চকরিয়া উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোড়

Pic-Chakaria-09.02.2019-1.jpg

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া(৯ ফেব্রুয়ারি) :: আগামী ১৮ মার্চ অনুষ্টিতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কক্সবাজারের চকরিয়ায় আওয়ামীলীগ নেতাদের মাঝে চলছে অনেকটা স্নায়ু যুদ্ধ। প্রার্থীর পরিমান ডজন খানেক হলেও ইতোমধ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের একসভায় মাত্র তিনজনের নাম হাইকমান্ডে প্রেরণ করায় এ অবস্থা বিরাজ করছে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষনা মতে আগামী ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত একমাস যাবত মাঠে-ময়দানে চষে বেড়াচ্ছেন এক ডজন সিনিয়র আওয়ামীলীগ নেতা।

আসন্ন এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় টিকেট পেতে মরিয়া তারা। এ জন্য দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সব প্রার্থীদের মাঝে তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

উপজেলা চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে চকরিয়া থেকে কেন্দ্রে নাম পাঠানো তিনজন হলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি জেলা পরিষদের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী।

এছাড়া নৌকা প্রতীক পেতে কেন্দ্রে যোগাযোগসহ নানাভাবে লবিং করছেন কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুর রশিদ দুলাল, আওয়ামীলীগ নেতা নুরে হাবিব তসলিম।

এদিকে মুঠোফোনে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী বলেন, দলীয় পদে থাকায় নেতকর্মীদের সুখে-দুঃখে সবসময় কাছে ছিলাম। পাশাপাশি পুরো উপজেলায় সাধ্যমত সাধারণ মানুষকে সহায়তার চেষ্টা করেছি।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে তিনবার নির্বাচিত হয়ে বৈষম্যহীন জনসেবা ও উন্নয়ন করেছি। আশাকরি সবদিক বিবেচনা করে দলীয় মনোনয়ন পাব আমি।

গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী আরো বলেন, ইতিমধ্যে উপজেলার বেশীরভাগ ইউনিয়ন-ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এবং পৌরসভার মেয়র ও ১৬জন চেয়ারম্যান আমাকে মনোনয়ন দেয়ার দাবী জানিয়ে আওয়ামীলীগের হাই কমান্ডের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন।

চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু বলেন, আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আমি সবসময় রাজপথে ছিলাম। পৌরসভার কাউন্সিলর ও জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছি। এছাড়া জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার দেশ সেবায় তারুণ্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাই আমার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা অত্যধিক।

অপরদিকে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, আমি একজন ক্রীড়াসংগঠক, শ্রমিক নেতা ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে আমার পরিচিতি রয়েছে। উপজেলার আওয়ামীলীগের বৈঠকে তিনজনের নাম প্রস্তাব করা হলেও আমি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাফর আলমের সভাপতিত্বে চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সমন্বয় সভায় একক প্রার্থীর নাম নির্ধারণ করা যায়নি। ফলে পাঠানো হয় তিনজনের নাম। ওই তিনজন গিয়াস-লিটু-সাঈদী নাকি লবিংয়ে থাকা অন্য কেউ নৌকা পাচ্ছেন তা নিয়ে পুরো উপজেলা জুড়ে চলছে সরব আলোচনা।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri