izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

পেকুয়ায় টমটম চালকের স্ত্রীর রহস্যজনক নিখোঁজ

pic-nikuj-30-03-19.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(৩০ মার্চ) :: পেকুয়ায় টমটম চালকের স্ত্রীর হদিস নেই দু’ দিন ধরে। মাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে। গত ৩৬ ঘন্টায় ওই গৃহবধূর খোঁজ নেই।

২৯ মার্চ (শুক্রবার) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বটতলীয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ মহিলার নাম নাজমা বেগম (২৬)। তিনি ওই এলাকার টমটম চালক মো: হোসেনের স্ত্রী।

স্থানীয় সুত্র জানায়, ওই দিন বেলা ১১ টার দিকে নাজমা বেগম স্বামীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে। সদর ইউনিয়নের বাইম্যাখালী হযরত লস্কর শাহ মাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। নাজমার স্বামী টমটম চালক।

ছয় মাস বয়সের শিশু পুত্র নুরুল মোস্তফাকে নিয়ে সকাল ১১ টার দিকে বাড়ি থেকে বের হন নাজমা। অপর দিকে স্বামী মো: হোসেন প্রতিদিনের মত সকালে টমটম নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। দুপুরে বাড়িতে খাবার খেতে গিয়েছিলেন। এ সময় সন্তাদের মাকে খোঁজছিলেন স্বামী।

বড় ছেলে নাজমুল হোসেন তার পিতাকে জানায়, তার মা মাজারে গেছে। রাত ১০ টার দিকে টমটম চালক বাড়িতে যায়। ওই সময় পর্যন্ত স্ত্রী বাড়িতে পৌছেননি। এতে তার সন্দেহের অবতারনা হয়।

নাজমা বেগম ৩ সন্তানের জননী। প্রথম ছেলে নাজমুল হোসেনের বয়স ৮ বছর, দ্বিতীয় শ্রেনীতে পড়ে, দ্বিতীয় সন্তান শাহানা বেগম (০৬), ১ম শ্রেনীতে পড়ে ও নুরুল মোস্তফা নামক অপর সন্তানের বয়স ৬ মাস।

সুত্র জানায়, ১০ বছর আগে মোহাম্মদ হোসেন ও নাজমা বেগমের বিবাহ হয়। ওই মহিলার পিতার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তার পিতার নাম মৃৃত সমর আলী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। নাজমা ও মো: হোসেন ঢাকায় একটি পোশাক শিল্পে কাজ করতেন। সেখানে পরিচয়, অত:পর প্রেম ও বিবাহ হয়।

টমটম চালক মোহাম্মদ হোসেন জানায়, আমি টমটম চালাই। সকালে বের হয় দুপুরে খাবার খেতে বাড়িতে যায়। রাতে প্রতিদিন বাড়ি ফিরি। নাজমা মাজারে যাওয়ার কথা বলে সকালে বের হয়েছে। রাতে বাড়িতে গিয়ে দেখি নাজমা বাড়িতে ফিরেনি।

ওই দিন স্বর্র্ণ, নগদ টাকা, কাপড় চোপড় ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে উধাও হয়েছে। দাম্পত্য জীবনে আমরা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ ও কলহ নেই। সুখের সংসার আমাদের। আমি অনেক জায়গায় খোঁজেছি। কিন্তু তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

Share this post

PinIt
scroll to top
bedava bahis bahis siteleri
bahis siteleri