izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

পেকুয়ায় বলৎকারে রাজী না হওয়ায় ছাত্রকে জখম করল শিক্ষক

hamla-shadow.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(১৮ মার্চ) :: পেকুয়ায় বলৎকারে রাজী না হওয়ায় ছোট্র শিশু এক ছাত্রকে জখম করল শিক্ষক। আহত অবস্থায় ওই ছাত্রকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

১৮ মার্চ (সোমবার) সকাল ৮ টার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম বটতলীর জুমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। সংগত কারনে ওই শিক্ষার্থীর নাম গোপন রাখা হয়েছে। তবে জখমী ওই শিশুর বাড়ি জুমপাড়ায়। স্থানীয় মোহাম্মদীয়া তালিমুল কোরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

স্থানীয় সুত্র জানায়, হেফজপড়–য়া ওই ছাত্র এ মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করছিলেন। ঘটনার পূর্ব দিন রাতে ওই ছাত্রকে বলৎকারের চেষ্টা করছিলেন। এ সময় পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে শিক্ষার্থী রাতেই ওই মাদ্রাসা থেকে দ্রুত বাড়িতে এসে যায়।

১৮ মার্চ সকালে ওই ছাত্র মাদ্রাসায় পৌছে। এ সময় হঠাৎ তাকে এলোপাতাড়ি বেত্রাঘাত করে। তাকে নিয়ে ওই শিক্ষক নিষ্টুর আচরনে জড়িয়ে যায়। এক পর্যায়ে পিটিয়ে সর্বশরীরে ফুলা জখম করে। অসাবধানবশত বেত্রাঘাতে তার কপাল ফেটে যায়। এ সময় প্রচুর রক্তক্ষরন হয়।

শিশুর পিতা আহমদ হোসেন ও মাতা ফাতেমা বেগম জানায়, আমার ছেলেকে পাশবিক নির্যাতন চেষ্টা চালায়। হাসপাতালে ভর্তি করি। গায়ে প্রচন্ড জ্বর এসেছে। এক মাদ্রাসা শিক্ষক আমাদের শিশু ছেলেকে এ ভাবে জখম করে। আমরা ইউএনও ওসি স্যারকে লিখিত অভিযোগ দেব।

আবু মিকার ও গ্রাম্য চিকিৎসক আবদুল জলিল জানায়, এ মাদ্রাসায় এর আগেও এ রকম ঘটনা হয়েছে। পরিচালক এ সব দমন না করে ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে ভিক্ষা তুলে।

ইউপি সদস্য আবুল কাসেম জানায়, এ পরিস্থিতিতে মাদ্রাসাকে নিয়ে মানুষের ক্ষোভ জমেছে। বিষয়টি আমাকেও অবহিত করে। আবদু রহিম নামক ১০ বছর বয়সী ছাত্র মাদ্রাসার জন্য বাঁশখালীতে চাঁদা তুলতে গিয়েছিল। সেখানে ওই ছাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় দুটি দাঁত হারিয়েছে। আসলে এ ভাবে ছোট্র শিশুদের নিয়ে ভিক্ষা তোলা কোন অবস্থাতেই মাননসই নয়।

Share this post

PinIt
scroll to top