের) স্কুলশিক্ষকদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দুদক। যেখানে ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়ে যাচ্ছে, সেখানে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা স্কুলে যাচ্ছেন কী যাচ্ছেন না তা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে তারা (দুদক)।

দুদক দুর্নীতিবাজ রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না উল্লেখ করে আদালত বলেন, ছোট দুর্নীতির আগে বড় বড় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। তবেই দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব হবে।

এর আগে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সরকারের পক্ষ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে ওই নোটিশ দেয় সরকার। পরে ওই নোটিশ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা-২০১২ নিয়ে শিক্ষকরা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

এরপর আদালত গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই চিঠির কার্যকারিতা চার মাসের জন্য স্থগিত করার পাশাপাশি রুল জারি করেন।

পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আপিল করার অনুমতি চেয়ে লিভ টু আপিল করে। পরে আপিল বিভাগ গত বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চেকে মামলার ওপর জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেন।

পরে আদালত এ রুল নিষ্পত্তির জন্য সাবেক দুই অ্যাটর্নি জেনারেল হাসান আরিফ ও ফিদা এম কামালকে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োগ দেয়।

এর দীর্ঘদিন পর চূড়ান্ত শুনানি শেষ করেন এবং রায় ঘোষণার পূর্বে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল কোচিং বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করতে চাইলে আদালত তাকে সে সুযোগ দেন।

এরপর গত ২৭ জানুয়ারি আদালত এ সংক্রান্ত সকল রিটের শুনানি শেষ করে আজ বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন। যার ধারাবাহিকতায় কোচিং বাণিজ্য বন্ধে করা সরকারের নীতিমালা বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট।

Share this post

PinIt
scroll to top