izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

অ্যাভাটার সিক্যুয়াল শুটিং শুরু

avatar-2009.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৯ ফেব্রুয়ারি) ::  অ্যালিটা: ব্যাটল অ্যাঞ্জেল ছবির প্রযোজক ও পরিচালক জেমস ক্যামেরনের দীর্ঘদিনের সহযোগী জন ল্যানডাও মুখ খুললেন চলচ্চিত্র সংবাদমাধ্যম কোলাইডারের কাছে, বিষয় অ্যাভাটার। জানালেন অ্যাভাটার সিক্যুয়াল যথাসময়ে থিয়েটারে আনার জন্য তিনি ও ক্যামেরন অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছেন। এখন শিগগিরই প্রথম দুই সিক্যুয়ালের লাইভ অ্যাকশন অংশের শুটিং শুরু হচ্ছে।

‘অ্যাভাটার-২ এবং তিন, চারের মূল ক্যাপচার পর্ব শেষ, এখন লাইভ অ্যাকশন অংশের শুটিং শুরু করব। এ অংশের শুটিং হবে নিউজিল্যান্ডে, এ বছরেই।’

ল্যানডাও বলেন, ‘খলচরিত্রে এবার জেনারেল হয়ে আসছেন এডি ফ্যালকো। মজার ব্যাপার হলো ক্যামেরনের এ শক্তিশালী নারী চরিত্রটি অনায়াসেই একজন পুরুষ চরিত্র হতে পারত। পাণ্ডুলিপি পড়লে এ কথা যে কারো মনে হবে।’

প্রযোজকের কথা অনুয়াযী, ক্যামেরন ক্যামেরা চালু করার অনেক আগেই আসলে অ্যাভাটারের সিক্যুয়ালের কাজ শুরু হয়। ছবির শুটিং শুরু করার আগে ক্যামেরন চেয়েছেন শুটিংয়ের শক্ত ভিত্তি তৈরি করে নিতে। ‘আমরা অপেক্ষা করেছি। প্রডাকশনে নামার আগে আমরা পাণ্ডুলিপির সবটা শেষ করে আনতে চেয়েছি। চরিত্রগুলো কোনদিকে যাচ্ছে, আমাদের বোঝা দরকার ছিল। শুধু আমরাই না, যারা অভিনয় করবেন, তাদেরও এটা বোঝার ব্যাপার ছিল। কারণ দুই থেকে তিনটা ছবিতে তারা অভিনয় করবেন।

চারে গিয়ে তাদের চরিত্র কী দাঁড়াবে, সেটা বোঝার ব্যাপার আছে। তারা নিজেদের চরিত্র ঠিকঠাক না বুঝলে ভালো কাজ হবে না। চরিত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষার ব্যাপার জড়িত এর সঙ্গে, তাই আমরা চেয়েছি পুরো চার পর্বের স্ক্রিপ্ট তৈরি হলে পরেই কাজে নামব।’

তার মতে, অভিনয়ের ব্যাপারটা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, নানা কিছু জড়িত এর সঙ্গে। ল্যানডাও বলছেন, এবারে অভিনয় শিল্পীদের শারীরিক দিকটা খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বেশকিছু চরিত্র জলবাসী গোত্র থেকে আসা। ‘আমরা বিশাল এক পানির ট্যাংকি বানিয়েছি, ৫০০ হাজার গ্যালন পানি ধারণ ক্ষমতার। পানির নিচে ও উপরের অভিনয় দৃশ্য এখানে ধারণ করা হবে।

আমরা দীর্ঘক্ষণ পানির নিচে দম ধরে রাখার প্রশিক্ষণ দিচ্ছি অভিনয় শিল্পীদের, কারণ কিছু দৃশ্যে তাদের দীর্ঘ সাঁতারের ব্যাপার আছে, স্কুবা ব্যবহারের উপায় নেই, কাজেই লম্বা সময় সাঁতরানোয় দম থাকা জরুরি। কার্ক ক্র্যাক নামের এক ভদ্রলোককে আমরা নিয়োগ দিয়েছি শুধু এর প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য, পানির নিচেও কীভাবে দীর্ঘক্ষণ দম ধরে রাখা যায় তা শেখাচ্ছেন তিনি।’

‘যেমন কেট উইন্সলেট প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তিনি এখন ৭ মিনিট পর্যন্ত দম ধরে রাখতে পারেন। এটা বিস্ময়কর এবং এখন পানির তলায় স্বচ্ছন্দ, অবিশ্বাস্য ঠেকবে। আমি স্বচক্ষে ট্যাংকে তাকে প্রায় লেফট-রাইট কায়দায় পানির নিচে হাঁটতে দেখেছি। আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারিনি!’

সূত্র: এম্পায়ার

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri