izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

মাসুদ আজহারকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্তিতে চীনা বাধা : পণ্য বর্জনের ডাক ভারতে

china-masud.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১৪ মার্চ) :: পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্তি করার প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়ায় পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সংশ্লিষ্ট এক মার্কিন কূটনীতিকের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উন্মুক্ত বিতর্ক সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। নিরাপত্তা পরিষদের বাকি সদস্যরা সেখানে চীনকে প্রকাশ্যে তার সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিতে আহ্বান জানাতে পারেন, যাতে চীনের অবস্থান বিশ্বজুড়ে সমালোচিত হয়।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের পুলওয়ামা নামক স্থানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় প্রাণ হারায় দেশটির আধা-সামরিক বাহিনীর অন্তত ৪০ জন সদস্য। এর দায় স্বীকার করে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ। এরপর ভারত পাকিস্তানকে যথাসম্ভব আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দেয়। বালাকোটে বিমান হামলার পাশাপাশি দেশটি অব্যাহত রাখে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা। তার ধারাবাহিকতায় বুধবার (১৩ মার্চ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত হয় প্রস্তাবটি।

গত বুধবার (১৩ মার্চ) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মাসুদ আজহারকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। ‘১২৬৭ আল কায়েদা স্যাংকশান কমিটির’ অধীনে আজহারকে ‘বৈশ্বিক সন্ত্রাসী’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করার জন্য সদস্যদের সম্মতি চাওয়া হয়েছিল। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের সবার সমর্থন না পেলে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয় না। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্সের সমর্থনে উত্থাপিত প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেয়নি চীন। দেশটি উল্লেখ করেছে, উত্থাপিত প্রস্তাবটি গভীর মনোযোগের সঙ্গে বিশ্লেষণের জন্য আরও সময় প্রয়োজন।

চীন প্রস্তাবটির পক্ষে সমর্থন না দেওয়ার কথা জানানোর কয়েক ঘণ্টা পরে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট একজন কূটনীতিক মন্তব্য করেছেন, বেইজিংয়ের ‘উচিত নয় পাকিস্তান বা অন্য কোনও দেশের সন্ত্রাসীদের সুরক্ষা দেওয়া,’ যদি তারা আসলেই জঙ্গিবাদের দমন চায়।

চীনের বর্তমান অবস্থানের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কূটনীতিকরা ‘বিকল্প পদক্ষেপ’ গ্রহণের কথা ভাবছেন। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কূটনীতিক জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিষদের ‘উন্মুক্ত বিতর্কে’ নিজের অবস্থানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে চীনের প্রতি আহ্বান জানবেন তারা। যেহেতু এটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়, সেহেতু বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচিত হবে মাসুদ আজহারের বিষয়ে চীনের ভূমিকা।

উল্লেখ্য, গত দশ বছরের মধ্যে চতুর্থবারের মতো জাতিসংঘে মাসুদ আজহারকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব আনার পর চীনের বিরোধিতায় তা আটকে গেছে। মুম্বাই হামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ২০০৯ সালে মাসুদ আজহারকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব দেয় ভারত। ২০১৬ সালে পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে হামলার পর আবারও জাতিসংঘের ১২৬৭ নিষেধাজ্ঞা কমিটিতে তিন স্থায়ী সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে তাকে নিষিদ্ধ করবার প্রস্তাব দেয় ভারত। ২০১৭ সালেও তিন স্থায়ী সদস্য দেশ আবারও একই ধরনের প্রস্তাব আনে। প্রতিবারই নিষেধাজ্ঞা কমিটিতে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে ভারতের প্রস্তাব আটকে দেয় চীন।

চীনা পণ্য বর্জনের ডাক ভারতে

ভারতে জঙ্গি হামলার দায়ে জাতিসংঘে জইশ-ই-মুহাম্মদের নেতা মাসুদ আজহারকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসী ঘোষণার প্রস্তাব চীন ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে আটকে দেওয়ায় চীনা পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছেন ভারতীয় টুইটার ব্যবহারকারীরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এখবর জানিয়েছে।

পুলওয়ামায় নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর জঙ্গি হামলার জেরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করে কাশ্মিরের পাকিস্তান অংশে বিমান হামলা চালায় ভারতীয় বিমানবাহিনী। পরদিন দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে ভারতীয় এক পাইলটকে আটক করে পাকিস্তান। দুই দিন পর অভিনন্দন বর্তমান নামের ওই ভারতীয় পাইলটকে মুক্তি দেয় পাকিস্তান। এরপর দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনা কিছুটা থিতু হয়ে আসে। পুলওয়ামা হামলার জন্য মাসুদ আজহারের জইশ-ই-মুহাম্মদকে দায়ী করে আসছে ভারত।

গত দশ বছরের মধ্যে চতুর্থবারের মতো জাতিসংঘে মাসুদ আজহারকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব আনার পর চীনের বিরোধিতায় তা আটকে গেছে। মুম্বাই হামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ২০০৯ সালে মাসুদ আজহারকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব দেয় ভারত। ২০১৬ সালে পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে হামলার পর আবারও জাতিসংঘের ১২৬৭ নিষেধাজ্ঞা কমিটিতে তিন স্থায়ী সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে তাকে নিষিদ্ধ করবার প্রস্তাব দেয় ভারত। ২০১৭ সালেও তিন স্থায়ী সদস্য দেশ আবারও একই ধরনের প্রস্তাব আনে। প্রতিবারই নিষেধাজ্ঞা কমিটিতে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে ভারতের প্রস্তাব আটকে দেয় চীন।

মাসুদ আজহারকে সন্ত্রাসী ঘোষণার প্রস্তাব চীন ভেটো দিয়ে আটকে দেওয়ায় ভারতীয় মধ্যে ক্ষোভ শুরু হয়েছে। এর জের ধরে সামাজিক মাধ্যম টুইটার ব্যবহারকারীরা #boycottChineseProducts হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে চীনা পণ্য বর্জনের আহ্বান জানাচ্ছেন।

ইয়োগা গুরু বাবা রামদেব ভারতে চীনা পণ্য নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। টুইটারে তিনি বলেন, মাসুদ আজহারের সমর্থক চীন ও দেশটির মানুষদের আমাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বর্জন করা উচিত। চীন শুধু একটি ভাষাই বুঝে তা হলো বাণিজ্য। আর্থিক বর্জন যুদ্ধের চেয়ে শক্তিশালী।

রামদেব ছাড়াও অনেক টুইটার ব্যবহারকারী একইভাবে চীনা পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছেন।

শ্রীকান্ত নামের এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন দেওয়ায় চীনা পণ্য বর্জন করুন। একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে আমি চীনা পণ্য আর কিনব না। আমার করণীয় আমি করতেছি। এবার তাদেরকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদিকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri