izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ

bd-usa.jpg

কক্সবাংলা ডটকম(১২ এপ্রিল) :: ২০১১ সালে ওবামা প্রশাসন ‘রিব্যালান্সিং টু এশিয়া’ ঘোষণা করে। এরপর ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি ভিশন ঘোষণা করে। যুক্তরাষ্ট্র,অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারতকে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার মনে করা হলেও ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যান্য দেশগুলিকেও এই ভিশনে সামিল দেখতে চায় ওয়াশিংটন।

বাংলাদেশের সঙ্গে এই ভিশন নিয়ে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করেছে এবং ঢাকার পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে এই ভিশনে অষ্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের অবস্থান কোথায় এবং বাংলাদেশ কিভাবে এই ভিশনকে নিজেদের মতো ধারণ করতে পারে।

বিষয়টি নিয়ে গত সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও আলোচনা করেন এবং উভয় পক্ষ সম্মত হয় যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি এবং অবকাঠামো প্রকল্পে উভয় দেশ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করবে।

বৈঠকের পরে যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘সুশাসন, স্বচ্ছতা, এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোদের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কারণ, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে।’

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়,‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমৃদ্ধির জন্য উভয় নেতা সম্মত হয়েছে যে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি এবং অবকাঠামো প্রকল্পগুলো আঞ্চলিক অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাস্তবায়ন হওয়া উচিত। এই আলোকে সুশাসন, দায়বদ্ধতা, আইনের শাসন এবং সমুদ্র নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে এই অঞ্চলের নেতাদের একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন।’

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভিশন যার লক্ষ্য হচ্ছে এই অঞ্চলে স্বচ্ছ ও সুশাসন-ভিত্তিক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কমপোনেন্ট আছে। আমার মনে হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলতে চেয়েছেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বিষয়ের অংশীদার হতে চায়।’

চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের সঙ্গে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি সাংঘর্ষিক কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি সবসময়ে সত্যি না। এই দুটি বিষয়ে কিছু জায়গায় মিল আছে, কিছু অমিলও আছে। যেমন নিরাপত্তার বিষয়ে অমিল আছে আবার অর্থনৈতিক বিষয়ে মিল আছে।’

যদি বাংলাদেশ শুধুমাত্র অর্থনৈতিক দিক বিবেচনা করে তবে আমার মনে হয় না, চীন এটিতে অসন্তোষ প্রকাশ করবে।

উদাহারণ হিসাবে তিনি বলেন, জাপান যুক্তরাষ্ট্রের একটি নিরাপত্তা অংশীদার কিন্তু টোকিও বেইজিং এর সঙ্গে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

বেইজিং এ বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুনশি ফায়েজ আহমেদ বলেন, ‘জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত – সবগুলো দেশই যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু কিন্তু তারা চীনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলে।’

ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একটি ভিশন এবং সবাই নিজেদের জাতীয় স্বার্থ দিয়ে এটিকে বিবেচনা করে এবং এ কারণে এটি প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা অর্থ এবং গুরুত্ব রাখে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে আমাদের অবস্থান কোথায় এবং এটি অর্জনের জন্য আমরা কীভাবে অংশগ্রহণ করতে পারি তা খুঁজে বের করা।’

Share this post

PinIt
scroll to top