izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

২০১৮-১৯ অর্থবছরের নয় মাসে রফতানি আয় ৩ হাজার ৯০ কোটি ডলার

export-bd.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(৭ এপ্রিল) :: চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের নয়মাসে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। আলোচ্য সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৮৮২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে নয় মাসে পণ্য রফতানি হয়েছে ৩ হাজার ৯০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রফতানি বেড়েছে ২০৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ৭ দশমিক ২০ শতাংশ।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে সব ধরনের পণ্য রফতানিতে বৈদেশিক মুদ্রার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলার। এই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৮৮২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আর এ সময়ে রফতানি আয় হয়েছে ৩ হাজার ৯০ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭ দশমিক ২০ শতাংশ  বেশি। একই সঙ্গে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। যা গত অর্থবছরে প্রথম নয় মাসে ছিল ২ হাজার ৭৪৫ কোটি ১৭ লাখ ডলার।

সূত্র আরো জানায়, একক মাস হিসেবে গত মাসে অর্থাৎ চলতি বছরের মার্চে রফতানি আয় হয়েছে ৩৩৪ কোটি ডলার। লক্ষ্য ছিল ৩২৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এ হিসাবে এ মাসে আয় বেড়েছে ৭ কোটি ৭২ লাখ ডলার। গত বছরের মার্চে এ আয় হয়েছিল ৩০৫ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। এ হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। আর খাত হিসেবে চলতি অর্থবছরের (জুলাই-মার্চ) সময়ের নয় মাসে মোট রফতানি আয়ে পোশাকের অবদান ৮৩ শতাংশ। তবে হোমটেক্স, টেরিটাওয়েলসহ এ খাতের অন্যান্য রফতানির উপখাত হিসাব করলে তৈরি পোশাক খাতের অবদান ৮৮ শতাংশেরও বেশি।

এদিকে, তৈরি পোশাক খাতের রফতানি আয় হয়েছে ২ হাজার ৫৯৫ কোটি ১৪ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে পোশাক খাতে রফতানি আয় ছিল ২ হাজার ২৮৩ কোটি ৪৫ লাখ ডলার।

চলতি অর্থবছরের নয় মাসে বড় খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অর্থাৎ ৫৩ দশমিক শূণ্য ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয় কৃষিপণ্য রফতানিতে। এ খাতে আয় হয়েছে ৭২ কোটি ২৭ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৩৭ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি। প্লাস্টিক পণ্যে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ১৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এ খাতে আয় হয়েছে ৭ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৭ দশমিক ৮২ শতাংশ বেশি।

রফতানিকারকরা বলছেন, অর্থবছরের শুরুতেই রফতানি আয়ে ইতিবাচক ধারায় ছিল। যা গত নয়মাস অব্যাহত রয়েছে। এর কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তৈরি পোশাক খাতে রফতানিতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। এছাড়া রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে অন্যান্য খাতেরও আয় ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। তাই রফতানিতে বড় প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হচ্ছে। বছরের পরবর্তী মাসগুলোতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে। রফতানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলে অর্থবছর শেষে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Share this post

PinIt
scroll to top