izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

মহেশখালীতে পাইপলাইনের (এসপিএম) প্রকল্প : ২২ কোটি টাকা লোপাটের উত্থাপিত অভিযোগের প্রমাণ মিলেনি

Pipe-Line-mk.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক(১১ ফেব্রুয়ারী) :: সমুদ্রের জাহাজ থেকে মহেশখালী দিয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি ইআরএল (ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড) পর্যন্ত জ্বালানি তেল সরবরাহে নেওয়া হয়েছে সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং টার্মিনাল (এসপিএম) প্রকল্প। ডাবল পাইপলাইনসহ এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে চার হাজার ৯৩৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এসপিএম টার্মিনাল নির্মাণের পর লাইটারেজ অপারেশনের মাধ্যমে ত্রুক্রড তেল ও ফিনিশড পেট্রোলিয়াম প্রডাক্ট আমদানির ক্ষেত্রে সিস্টেম লস কমানো যাবে এবং দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা যাবে। আবার আমদানি করা ত্রুক্রড তেল এবং ফিনিশড প্রডাক্ট সহজে, নিরাপদে, অপেক্ষাকৃত কম খরচে ও স্বল্প সময়ে খালাস করা যাবে।

সম্প্রতি এই সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) পাইপ লাইনের জন্য স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণের বিষয়ে মহেশখালীর পান বরজ নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগের কোনো প্রমাণ মিলেনি। বরং অভিযোগকারীরাই স্বীকার করেছেন, ‘কথিত ২২ কোটি টাকা লোপাটের উত্থাপিত অভিযোগ সত্য নয়।’

সোমবার কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত পান চাষী ও পান বরজের জমির মালিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত শুনানিতেই অভিযোগকারীরা তাদের অভিযোগের বিষয়টির সত্যতা নেই বলে স্বীকার করেন। অভিযোগকারীরা জানান- ভূমি অধিগ্রহণের ২০ ও ২২ ধারা নোটিশ প্রাপ্তি নিয়েই তারা এর আগে এমন অভিযোগ করেছিলেন।

অভিযোগকারী আমান উল্লাহ বলেন, মহেশখালীর কালারমাছড়া ও ঝাপুয়া মৌজার ৫টি খতিয়ানের আওতাধীন ১৭টি দাগের পান বরজ যোগ্য জমিতে ২২ কোটি টাকা লোপাটের যে অভিযোগ তারা এনেছিলেন তা ছিল ভুল। তিনি বলেন, এলাকার লোকজনের পক্ষে জেলা ও উপজেলা সদরে তিনি প্রশাসনসহ নানা মহলে তথ্যাদি বলার জন্য যোগাযোগ করে আসছেন।

আমান উল্লাহসহ ৫২ ব্যক্তি মিলে স্থানীয় ১২ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলা হয়েছিল পান চাষযোগ্য জমির অবকাঠামোগত ২২ কোটি টাকা লোপাটের ঘটনা ঘটেছে। অনুষ্ঠানে মেম্বার শরিফসহ আরো অনেকেই বক্তৃতা করেন। এ সময় একজন বলেন, যে, সোনার পাড়ার আলী আহমদ নামের একজন নিরীহ পান চাষী তার ক্ষতিপূরণের ৬ লাখ টাকার মধ্যে একই এলাকার মৌলভী নুরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি কৌশলে সাড়ে ৫ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নিয়েছেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আফসারুল আফসারের এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (পর্যটন) এস,এম সরওয়ার কামাল, ভ’মি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা (এলএও) রেজাউল করিম, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমদ সিআইপি, কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক তোফায়েল আহমদ ও মহেশখালীর কালামারছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জানান, অভিযোগকারীরা জেলা প্রশাসকের নিকট প্রদত্ত অভিযোগনামায় উল্লেখ করেছেন, দু’টি মৌজার ৫টি খতিয়ান ও ১৭টি দাগের জমির অবকাঠামো বাবদ এ পর্যন্ত ৯৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করা হয়েছে। এর পরই অভিযোগকারীরা তাদের ভুল বুঝতে পেরে প্রদত্ত অভিযোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে অভিযোগকারীদের বক্তব্য শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, প্রথমে সমস্যাদি নিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমানের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা সহকারে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তাতে সমাধান না হলে ভূমি অধিগ্রহণ শাখা পর্যায়ে গিয়ে চেষ্টা করতে হবে। অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেন, সরকারের চাহিদা মাফিক মহেশখালী দ্বীপের মানুষ তাদের বাড়ি-ভিটার জমি পর্যন্ত অকাতরে দিয়ে দিচ্ছে। এ জন্য দ্বীপের বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানাতেই হয়।

প্রসঙ্গত, মহেশখালী দ্বীপের কালারমারছড়া ইউনিয়নের সোনারপাড়া ও চিকনীপাড়ার পান চাষীরা সম্প্রতি কথিত লোপাটের অভিযোগে এক মানবন্ধন কর্মসূচি শেষে জেলা প্রশাসককে লিখিত অভিযোগনামা দাখিল করেছিলেন। উক্ত অভিযোগের তদন্ত করার জন্য শুনানির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। শুনানিতে এরকম অভিযোগের প্রমাণ না মিলায় অভিযোগকারীরাই বুঝতে পারেন যে, তারা কারো উস্কানিতে পা দিয়েছিলেন অথবা কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের শিকার হয়েছিলেন।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri