buy Instagram followers
kayseri escort samsun escort afyon escort manisa escort mersin escort denizli escort kibris escort rize escort sinop escort usak escort trabzon escort

আগুনের ঝুঁকিতে কক্সবাজার সৈকতের ঝাউবাগান

bech-pollution-pic-1.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৮ ফেব্রুয়ারী) :: কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের লাগোয়া আবাসিক হোটেলের ময়লা আবর্জনার স্তুপ করা আগুনে পুড়ানো হচ্ছে সৈকতের বালিয়াড়িতে আর ঝাউবাগানে। আর এ আগুনের লেলিহান শিখায় ধ্বংস হওয়ার হুমকিতে পড়েছে কক্সবাজার সৈকতের নয়নাভিরাম ঝাউবাগান ।

জানা যায়,বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ও স্বাস্থ্যকর স্থান পর্যটকদের প্রধান ভেন্যু লাবণী বীচ পয়েন্ট ও সুগন্ধা সী-ইন বীচ পয়েন্টের দুইটি স্থানে শ্বেত বালিয়াড়ির উপর কয়েকটি আবাসিক হোটেল প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনার স্তুপ করে। আর এসব ময়লা আবর্জনা সৈকতের বালিয়াড়ি ও ঝাউবাগানে পোড়ানো হয়। ময়লা আবর্জনা পোড়ানোর কালো ধোয়ায় সৈকতের নির্মল বাতাস যেমন দুষিত হচ্ছে তেমনি মারাত্বক আগুনের ঝুঁকিতে পড়েছে সৈকতের বিস্তৃর্ণ ঝাউবাগান।

সরেজমিন দেখা যায়,কক্সবাজার সৈকতের নাজিরার টেক, সমিতি পাড়া,বড়ছরা ও রেজু খাল সংলগ্ন সৈকতের ঝাউবাগানে সহস্রাধিক বসতি গড়ে উঠেছে। এসব বসতিতে হাজার হাজার মানুষ বাস করে। আর তাদের প্রতিদিনের রান্নার আগুনে ধ্বংস হওয়ার হুমকিতে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী এ ঝাউবাগান। এছাড়া সৈকতে সী ইন ও সীগাল পয়েন্টে দেখা যায়,কয়েকটি তারকা হোটেল ও আশপাশের দোকানের ময়লা আবর্জনা স্তুপ করা হয়েছে। এছাড়াও সৈকতের প্রায় অর্ধ কিলোমিটার জুড়ে ময়লা আবর্জনাও এখানে স্তুপ করা হয়। আর প্রতিদিনই এ আবর্জনা জড়ো করে পোড়ানো হয়।

সৈকতের এক ব্যবসায়ি জানান প্রতিদিন হোটেল ও দোকানগুলো বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা জড়ো করছে আর পোড়াচ্ছে। এতে করে যে কোন সময় ঝাউবাগানে আগুন লাগার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এ আগুন একবার বাগানে ছড়িয়ে পড়লে তা নেভানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তাই জেলা প্রশাসনের বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি যদি এ ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ না নেয় তাহলে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুক্ষিণ হতে হবে।

কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটক ইরফান ও তার বন্ধুরা জানান, নিরিবিলি ও নির্মল পরিবেশে বেড়ানো জন্য কক্সবাজারে এসেছি। কিন্তু সৈকত সংলগ্ন ঝাউবাগান এবং রাস্তার পাশে সর্বত্র ময়লা স্তুপ পড়ে রয়েছে। এছাড়া ময়লা আর্বজনা পোড়ানো আগুনের ধোঁয়ার কারনে নি:শ্বাস নেয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।তিনি আরও জানালেন ময়লা আর্বজনা পোড়ানো আগুনের ঝাউবাগানে লাগলে আর তা ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের প্রাণহানিরও শংকা রয়েছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক জানান,কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের লাগোয়া আবাসিক হোটেল ও দোকানের ময়লা আবর্জনা ঝাউবাগানেই স্তুপ করা হচ্ছে। কিন্তু সৈকতের এসব ময়লা আবর্জনা কোথায় স্তুপ করা হবে বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির কোন পরিকল্পনা না থাকায় ঝাউবাগানেই ময়লা স্তুপ করা হচ্ছে এবং ওই স্থানেই পুড়িয়ে দোং হচ্ছে। এতে করে ঝাউবাগানে পরিবেশ দুষনের পাশাপাশি আগুন লাগার ঝুঁকিতে রয়েছে। বড় কোন দুর্গটনার আগে তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক কামরুল হাসান জানান, সৈকতের ঝাউবাগানে ময়লা আবর্জনা স্তুপ ও পরে এসব ময়লা পোড়ানোর বিষয়টি জানা নেই। তবে এটা যদি হয় তাতে ঝাউবাগানে আগুন লাগার পাশাপাশি সৈকতের আশে পাশের এলাকার পরিবেশ দুষিত হবে।দ্রুত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান তিনি ।

Share this post

PinIt
izmir escort bursa escort Escort Bayan
scroll to top
en English Version bn Bangla Version
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri