izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে শর্ত সাপেক্ষে গ্রীণকার্ড প্রদানের বিল : অবৈধ বাংলাদেশিদের মাঝে আশার সঞ্চার

us2-655x360.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(২৩ মার্চ) :: বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশিসহ ২৫ লক্ষাধিক অবৈধ অভিবাসীকে শর্ত সাপেক্ষে গ্রীণকার্ড প্রদানের একটি বিল ১২ মার্চ মঙ্গলবার উঠেছে কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে। ‘দ্য ড্রিম এ্যান্ড প্রমিজ এ্যাক্ট’ শিরোনামে এই বিলটি উপস্থাপন করেছেন ডেমক্র্যাটিক পার্টির ৩ কংগ্রেসওম্যান।

তারা হলেন নিউইয়র্কের নিদিয়া ভ্যালেস্কুয়েজ এবং ইয়েভেটি ডি ক্লার্ক ও ক্যালিফোর্নিয়ার লুসিলে রবেল-এলার্ড। বিলটি উত্থাপণ হওয়ার খবরে আশার সঞ্চার হয়েছে লাখ লাখ অবৈধ অভিবাসীর মাঝে। এর মধ্যে নিউইয়র্কে রয়েছে অধিকাংশ অবৈধ অভিবাসী। যারা বহুদিন ধরে বিতাড়ন বা গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছেন।

এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সুপ্রীম কোর্টের এটর্ণী মঈন চৌধুরী বলেন, বিলটি এখনও ‘প্রিম্যাচিউরড’। এখনও বলা যাচ্ছে না এটি পাশ হবে কি না। কংগ্রেসে এ বিল পাশ হলেও সিনেটে রিপাবলিকানরা এটিকে কিভাবে দেখবেন সেটির জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

বিলটি উত্থাপণের পর দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, এটি পাশ হলে শিশুকালে মা-বাবার সাথে বেআইনী পথে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর যারা বৈধতা পায়নি, যদিও আমেরিকার আলো-বাতাসেই তারা বড় হয়েছে এবং উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেছে তারাই বেশি উপকৃত হবেন। এমন ৩৬ লাখের অধিক তরুণ-তরুণীকে ড্রিমার বলা হয়। সেই ড্রিমারদের বহিষ্কারের নির্দেশ প্রত্যাহার করেছিলেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসে সেই প্রটেকশন অর্ডার উঠিয়ে নেয়ার বিশেষ আদেশ জারি করেন। সেই আদেশ বহাল হবার আগেই উচ্চতর আদালতের স্থগিতাদেশ জারি হলেও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকন্ঠার অবসান ঘটেনি।

উত্থাপিত বিলে আরো ৩ লক্ষাধিক অভিবাসী রয়েছেন সেন্ট্রাল আমেরিকা, আফ্রিকা এবং দক্ষিণ এশিয়ার নেপাল থেকে আসা। এসব দেশে দাঙ্গা-হাঙ্গামা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই লোকগুলো নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বেআইনীপথে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছেন কিন্তু বৈধতা পাননি। তাদেরকে নিজ নিজ দেশে ফেরৎ পাঠালে অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে নিপতিত হবেন আশংকায় প্রেসিডেন্ট ওবামা টিপিএস প্রোগ্রাম ঘোষণা করেন। সেটিও উঠিয়ে নেয়ার নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন ট্রাম্প। সেই আদেশও ঠেকানো হয়েছে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে।

এই বিল সম্পর্কে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সী পেলসী বলেছেন, ডেমক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায় প্রতিনিধি পরিষদে তা পাশ হলেও রিপাবলিকান শাসিত সিনেটে পাশ হবার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে আমরা চাচ্ছি এর সমর্থনে ব্যাপক জনমত গড়তে, যার ঢেউ লাগবে সামনের বছরের জাতীয় নির্বাচনে।

কংগ্রেসের উভয় কক্ষ ডেমক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে এলে অবৈধ অভিবাসীদের দুশ্চিস্তার অবসানের পথ সুগম হবে বলে মনে করছেন ডেমক্র্যাটরা। এর বাইরেও লক্ষাধিক বাংলাদেশিসহ প্রায় সোয়া কোটি বিদেশী রয়েছেন অবৈধ অভিবাসী হিসেবে। এর মধ্যে যারা কোন অপরাধে লিপ্ত নেই এবং যারা নিয়মিতভাবে কাজ করছেন ও ট্যাক্স দিচ্ছেন, তাদেরকে গ্রীণকার্ড প্রদানের বিল এর আগে ডেমক্র্যাট শাসিত প্রতিনিধি পরিষদে পাশ হলেও রিপাবলিকানদের সমর্থন পায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে করা অনিবন্ধিত তরুণ অভিবাসীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত কর্মসূচি ২০১৭ সালে বাতিল করে ট্রাম্প প্রশাসন। ’ডাকা’ বা ‘ড্রিমার’ নামে পরিচিত এই প্রকল্প বাতিল করার নির্বাচনী অঙ্গীকারও ছিল ট্রাম্পের।

প্রেসিডেন্ট ওবামার চালু করা এই প্রকল্পের আওতায় সুরক্ষা পেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে আসা প্রায় আট লাখ অনিবন্ধিত তরুণ অভিবাসী। যাদের বেশিরভাগই এসেছিল ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলো থেকে। আইনের ফাঁক গলে আসা তরুণদের বিতারণের হাত থেকে রেহাই দিয়ে সে দেশে বসবাস, পড়াশোনা ও ভবিষ্যত কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছিল ওবামা প্রশাসন। এরাই ‘ড্রিমার’ নামে পরিচিত।

গত মঙ্গলবার উত্থাপিত বিল প্রসঙ্গে এটর্ণী মঈন চৌধুরী বলেন, তবে বিলটির একটি ইতিবাচ দিক রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দেয়াল নির্মাণ প্রকল্পের বিষয়ে যখন সমঝোতার কথা ভাবা হবে তখন বিলটি ভূমিকা রাখতে পারে।

Share this post

PinIt
scroll to top