কক্সবাজারে আত্মসমর্পণকারী ১০২ ইয়াবা কারবারি কারাগারে থাকলেও অধরা সম্পদের পাহাড় !

Yaba-surrender-2.jpg

কক্সবাংলা রিপোর্ট(৯ এপ্রিল) :: আত্মসমর্পণের পর কারাগারে রয়েছেন কক্সবাজারের ১০২ শীর্ষ ইয়াবা কারবারি; কিন্তু তারা বাইরে গোপন করে রেখে গেছেন সম্পদের পাহাড়। এরই মধ্যে তার সত্যতা পেয়েছেন গোয়েন্দারা। ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এই অবৈধ গোপন সম্পদের খোঁজে মাঠে নেমেছে বিভিন্ন সংস্থা।

প্রথম দফায় আত্মসমর্পণকারী এসব ইয়াবা কারবারির সম্পদ অনুসন্ধানে পুলিশের পক্ষ থেকে চারটি গোয়েন্দা সংস্থাকে চিঠি দিয়ে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শুরু হয়েছে মাদক ব্যবসায়ীদের দ্বিতীয় দফায় আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া। চলতি মাসের শেষের দিকে বা আগামী মাসের শুরুতে এ আত্মসমর্পণ পর্বের আনুষ্ঠানিকতা হতে পারে।

এরই মধ্যে পুলিশের বিশেষ শাখা অনুসন্ধান চালিয়ে গ্রেফতার ইয়াবা কারবারিদের গোপন সম্পদ-সংক্রান্ত তথ্য পেয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের পক্ষ থেকে সহায়তার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফাইন্যান্স ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও সিআইডির ইকোনমিক ক্রাইম ইউনিটে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও করেছে পুলিশ।

আত্মসমর্পণের শর্ত অনুযায়ী কারাগারে থাকা এসব মাদক ব্যবসায়ীকে আইনি সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নতুন করে কয়েকজন শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণের জন্য পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানায়, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারে ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করে। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। শর্ত অনুযায়ী তাদের সম্পদের অনুসন্ধান করা হয়েছে। সম্প্রতি কক্সবাজার জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে এসব মাদক ব্যবসায়ীর নামে ও বেনামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের খোঁজ নিয়ে সত্যতা মিলেছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে বিষয়টি পুলিশ সদর দপ্তরেও জানানো হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানান, তারা মাদক ব্যবসায়ীদের গোপন সম্পদের অনুসন্ধান চালাতে দুদক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিআইডির সংশ্নিষ্ট শাখায় চিঠি দিয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন। এরই মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী, তাদের পরিবার ও স্বজনদের সম্পদের অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, আত্মসমর্পণের সময় ১০২ মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দুটি করে মামলা হয়েছিল। শর্ত অনুযায়ী এসব মামলায় তাদের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। এ জন্য এসপি কার্যালয় থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, আত্মসমর্পণ করা মাদক ব্যবসায়ীরা এ ব্যবসা করে প্রচুর ধনসম্পদের মালিক হয়েছে। তাই স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি যাচাই করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারিতে আত্মসমর্পণ করা মাদক ব্যবসায়ীদের নামে-বেনামে অঢেল সম্পত্তি রয়েছে। কারও নিজের নামে বা পরিবারের নামে মার্কেট রয়েছে। কারও কক্সবাজার, টেকনাফ এমনকি ঢাকায়ও বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি রয়েছে। কারও জমি এবং ব্যাংকে নামে-বেনামে বড় অঙ্কের টাকা রয়েছে। এ জন্য মাদক ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি তাদের আত্মীয়-স্বজনের সম্পদেরও তথ্য যাচাই করতে গোয়েন্দারা মাঠে নামছেন। নিজেদের পেশা, আয়ের উৎস এবং জীবনমানের সঙ্গে এসব সম্পদের সঙ্গতি না থাকলে আইন অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত করা হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, আত্মসমর্পণ করা মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা থাকলে তা নিজেদেরই মোকাবেলা করতে হবে। শুধু আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ায় দায়ের মামলার ক্ষেত্রে সরকার আইনি সহায়তা দেবে। এ জন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সিদ্ধান্ত চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার পুলিশ জানায়, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আত্মসমর্পণকারী মাদক ব্যবসায়ীরা কারামুক্ত হলে প্রত্যেক এলাকায় তাদের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী কমিটি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। টেকনাফের পাঁচটি ইউনিয়ন ছাড়াও উপজেলা মিলে মোট ছয়টি মাদকবিরোধী কমিটি হবে। এসব কমিটিতে ২০ জন করে সদস্য থাকবেন।

দ্বিতীয় দফায় আত্মসমর্পণের প্রক্রিয়া :প্রথম দফায় আত্মসমর্পণের পর দ্বিতীয় দফার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এ পর্যায়ে কতজন ইয়াবা ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করবে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণের জন্য পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। অনেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। পুলিশও তালিকা ধরে বিভিন্ন মাধ্যমে আত্মগোপনে থাকা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণের জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছে।

দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, দ্বিতীয় দফায় আত্মসমর্পণ করবে- এ পর্যন্ত এমন পাঁচ থেকে ছয় মাদক ব্যবসায়ীকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রেজওয়ান ও নুরুল হক ভুট্টো নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীর নাম জানা গেছে। প্রথম দফায় ভুট্টোর ভাই একরাম হোসেন আত্মসমর্পণ করেছিল। টেকনাফের ইয়াবাপল্লী হিসেবে চিহ্নিত নাজিরাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ভুট্টোর পরিবারও অঢেল সম্পত্তির মালিক। স্থানীয় মৌলভীপাড়া এলাকায় তাদের নিজস্ব মার্কেট থাকার পাশাপাশি শহরে দুটি বিলাসবহুল বাড়িও রয়েছে।

প্রথম দফায় আত্মসমর্পণ না করে এখনও আত্মগোপনে থেকে ইয়াবা রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে জাফর আহমদ, মজিবুর রহমান, রোহিঙ্গা আলম, নির্মল ধর, আবদুল্লাহ, আবদুল হাকিম, সাইফুল, মোহাম্মদ জাফর, শাহজাহান, সাইফুল করিম, আজিজ, ইলিয়াছ, রফিক, রাশেদ মাহমুদ, নুর কামাল, আবুল হোসেন, হামিদ, মাহাবুব মোর্শেদ, এসকে আনোয়ার, হুমায়ুন, হেলালসহ অন্তত ৫০ ইয়াবা কারবারি। তারা সবাই সরকারের তৈরি বিভিন্ন তালিকাভুক্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ডিলার।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার বলেন, তারা মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতারে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছেন। কেউ যদি আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে, তাদের স্বাগত জানানো হবে। এ জন্য পুলিশের দরজা খোলা রয়েছে।

উল্লেখ্য গত ১৬ ফেব্রুয়ারী টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে আত্মসমর্পণ করেন ১০২ জন ইয়াবা কারবারি। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে ২৪ জন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা তালিকায় মাদক চোরাচালানের ‘গডফাদার’ হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন। এর মধ্যে ওই এলাকার সাবেক সাংসদ আব্দুর রহমান বদির চার ভাইসহ আটজন স্বজন রয়েছেন। অন্য চারজনের মধ্যে একজন তার ফুপাত ভাই, একজন খালাত ভাই, একজন ভাগনে ও একজন বেয়াই।

১০২ জনের মধ্যে বাকি আত্মসমর্পণকারীরা হচ্ছে, হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদার মৃত হাজী আবুল কাশেম’র পুত্র নুরুল হুদা মেম্বার (৩৮), টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর লেংগুরবিলের জাফর আহমদের পুত্র দিদার মিয়া (৩৫), টেকনাফ পৌরসভা ডেইল পাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর পুত্র আবদুল আমিন (৩৪), নুরুল আমিন (৩৭), টেকনাফ সদরের নাজির পাড়ার মৃত এজাহার মিয়ার পুত্র এনামুল হক ওরফে এনাম মেম্বার (২৪), মৌলভী পাড়ার ফজল আহম্মদের পুত্র একরাম হোসেন (২৫), নাজির পাড়ার হাজী কালা মিয়ার পুত্র সৈয়দ হোসেন (৫৫), দঃ কচুবনিয়া এলাকার হাজী সোলতান আহমদের পুত্র মৌলভী বশির আহমদ (৬৫), টেকনাফ সদরের পুরান পল্লান পাড়ার মৃত হাজী নুরুল ইসলামের পুত্র শাহ আলম (৩৫), নাজির পাড়ার হাজী মো. ইসলামের পুত্র আবদুর রহমান (৩০), পৌরসভার মাধ্যম জালিয়া পাড়ার আব্দুল গফ্‌ফারের পুত্র মোজাম্মেল হক, দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার হাজী ওসমান গণির পুত্র জুবাইর হোসেন (৩০), কুলাল পাড়ার মোঃ ইউনুছের পুত্র নুরুল বশর ওরফে নুরশাদ কাউন্সিলর (৩১), গোদার বিলের আলী আহমদ সাবেক চেয়ারম্যান’র পুত্র আবদুর রহমান (৩২), জিয়াউর রহমান জিহাদ (২৭), হ্নীলা বাজার পাড়ার মৃত হাজী আমীর সওদাগরের পুত্র মোঃ শাহ (৫৮), পশ্চিম লেদার হাজী আবুল কাসেমের পুত্র নুরুল কবির (৩৫), পৌরসভা অলিয়াবাদ এলাকার মৃত ইব্রাহীম খলিলের পুত্র মারুফ বিন খলিল ওরফে বাবু (৩০), নাইট্যং পাড়ার মৃত আবদুল খালেক’র পুত্র মোঃ ইউনুছ (৪৮), হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত হাজী খায়রুল বশরের পুত্র সৈয়দ হোসেন ওরফে ছৈয়দ (৫৬), আলী খালির মৃত হায়দার আলীর পুত্র মোঃ জামাল মেম্বার (৫২), জাদিমুড়ার আবুল মনসুরের পুত্র মোঃ হাসান আবদুল্লাহ (৩৪), শাহপরীর দ্বীপ উত্তর পাড়ার মৃত আবদুল হকের পুত্র রেজাউল করিম (রেজু) মেম্বার (৩৪), লেদা পূর্বপাড়ার জালাল আহাম্মেদ’র পুত্র মোঃ আবু তাহের (৪১), হ্ণীলা ফুলের ডেইলের আব্দুল জব্বারের পুত্র রমজান আলী (২৮), পূর্ব লেদার মৃত লাল মিয়ার পুত্র ফরিদ আলম (৪২), হ্নীলা পশ্ছিম সিকদার পাড়ার মৃত রশিদ আহম্মদের পত্র মাহবুব আলম (৩৬), নাজির পাড়ার নুরুল আলমের পুত্র মোঃ অফসার (২৪), নাইট্যং পাড়ার লাল মিয়া ওরফে লালু কসাই প্রকাশ অলি আহমেদ’র পুত্র মোঃ হাবিবুর রহমান ওরফে নুর হাবিব (২৪), সাবরাং পানছড়ি পাড়ার আলী আহমদ ওরফে আলুগুলার পুত্র শামসুল আলম ওরফে শামসু মেম্বার (৩২), পুরাতন পল্লান পাড়ার মোঃ আয়ুবের পুত্র মোঃ ইসমাইল ( ৩৪), মৌলভী পাড়ার নুরুল হকের পুত্র আবদুল গণি (৩৩), হাজী কালা মিয়ার পুত্র মোহ্ম্মদ আলী (৩৭), নাজির পাড়ার মৃত কালা মিয়ার পুত্র জামাল হোসেন (৫৩), সাবরাং কচুবনিয়ার আবদুল কালেকের পুত্র আবদুল হামিদ (৩৫), হ্নীলা পুর্ব পানখালীর মৃত আবুল হাসান ওরফে হাছান’র পুত্র নজরুল ইসলাম (৫২), হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত হাজী খায়রুল বশর ওরফে বশর’র পুত্র রশিদ আহমদ ওরফে লশিদ খুলু (৫৪), সাবরাং মুন্ডার ডেইল বেল্লাপাড়ার মাস্টার সৈয়দ আহমদের পুত্র মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে দানু মেম্বার (৩৭), লেংগুরবিল জাহাঁলিয়া পাড়ার শামসু মিয়ার পুত্র মো. সিরাজ (২৮), চৌধুরী পাড়ার মৃত মোজাহার মিয়ার পুত্র মো. আলম (৪৫), মধ্যম ডেইল পাড়ার হাজী মোঃ শরীফের পুত্র মো. আবদুল্লাহ (৩৬), রাজার ছড়ার মোঃ কাশেম’র পুত্র হোসেন আলী (২৭), দক্ষিণ নয়াপাড়ার মৃত মৌঃ আলী হোসেনের পুত্র মোঃ তৈয়ব (৪৬), উত্তর জালিয়া পাড়ার সৈয়দ নুর’র পুত্র নুরুল কবির মাঝি (৫৫), উত্তর আলী খালীর জামাল মেম্বারের পুত্র শাহ আজম (২৮), আলীর ডেইল’র হাজী খুইল্যা মিয়র পুত্র জাফর আহমদ ওরফে জাফর (৪৩), নাজির পাড়ার আবদুল গণি ওরফে গণির পুত্র জাফর আলম (৩৭), হ্নীলা ফুলের ডেইলের মৃত সৈয়দুল আমীনের পুত্র রুস্তম আলী ওরফে রুস্তম (৩৫), পশ্চিম লেদার নুর আহম্মদের পুত্র মোঃ হোছাইন (৩২), শাহপরীর দ্বীপ জালিয়া পাড়ার মৃত দুদু মিয়ার পুত্র নুরুল আলম (৩৬), পৌরসভার উত্তর জালিয়া পাড়ার মৃত হাছান আলীর পুত্র মোঃ হাশেম ওরফে আংকু (৩৮), শামলাপুর জুমপাড়ার মৃত আবুল কাসেমের পুত্র শফিউল্লাহ (৩৮), হ্নীলা ফুলের ডেইলের দিলদার আহমদের পুত্র আবু তৈয়ব (৩১), মৃত হোসেনের পুত্র আলী নেওয়াজ (৩১), পশ্চিম লেদার মোঃ আবদুল কাদেরের পুত্র মোঃ জহুর আলম (৩০), পূর্ব লেদার কামাল হোসেনের পুত্র মোঃ হুসাইন (৩৫), টেকনাফ বড় হাবিব পাড়ার মৃত আমির আলীর পুত্র মোঃ ছিদ্দিক (৩৪), লেদা পূর্ব পাড়ার মৃত লাল মিয়ার পুত্র রবিউল আলম (৩৬), সাবরাং মুন্ডার ডেইলের মোঃ হোসাইনের পুত্র মঞ্জুর আলী (৩৫) দক্ষিণ লেদার মৃত হামিদ আলীর পুত্র হামিদ হোসেন (৩৪), দক্ষিণ জালিয়া পাড়ার মোঃ রফিক’র পুত্র মোঃ আলম (৩৫), শিলবনিয়া পাড়ার মোঃ জমিলের পুত্র মোঃ আইয়ুব (৩৫), সাবরাং মুন্ডার ডেইলের মৃত ফজল আহম্মদের পুত্র মোঃ রাসেল (২৮), নুরুল আমিন (৩৫), পশ্চিম লেদার স্থায়ী বাসিন্দা, বর্তমান খুরুশকুল মাদরাসার পিছনের বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র বোরহান উদ্দীন (৩৪), মাঠপাড়ার আজিজুর রহমানের পুত্র কামাল হোসেন (২৬), দক্ষিণ জালিয়া পাড়ার ওসমান গণির পুত্র ইমান হোসেন (৩০), হ্নীলা আলী খালীর রশিদ মিয়ার পুত্র হারুন (২০), সাবরাং কাটবুনিয়ার আবদুল মাজেদের পুত্র শওকত আলম (৩০), সাবরাং চান্দলী পাড়ার মোক্তার আহমদের পুত্র হোছাইন আহম্মদ (২৫), পৌরসভা নাইট্যং পাড়ার আবদুর রশিদের পুত্র মোঃ আয়ুব (২৮), উত্তর শীল খালীর সোনা আলী মেম্বারের পুত্র মোঃ আবু ছৈয়দ (২৫), পৌরসভার নাইট্য পাড়ার আমীন শরিফের পুত্র মোঃ রহিম উল্লাহ (২৯), নাজির পাড়ার মৃত আবুল কাশিমের পুত্র মোঃ রফিক (৩২), নতুন পল্লান পাড়ার মোঃ সালামের পুত্র সেলিম (৩২), দক্ষিণ নয়াপাড়ার সোনা আলীর পুত্র নুর মোহাম্মদ (৪২), তুলাতলী’র হাজী মোজাফ্‌ফর আহমদের পুত্র নুরুল বশর ওরফে কালা ভাই (৪০), নাজির পাড়ার নুরুল আলম ওরফে আবদুল মোনাফের পুত্র মোঃ হেলাল (৩২), টেকনাফ কচুবনিয়া’র হাকিম আলীর পুত্র বদিউর রহমান ওরফে বদুরান (৪৭), উত্তর লম্বরীর মৃত মিয়া হোসেনের পুত্র আবদুল করিম ওরফে করিম মাঝি (৪০), শামলাপুর মনতেলিয়া জুম্মা পাড়ার মোহাম্মদ ইসলামের পুত্র সৈয়দ আলম (৪০), হাতিয়ার ঘোনা করাচি পাড়ার আবদুল হাকিমের পুত্র মোঃ হাছন (৩২), জাহাজপুরার পুর্ব পাড়ার মৃত হাজী আবদুল শুককুর ওরফে আবদুল সাকুর’র পুত্র নুরুল আলম (২৬), রাজার ছড়ার মোহাম্মদ আলীর পুত্র আবদুল কুদ্দুছ (২৪), হাতিয়ার ঘোনার মোঃ ছিদ্দিকের পুত্র দিল মোহাম্মদ (৩৪), ঝিনা পাড়ার মৃত মোঃ কাসেমের পুত্র আলী আহম্মেদ (৩৫), সাবরাং মুন্ডার ডেইলের কবির আহমদের পুত্র মোঃ সাকের মিয়া ওরফে সাকের মাঝি (২৮), দক্ষিন নয়াপাড়ার মৃত মোঃ আবদুল্লাহ’র পুত্র আলমগীর ফায়সাল লিটন (৩০), পুর্ব লেদার মৃত লাল মিয়ার পুত্র জাহাঙ্গীর আলম (২৮), নাজির পাড়ার মৃত নুরুল ইসলাম ওরফে বাইট্‌্রার পুত্র নুরুল আলম (৩৮০), শাহপরীর দ্বীপ জালিয়া পাড়ার মৃত আলকাসের পুত্র সামছুল আলম শামীম (৩৫), মিঠাপনির ছাড়ার হাজী নুরুল হকের পুত্র মোঃ ইউনুছ (২২), পশ্চিম পানখালীর মৃত অলি আহমদ প্রকাশ লাল মিয়ার পুত্র নুরুল আফসার প্রকাশ আফসার উদ্দীন (৪২), কক্সবাজার ঝিলংজা লারপাড়ার নুর মোহাম্মদ আনছারীরর পুত্র মোঃ শাহজাহান আনছারী।

Share this post

PinIt
scroll to top
error: কপি করা নিষেধ !!
bahis siteleri