izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

হৃদরোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকর মাছের তেল

oil-hilsa-1.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৩১ মার্চ) :: স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনেকে চর্বিযুক্ত মাংস এড়িয়ে চলেন। একই কারণে মাছের চর্বি খেতেও আপত্তি অনেকের। কিন্তু মাংসের মতো মাছের চর্বি বা তেলও কি খারাপ?

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, প্রত্যেক মানুষের উচিত, তাদের খাদ্যতালিকায় সপ্তাহে অন্তত দু’দিন তেলযুক্ত মাছ বা মাছের তেল খাওয়া। কেননা, তেলযুক্ত মাছে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে। আর মাংসের চর্বির মতো এটা ক্ষতিকরও নয়।

মাছের তেল বা চর্বিতে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের চমৎকার উৎস, যেটা চর্বির ক্ষতিকর উপাদানমুক্ত। এতে আছে ডিএইচএ। এটি রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, নির্বিঘ্নে রক্ত সরবরাহ করে এবং রক্তের ক্ষতিকর চর্বিকে রক্তনালিতে জমতে বাধার সৃষ্টি করে।

নিয়মিত তেলযুক্ত মাছ খেলে হৃদরোগের আশঙ্কা এক-তৃতীয়াংশ কমে আসে। ফলে হৃদরোগ প্রতিরোধে এটি খুবই কার্যকর।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় প্রমাণিত, শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ, স্মৃতিশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ডিএইচএ চমৎকার ভূমিকা রাখতে পারে। যেসব মা নিয়মিত মাছ খান, তাদের বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুরা ডিএইচএ পর্যাপ্ত পরিমাণে পেতে পারে। ফলে ছয় থেকে দশ বছর বয়সী শিশুরা পর্যাপ্ত ওমেগা-৩ এবং ডিএইচএ গ্রহণ করলে পরবর্তী জীবনে শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ, স্মৃতিশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও মেধার পরিচয় দেয়।

ছোট-বড় উভয় মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা ক্যান্সার, দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ, আর্থ্রাইটিস রোধে সাহায্য করে, পাশাপাশি ত্বক ভালো রাখে।

মাছের তেলে রয়েছে এক ধরনের রাসায়নিক উপাদান, যা মানবদেহে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। ছোট কাঁটাযুক্ত মাছকে ক্যালসিয়ামের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস বলা হয়ে থাকে। এ ছাড়া মাছে আমিষ ও ওমেগা-৩ চর্বির পাশাপাশি রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ফসফরাস, যা দাঁত, পেশি ও হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সূত্র: হেলথলাইন

Share this post

PinIt
scroll to top