izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫.৫৫%

bazar-rate.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(এপ্রিল) :: মার্চে দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতি পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় বেড়ে ৫ দশমিক ৫৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতির কারণেই মার্চে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

বিবিএসের তথ্যমতে, মার্চে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি গত মাসে কিছুটা কমেছে। এর পরিমাণ ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৫ দশমিক ৫১ শতাংশ।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এসব তথ্য প্রকাশ করেন। এ সময় বিবিএসের মহাপরিচালক কৃষ্ণা গায়েন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে টানা দুই মাস বৃদ্ধির পর মূল্যস্ফীতি ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা কমেছিল। তবে গত মাসে আবার তা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এ বিষয়ে কৃষ্ণা গায়েন বলেন, মূলত বাজারে সব শাক-সবজির দাম বেড়েছে। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি, কাঁচাবাজারের বেশকিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। শীতের সবজির উৎপাদন বেশ ভালো হলেও এখন কমতির দিকে। ফলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

বিবিএসের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মাছ, মাংস, শাক-সবজি, ভোজ্য তেল, ফলমূল ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যের দাম মার্চে বেড়েছে। পরিধেয় বস্ত্রাদি, বিদ্যুৎ, চিকিৎসাসেবা, পরিবহন, বিবিধ দ্রব্যাদি উপখাতেও মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। গ্রামাঞ্চলে গত মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৩৮ এবং খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ ছিল।

অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৫৮ শতাংশে নেমে আসে। আর শহরাঞ্চলে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৮৬ এবং খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ ছিল। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি শহরাঞ্চলেও আগের চেয়ে কমে ৬ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে আসে।

Share this post

PinIt
scroll to top