izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দুদকে তলব

CoxB-Medical-College-furniture-correption-ddk.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(২৪ মার্চ) :: স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরখাস্ত হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেনের দুর্নীতিতে সহযোগিতার অভিযোগে কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১৪ জনকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ১, ২ ও ৩ এপ্রিল তাদের সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

রবিবার (২৪ মার্চ) দুদকের উপ-পরিচালক সামছুল আলম এই নোটিশ পাঠান।

১ এপ্রিল যাদের তলব করা হয়েছে তারা হলেন, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মো. রেজাউল করিম, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মায়েনুল, মেডিসিন বিভাগের সহযাগী অধ্যাপক ডা. মো. ফরহাদ হোসেন, সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মাজেদ ও হেপাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আবুল বারকাত মুহাম্মদ আদনান।

২ এপ্রিল যে চারজনকে তলব করা হয়েছে তারা হলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন এবং লাইন ডিরেক্টর, প্রি-সার্ভিস এডুকেশনের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রশিদ, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আলম, সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শহিদুল হক ও এনাটমি বিভাগের প্রভাষক ডা. মো. আশরাফুল ইসলাম।

৩ এপ্রিল যাদের তলব করা হয়েছে তারা হলেন, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র সাহা, প্যাথলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুহা. কামরুল হাসান, স্টোরকিপার মো. আবু জায়েদ ও হিসাবরক্ষক হুররমা আকতার খুকী।

প্রসঙ্গত, দুর্নীতর অনুসন্ধানে নেমে গত ১০ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজালকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। এর আগে ৬ জানুয়ারি আবজাল ও তার স্ত্রী রুবিনা খামনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২১ জানুয়ারি আবজাল ও রুবিনার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক এবং ব্যাংক হিসাবের লেনদেন জব্দ করার আদেশ দেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত।

১৮ মার্চ আবজাল ও তার স্ত্রীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে দুদক।

আবজাল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ, কাজ না করে বিল তুলে নেওয়ার মতো অনিয়মের মধ্য দিয়ে দেশে-বিদেশের বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তারা।

Share this post

PinIt
scroll to top