চকরিয়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে যুবকের ২ বছর সাজা

Adalot-V-jail.jpg

মুকুল কান্তি দাশ,চকরিয়া(২৫ ফেব্রুয়ারী) :: উচ্চতর আদালতের আদেশ অমান্য করে চকরিয়ার খুটাখালীতে বালু বাণিজ্য অব্যাহত রাখায় রাশেদুল ইসলাম মিন্টু নামের এক যুবককে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

সোমবার বিকেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার ইখতিয়ার উদ্দিন মো.আরাফাতের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। ওইসময় বালু বহণের নিয়োজিত ৬টি ট্রাক জব্দ করে মুচলেখা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এসিল্যান্ড খোন্দকার ইখতিয়ার উদ্দিন মো.আরাফাত বলেন, ১৪২৩ বাংলা সনে সরকারের কাছ থেকে খুটাখালী ছড়াখালের বালু মহাল ৮০ লাখ টাকার বিনিময়ে একসনা ইজারা নিয়ে বালু বিক্রয় করে মিন্টু। পরে অপর একটি পক্ষ ওই খাল থেকে বালু উত্তোলন করলে খাল ও আবাদি জমির ভাঙ্গনসহ পরিবেশের ক্ষতি হবে জানিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন।

এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত বালু মহাল ইজারা না দিতে নির্দেশনা জারি করেন। ওই নির্দেশনার একটি কপি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়। ফলে, বন্ধ থাকে বালু মহাল ইজারা।

তিনি আরো বলেন, ইজারা বন্ধ থাকলেও রাশেদুল ইসলাম মিন্টু মেশিন বসিয়ে ও শ্রমিক দিয়ে বালু ১৪২৪ ও চলতি ২০২৫ বাংলা সনেও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে খালসহ আবাদি জমি ভেঙ্গে পড়ার পাশাপাশি বালুর বিপরীতে সরকার বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়। এখবর পেয়ে সোমবার বিকেলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু বাণিজ্যের হোতা রাশেদুল ইসলাম মিন্টুকে আটক ও ৬টি ট্রাক জব্দ করা হয়। ট্রাকগুলো মুচলেখা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় এবং মিন্টুকে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন।

অভিযানকালে সাথে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক কামরুল হাসান রাজিবের নেতৃত্বে বেশ ক’জন পরিবেশ কর্মী ও চকরিয়া থানার এসআই মাজহারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ।

Share this post

PinIt
scroll to top
bahis siteleri