izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

টেকনাফে মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে নিহত-১ : আহত-৩

Teknaf-Pic-A-1-11-04-19.jpg

হুমায়ূন রশিদ,টেকনাফ(১১ এপ্রিল) :: টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে পুলিশের অবৈধ অস্ত্র ও মাদক বিরোধী অভিযানে ১জন নিহত এবং ৩জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এসময় দেশীয় অস্ত্র,বুলেট ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

জানা যায়, ১১ এপ্রিল রাতের প্রথম প্রহরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল হোয়াইক্যং পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার আনু মিয়ার পুত্র আবুল কাশেম (৩২) কে নিয়ে পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া পাহাড়ে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার অভিযানে যায়।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কাশেমের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে পুলিশের এএসআই অহিদ উল্লাহ (৩৯), কনস্টেবল হাবিব হোসাইন (২৩) ও তুহিন আহমেদ (২২) আহত হয়।

পুলিশও আতœরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর গোলাগুলি থামলে পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ২টি দেশীয় তৈরী এলজি, ৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৩ হাজার ৪শ পিস ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ কাশেমকে উদ্ধার চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার নেওয়ার পথে কাশেম মারা যায়। মৃতদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, আটক মাদক কারবারী কাশেমের স্বীকারোক্তিমতে তাদের আস্তানা অস্ত্র এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে গেলে তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এতে ৩জন পুলিশ আহত হয়।

পুলিশও আতœরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে দু’পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল হতে এলজি,তাজা কার্তুজ,ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ কাশেমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যায়। মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ব্যাপারে তদন্ত স্বাপেক্ষে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে পোস্টমর্টেম শেষে কাশেমের মৃতদেহ বাড়িতে আনা হয়। বাদে মাগরিব স্থানীয় সিকদারিয়া জামে মসজিদে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।

Share this post

PinIt
scroll to top