buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

কক্সবাজার-টেকনাফকে ইয়াবামুক্ত করতে সবার সহযেগিতা চাই-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : ১০২ ইয়াবা কারবারির আত্মসমর্পণ

tt-7-1.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(১৬ ফেব্রুয়ারি) :: কক্সবাজারের টেকনাফে এক অনুষ্ঠানে ১০২ ইয়াবা কারবারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠানে আত্মসমর্পণ করেন তারা।এসময় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে সাড়ে ৩ লাখ পিচ ইয়াবা,৩০টি আগেনয়াস্ত্র ও ৭০ টি কার্তুজ জমা দেয়া হয়। এ সময় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ ছাড়া আইজিপি ড. মো. জাবেদ পাটোয়ারী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে- চট্টগ্রাম রেন্ঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম-বার, পিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন এন্ড ক্রাইম) মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, কক্সবাজার জেলার চারটি আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম, আলহাজ্ব আশেকউল্লাহ রফিক, আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল, শাহীন আক্তার চৌধুরী, বিজিবি’র রিজিওনাল চীফ, ব্যাটালিয়ন চীফ, জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মুুজিবুর রহমান রহমানসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন, উখিয়া-টেকনাফসহ ১৯৩টি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা বাংলাদেশে ঢুকছে। মিয়ানমারকে ইয়াবা চোরাচালান বন্ধ করতে অনেকবার বলেছি। তারা বলে কিন্তু বাস্তবে কিছুই করে না। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ছি সীমান্তকে আমরা কঠোরভাবে সুরক্ষা করব। একইসঙ্গে টেকনাফসহ কক্সবাজারকে ইয়াবামুক্ত করতে সবার সহযেগিতা চান তিনি।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,ইয়াবা এখন পুরো দেশকে গ্রাস করেছে। তাই আমরা দেশের উন্নয়ন তরান্বিত করতে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষষণা করেছি। সেই সাথে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করতে সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। আর যারা আজ আত্মসমর্পণ করেনি তাদের ব্যাপারে তথ্য নেয়া হচ্ছে। তাদের সবাইকে অবশ্যই ধরা দিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ পেলেই আমাদের জানান, আইজিপিকে জানান। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য হলেও জড়িত থাকলে কঠোরভাবে দমন করা হবে। আমাদের ইসলাম ধর্মে মাদকের বিষয়ে কঠোর নিষেধ আছে। আসুন আমরা ধর্মকে হৃদয়ে ধারণ করে ইয়াবাকে বর্জন করি।

এ সময় মাদক কারবারিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা বিকল্প কর্মসংস্থান করতে সরকারের সহায়তা চাইলে তাও করা হবে। তবুও আপনার এ পথ থেকে ফিরে আসেন।

নাফ নদীতে মাছ ধরার নৌকাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নৌকাগুলো মাছ ধরতে যায় আর আসার সময় ইয়াবা নিয়ে আসে। এসব বিষয় নিয়ে আমরা বসব।

এদিন আত্বসমপর্ণরী অনেকের নাম রয়েছে ৭৩ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর তালিকায়।এমপি বদির ৩ ভাই, ভাগিনা, ফুফাতো ভাইসহ ৭ জন আত্মসমর্পণ করেছেন। এছাড়া কক্সবাজারের ইয়াবা ডন ও ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণকারী শাহজাহান আনসারীও আত্মসমর্পন করেছেন।আরো যারা  আত্মসমর্পন করেছেন তারা হলেন- টেকনাফের পশ্চিম লেদা এলাকার মৃত হাজী আবুল কাশেমের ছেলে নুরুল হুদা মেম্বার (৩৮), নাজিরপাড়া গ্রামের মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে এনামুল হক ওরফে এনাম মেম্বার (২৪), বেইগ্না পাড়া এলাকার মৃত মাস্টার ছৈয়দ আহম্মদ ছেলে মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে দানু মেম্বার (৩৭), গোদার বিল এলাকার আলী আহম্মদ ছেলে আব্দুর রহমান (৩২) ও জিয়াউর রহমান (২৭), পশ্চিম লেদা এলাকার হাজী আবুল কাশেমের ছেলে নুরুল কবির (৩৫), হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত হাজী খায়রুল বশরের ছেলে ছৈয়দ আহম্মদ ওরফে ছৈয়তু (৫৬), নাজিরপাড়ার হাজী মো. ইসলামের ছেলে আব্দুর রহমান (৩০), টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরী পাড়ার মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম প্রকাশ শফিক (২৯), নাজিরপাড়ার হাজী কালামিয়ার ছেলে সৈয়দ হোসেন (৫৫), নাইটং পাড়ার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মো. ইউনুছ (৪৮), পুরাতন পল্লান পাড়ার মৃত হাজী নুরুল ইসলামের ছেলে শাহ আলম (৩৫), আলীর ডেইলর হাজী খুইল্লা মিয়ার ছেলে জাফর আলম (৪৩), জাহাজপুরার মৃত হাজী আব্দুস শুক্কুরের ছেলে নুরুল আলম (২৬), হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত হাজী খায়রুল বশরের ছেলে রশিদ আহম্মদ ওরফে রশিদ খুলু (৫৪), হ্নীলা ফুলের ডেইল এলাকার মৃত ছৈয়দুল আমিনের ছেলে রুস্তুম আলী (৩৫), জুমপাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে শফি উল্লাহ (৩৮), মনতোলিয়া পাড়ার মোহাম্মদ ইসলামের ছৈয়দ আলম (৪০), উত্তর লম্বরীর মৃত মিয়া হোসেনের ছেলে আবদুল করিম মাঝি (৪০), রাজারছড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (২৪), জাহেলিয়া পাড়ার শামছু মিয়ার ছেলে মো. সিরাজ (২৮), কচুবনিয়ার আবদুল খালেকের ছেলে আ. হামিদ (৩৫), নাজিরপাড়া মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মো. রফিক (৩২), নতুন পল্লানপাড়ার মো. সালামের ছেলে মো. সেলিম (৩২), নাইট্যংপাড়ার আমিন শরীফের ছেলে মো. রহিমুল্লাহ (২৯), নাজিরপাড়ার নুরুল আলমের মো. হেলাল (৩২),

চৌধুরী পাড়া গ্রামের মৃত মোজাহার মিয়ার ছেলে মো. আলম (৪৫), হ্নীলা পূর্ব পানখালী এলাকার মৃত আবুল হাসানের ছেলে নজরুল ইসলাম (৫২), তুলাতলী গ্রামের হাজী মোজাফফর আহম্মদের ছেলে নুরুল বশর ওরফে কালা ভাই (৪০), হাতিয়ার ঘোনার মো. ছিদ্দিকের ছেলে দিল মোহাম্মদ (৩৪), হাতিয়ার ঘোনা, করাচিপাড়ার আবদুল হাকিমের ছেলে মো. হাছন (৩২), মুন্ডার ডেইল গ্রামের মো. আব্দুর রহমানের ছেলে মো. সাহেদ রহমান নিপু (৩৩), শিলবুনিয়া পাড়ার হায়দার আলীর ছেলে কামরুল হাসান রাসেল (৩৫), ওলিয়াবাদ এলাকার মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে আমিনুর রহমান ওরফে আব্দুল আমিন (৪১), একই গ্রামের মৃত ইব্র্রাহিম খলিলের ছেলে মারুফ বিন খলিল ওরফে বাবু (৩০), আলীর ডেইলের মৃত নজির আহম্মদের ছেলে সাহেদ কামাল (৩২), দক্ষিণ নয়াপাড়ার সোনা আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ (৪২), সদর কচুবুনিয়া এলাকার হাকিম আলীর ছেলে বদিউর রহমান (৪৭), চৌধুরী পাড়ার মৃত এজাহার মিয়া ছেলে ফয়সাল রহমান (২৯), চৌধুরী পাড়ার মৃত অংছেন ছার ছেলে মং সং থেইন ওরফে মমচি (৪৮), কুলাম পাড়া এলাকার মো. ইউনুচ নুরুল বশরের ছেলে নুরশাদ কাউন্সিলর (৩১), দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার হাজী ওসমান গণির ছেলে জুবাইর হোসেন (৩০), পূর্ব লেদার মৃত লাল মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (২৮),

আলী খালী এলাকার মৃত হায়দার আলীর ছেলে মো. জামাল মেম্বার (৫২), উত্তর লেঙ্গুর বিল এলাকার জাফর আহম্মদ চেয়ারম্যানের ছেলে দিদার মিয়া (৩৫), মধ্যম জালিয়া পাড়ার আ. গফফারের ছেলে মোজাম্মেল হক (২৮), মৌলভীপাড়ার ফজল আহম্মদের ছেলে একরাম হোসেন (২৫), ডেইল পাড়ার মো. আলীর ছেলে আব্দুল আমিন (৩৪), উত্তর পাড়া, ৮নং ওয়ার্ড, শাহ পরীর দ্বীপ এলাকার মৃত এবাদুল হকের ছেলে রেজাউল করিম মেম্বার (৩৪), উত্তর আলী খালী এলাকার জামাল মেম্বারের ছেলে শাহ আজম (২৮), দক্ষিণ নয়াপাড়ার মৃত মো. আব্দুল্লাহর ছেলে আলমগীর ফয়সাল ওরফে লিটন (৩০), মধ্যম ডেইলপাড়া হাজী মো. শরীফ মো. আব্দুল্লাহ (৩৬), উত্তর শীলখালী এলাকার সোনালী মেম্বারের ছেলে মো. আবু ছৈয়দ (২৫), জাদিমুরা এলাকার আবুল মঞ্জুরের ছেলে মো. হাসান আব্দুল্লাহ (৩৪), উত্তর শীলখালীর সোনালী মেম্বারের ছেলে মো. আবু ছৈয়দ (২৫), জাদিমুরা গামের আবুল মঞ্জুরের ছেলে মো. হাসান আব্দুল্লাহ (৩৪), ঝিনাপাড়ার মৃত মো. কাসেমের ছেলে আলী আহম্মদ (৩৫), মন্ডার ডেইল গ্রামের কবির আহম্মদের ছেলে মো. সাকের মিয়া ওরফে সাকের মাঝি (২৮), রাজার ছড়া এলাকার মো. কাশেমের ছেলে হোসেন আলী (২৭), দক্ষিণ নয়াপাড়ার মু. মৌলভী আলী হোসেনের ছেলে মো. তৈয়ব (৪৬), উত্তর জায়িলাপাড়ার মৃত সৈয়দ নুরের ছেলে নুরুল বশর মিজি (৫৫), নাজিরপাড়ার মৃত কালা মিয়ার ছেলে জামাল হোছাইন (৫৩), মৌলভী পাড়ার মৃত হাজী কালা মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী (৩৭), মৌলভী পাড়ার মৃত নুরুল হকের ছেলে আ. গনি (৩৩), উত্তর জালিয়াপাড়ার মৃত হাছান আলীর ছেলে মো. হাশেম ওরফে আংকু (৩৮)।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে এসব মাদক কারবারিরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে ইয়াবা তুলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন । এ সময় মাদক কারবারিরা ইয়াবা ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার অঙ্গীকার করেন সিরাজ ও এনাম। অনুষ্ঠান শেষে আত্মসমর্পনকারীদের কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হবে।আর উদ্ধার করা ইয়াবা ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। পরে মিডিয়াকর্মীসহ সবার উপস্থিতিতে তা ধ্বংস করা হবে বলে জানা গেছে।

জেলা পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,শনিবার সকালে কক্সবাজার পুলিশের হেফাজতে থাকা শতাধিক ইয়াবা কারবারিদেরকে কড়া পাহাড়ার মধ্যে দিয়ে বাসযোগে অনুষ্ঠানস্থলে আনা হয়।

গত বছরের ডিসেম্বর থেকে মাদক নির্মূলে ইয়াবা কারবারিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা ও পুনর্বাসনে সরকার উদ্যোগ নেবে এমন ইঙ্গিত আসে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে। এরপর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Cox,s Bazar, Teknaf……

Posted by Ekattor on Friday, February 15, 2019

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri