izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে লিভারপুল-বার্সেলোনা : বায়ার্নের বিদায়

lb.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৪ মার্চ) :: জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে পৌঁছে গেল লিভারপুল৷ দুই লেগ মিলিয়ে গতবারের রানার্সরা জিতল ১-৩ ব্যবধানে৷ প্রথম লেগে গোলশূন্য ড্র’য়ে ম্যাচ শেষ হয়েছিল৷ বৃহস্পতিবার অ্যাওয়ে ম্যাচে লিভারপুল জিতল ৩-১ ব্যবধানে৷

ম্যাচের চারটি গোলই এল লিভারপুলের ফুটবলারদের পা থেকে৷ ঘরের মাঠে প্রথমার্ধের ২৬ মিনিটেই পিছিয়ে পরে বায়ার্ন৷ সুইপার কিপার ম্যানুয়েল নয়্যার গোল বাঁচাতে বক্সের ভিতর ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে এলে, তাঁকে বোকা বানিয়ে বল জালে ঠেলে দেন সাদিও মানে৷ ১-০ এগিয়ে যায় লিভারপুল৷

এরপর ৩৯ মিনিটে রক্ষণের জটলা থেকে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে ঠেলে দেন জোয়েল মাটিপ৷ লিভারপুলের এই আত্মঘাতী গোলেই ম্যাচে সমতায় ফেরে বায়ার্ন৷

১-১ অবস্থায় সাজঘর থেকে ফিরে দ্বিতীয়ার্ধে এরপর পুরোটাই লিভারপুল শো৷ বায়ার্নের জালে দু’বার বল জড়িয়ে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টারের টিকিট পাকা করে নেয় রেডসরা৷ ৬৯ মিনিটে এবার জেমস মিলনারের কর্ণার থেকে পাওয়া বলে লাফিয়ে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন ভার্জিল ভ্যান ডিক। নির্ধারিত সময়ের ৬ মিনিট আগে(৮৪মি) বায়ার্ন মিউনিখের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেন সাদিও মানে৷ ডি- বক্সের সামনের থেকে মিশরীয় সালাহ’র মাপা সেন্টারে মাথা ঠেকিয়ে লিভারপুলকে ৩-১ এগিয়ে দেন মানে৷  ম্যাচে  সেনেগাল ফুটবলারের এটি দ্বিতীয় গোল৷

বার্সাকে টানা ১২বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে তুললেন মেসি

রূপকথার লড়াই ফিরিয়ে দিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো জুভেন্তাসকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে নিয়ে গিয়েছেন আগের দিন৷ অতটা কঠিন পরিস্থিতি থেকে না হলেও ছিটকে যাওয়ার ভ্রূকুটি সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামা বার্সেলোনাকে ছন্দবদ্ধ ফুটবলে দাপুটে জয় এনে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে তুললেন লিওনেল মেসি৷

যদিও তুরিনে রোনাল্ডো কার্যত একার কাঁধে টেনে নিয়ে যান ওল্ড লেডিদের৷ মেসি এক্ষেত্রে কাতালান ক্লাবকে পরের রাউন্ডে তুলে নিয়ে যেতে পাশে পেলেন কুটিনহো, পিকে, দেম্বেলেদের৷ অলিম্পিক লিয়ঁর ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করে আসা বার্সেলোনা ন্যু ক্যাম্পে ফরাসি দলটিকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দেয় এবং রেকর্ড ১২ বার একটানা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটের দরজা খুলে ফেলে৷

বার্সার হয়ে জোড়া গোল করেন মেসি৷ একটি করে গোল করেছেন কুটিনহো, পিকে ও দেম্বেলে৷ লিয়ঁর হয়ে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল শোধ করেন টুসার্ট৷

মাঠে নামার আগে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে অবশ্য এগিয়ে ছিল বার্সেলোনাই৷ এর আগে লিয়ঁর বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের তিনটি হোম ম্যাচেই জয় তুলে নিয়েছিল বার্সা৷ গোল করেছিল ১০টি৷ তাদের গোল হজম করতে হয় মাত্র ২টি৷ এই ম্যাচের পর জয়ের সংখ্যাটা গিয়ে চারে দাঁড়াল৷ গোল সংখ্যা এক লফে গিয়ে গাঁড়ায় পনেরোয়৷অবশ্য গোল হজম করতে হয় সাকুল্যে তিনটি৷

ম্যাচের ১৬ মিনিটের মাথায় দেনায়ের নিজেদের বক্সে স্লাইড করে সুয়ারেজকে ফাউল করেন এবং রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন৷ ১৭ মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করে মেসি ১-০ এগিয়ে দেন বার্সেলোনাকে৷ ৩১ মিনিটে সুয়ারেজে পাস থেকে গোল করে বার্সার ব্যবধান ২-০ করেন কুটিনহো৷ প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়ে কাতালান ক্লাবের অনুকূলে ২-০ গোলে৷

হাফটাইমের পরে গোল ব্যবধান কমান টুসার্ট৷ ম্যাচের স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-১৷ ৭৮ মিনিটে সার্জিও বাসকোয়েটসের পাস থেকে গোল করে ব্যবধান পুনরায় বাড়িয়ে ৩-১ করেন মেসি৷ ৮১ মিনিটে পিকেকে গোলের পাস বাড়াল এলএস টেন এবং পিকো গোল করে স্কোরলাইন ৪-১ করেন৷ এক মরশুমে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত গোলের নিরিখে পিকে ছুঁয়ে ফেলেন নিজের অতীতের রেকর্ড৷ ২০১৪-১৫ মুশুমে মোট ৭টি গোল করেছিলেন তিনি৷ এবার লা লিগায় ৪টি, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দু’টি ও সুপার কাপে একটি গোল আসা পিকের পা থেকে৷

View image on Twitter
ম্যাচের ৮৬ মিনিটে মেসি গোলের বল বাড়িয়ে দেন দেম্বেলেকে৷ লিয়ঁর জালে বল জড়িয়ে দেম্বেলে বার্সার হয়ে পাঁচ গোলের বৃত্ত পূর্ণ করেন৷ ম্যাচের চূড়ান্ত স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-১৷ দু’টি গোল করে এবং দু’টি অ্যাসিস্ট করে ম্যাচের সেরা হন মেসি৷

Share this post

PinIt
scroll to top