কক্সবাজারে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

dc-1.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক(২ এপ্রিল) :: “সহায়ক প্রযুক্তি ব্যবহার, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তির অধিকার” এ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে র‌্যালী ও আলোচনা সভা।

মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে র‌্যালিটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সার্কিট হাউজ রোডস্থ অরুনোদয় ছিন্নমূল ও অটিস্টিক শিশু বিদ্যালয় এবং প্রবীণ স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে এসে শেষ হয়।

র‌্যালী শেষে অটিজম সচেতনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন।

সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক প্রীতম কুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মাসুদুর রহমান মোল্লা,বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের মহাপরিচালক এম এম সিরাজুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন।

এ সময় পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা,সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মো: কামাল হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র সুযোগ্যা কন্যা ও স্কুল সাইকোলজিস্ট সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নিরলস প্রচেষ্টায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। এ অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যুতে অবদানের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃতিও পেয়েছেন তিনি।

বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে তাদের কল্যাণে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

জেলার সর্বত্র অটিজম বিষয়ে পিতা-মাতা, পরিবার-পরিজন ও সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে জেলা প্রশাসন। তাদের চিকিৎসা ও যথার্থ পরিচর্যার জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে কক্সবাজার জেলায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম বলেন, পরিবারে একটি অটিস্টিক সন্তানের চেয়ে মাদকাসক্ত সন্তান ভয়ানক বিপদ ডেকে আনে। তাই সন্তানরা যাতে মাদকের ছোবল থেকে দূরে থাকে সেদিকে পরিবারের কর্তাদের নজরদারী করতে হবে।

জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেন, আমাদের সকলকে অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে একযোগে কাজ করতে হবে। একদিন এদের মধ্যে থেকে বড় বড় জ্ঞানী মানুষের আবির্ভাব হতে পারে।

উপ-পরিচালক প্রীতম কুমার চৌধুরী বলেন, অটিজম বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

পরে অটিস্টিক শিশুদের মাঝে প্রতিবন্ধী সহায়ক উপকরণ ও ভাতা প্রদান বই বিতরণ করা হয়।

Share this post

PinIt
scroll to top
bahis siteleri