রামুতে চলছে নির্বাচন পরিবর্তী অস্থিরতা !

ramu-party-suporter-coxbangla.jpg

হাসান তারেক মুকিম,রামু(১ এপ্রিল) :: রামুতে উপজেলা নির্বাচন পরিবর্তী অস্থিরতায় স্থানীয় জনসাধারন ও সচেতন মহলের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

গত ৩০ মার্চ চৌমুহনী চত্ত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় ১৯ মিনিটের পুরো বক্তব্য জুড়ে হতাশা,দূর্বলতা ও চরম ঈর্ষার বিষয়টিও যেমনি জনসম্মুখে প্রকাশ পেয়েছে তেননি মনগড়া ও বেফাঁস বক্তব্যের কারনে জনগনের কাছে ব্যক্তিত্বের পরিধির বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে।

বক্তারা কোনভাবে কাজলের বিজয় মেনে নিতে পারছে না বলে এ বিজয়কে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে বিভ্রান্তিকর ও অপরিপক্ক বক্তব্য প্রদান করে যাচ্ছে। যা অনেকটা সরকারের সুষ্টু নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মত।

বক্তব্যে তারা রামু উপজেলা নির্বাচনে এলাকা ছাড়া না করলে রিয়াজ আরো দশ হাজার ভোট বেশি পেত। আর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হত রিয়াজ। কাজল চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করেছে। এ নির্বাচন বৈধ নয় তাই রিয়াজই আমাদের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে থাকবেন। আগামী পাঁচ বছর তার নেতৃত্বেই সমস্ত উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হবে। আমাদের সমস্ত মিটিংয়ে রিয়াজই উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে বক্তৃতা দিবে।

বক্তৃতার মাঝামাঝি সময়ে কাজলকে উপজেলা চেয়ারম্যান সম্বোধন করে বলেন আপনি উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছেন কি হয়েছে? আপনার পনের ভাগ উপরে। আপনাকে রামুতে থাকতে দিব না, সমস্ত উপজেলা বন্ধ করে দেয়া হবে, কোথাও কোন দস্তগত হবে না।

অনেকটা উত্তেজিত কন্ঠে বলেন তোরা কারা কারা চেয়ারম্যানের মিটিং মিছিলে ছিলি আর যারা ভোট দিয়েছস এখন ফুলের মালা দিচ্ছস তাদেরকে আমি ছবিতে দেখছি, তোরা সরে যা, তা না হলে ভূ-চাল হবে। আমার সাথে কক্সবাজারের মানুষ ঠেলাঠেলি দিয়ে পারে নাই ,ঈদগাঁর মানুষও পারে নাই তেমনি রামুর মানুষও পারবেনা।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের উদ্ধৃতি দিয়ে কাজল চেয়ারম্যানকেও রামু থেকে বিতাড়িত করবে বলে বার বার হুশিয়ারি উচ্চারন করে।

স্থানীয় যুবক জানান, ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাদ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ ঘোষনা করেছেন। যার সুফল হিসাবে ইতিমধ্যে ১ম থেকে ৪র্থ দফা উপজেলা নির্বাচন অত্যন্ত নিরপেক্ষ, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে সমাপ্ত হয়েছে। নির্বাচনে প্রশাসনের ভুমিকা ছিল চোখে দেখার মত। কিন্তু একজনের অপরিপক্ক ও বেফাঁস এ বক্তব্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামিল।

উপজেলা আওয়ামীলীগের এক নেতা জানান, প্রতিনিয়ত সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করে ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে একটি মহল। সংখ্যালঘুরা কারো পৈত্রিক সম্পত্তি বা নিদ্রিষ্ট কারো আজ্ঞাবহ নয়। রামুর সংখ্যালঘুরা অনেক সচেতন। সংখ্যালঘুর দোহায় দিয়ে কাউকে অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না।

এব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগের দায়িত্বশীল নেতা জানান, কাজলের এ বিজয় এগার ইউনিয়ন ও নিরান্নই ওয়ার্ড় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের ফসল। নব নির্বাচিত একজন উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে একজন এরকম মনগড়া ও হাস্যকর বক্তব্য কোনভাবে আমার বোধগম্য নয়।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri