চকরিয়ায় ১৫টি ইউপিতে ভুমি অফিস নির্মাণ শুরু হচ্ছে : অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

Pic-Chakaria-13.02.2019.jpg

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া(১৩ ফেব্রুয়ারী) :: সারাদেশে শহর ও ইউনিয়ন ভুমি অফিস নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের চকরিয়ায় ১৫টি ভুমি অফিস নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে চলতি অর্থ বছরেই। পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন ভুমি অফিসগুলোর নির্মাণ শেষ হবে ২০২৩ সালে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বেহাত হওয়া সরকারী জমি উদ্ধারও করা হচ্ছে।

চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) খোন্দকার ইখতিয়ার উদ্দিন মো.আরাফাত বলেন, সারাদেশে শহর ও ইউনিয়ন ভুমি অফিস নির্মাণ হলেও চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের এ অফিস নির্মাণ শুরু হবে চলতি অর্থ বছরের শেষ দিকে। একটি পৌরসভা ও ১৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চকরিয়ার ১৫টি ইউনিয়নে ভুমি অফিস নেই। পৌরসভা, লক্ষ্যারচর, হারবাং ও পূর্ব বড় ভেওলায় চারটি ভুমি অফিস রয়েছে মাত্র।

অপর ১৫টি ইউনিয়নে ইউনিয়ন ভুমি অফিস নির্মাণ করার লক্ষ্যে ২০১৭ সালের ২ এপ্রিল তৎকালিন এসিল্যান্ড দিদারুল আলম ও ইউএনও মো.সাহেদুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৫টি ভুমি অফিস নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ইতিমধ্যে খুটাখালী ইউনিয়নে মাটি পরীক্ষা করে জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই ইউনিয়নে ভুমি অফিস নির্মাণের মাধ্যমে শুরু হবে চকরিয়ায় ১৫টি ভুমি অফিস নির্মাণ কাজ।

এসিল্যান্ড আরো বলেন, প্রতিটি ভুমি অফিস নির্মাণ করতে ব্যয় হবে ১ কোটি টাকা। এই ভুমি অফিস নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে একদিকে জনবল নিয়ে সংকটে ভুগতে হবেনা, অপরদিকে ব্যক্তি কর প্রদানসহ জমির নানা ধরনের কাগজ সৃজন করতে গিয়ে জনগণকে হয়রানীর শিকার হতে হবেনা।

এদিকে, চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়ন ভুমি অফিস নির্মাণ করতে নির্ধারন করা সরকারী ৩৮ শতক জমি স্থানীয় প্রভাবশালীরা জবরদখল করে বেচাকেনা করেছে। ওই জমি ক্রয়ের পর প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা না মেনে রাতারাতি বাউন্ডারি ওয়ালসহ অস্থায়ী বসতঘর নির্মাণ করে।

সাথে স্থায়ী পাঁকা ঘর নির্মাণের উদ্দ্যেগ নেয়। ফলে, উপজেলা সরকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার ইখতিয়ার উদ্দিন মো.আরাফাত ও চকরিয়া থানার এসআই অপু বড়–য়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে ওইসব স্থাপনা উচ্ছেদ করে টাঙ্গানো হয় সতর্ককীকরণ বিজ্ঞপ্তী।

Share this post

PinIt
scroll to top