izmir escort telefonlari
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam

পেকুয়ায় পাউবোর স্লুইচ গেইটের বাসায় আগুন দিল দুবৃর্ত্তরা

49896986_2148220698827676_7899527773218144256_n.jpg

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া(১৩ এপ্রিল) :: পেকুয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নিয়ন্ত্রিত স্লুইচ গেইটের রক্ষনা বেক্ষনকারী (খালাচি) কে হটাতে এবার কুড়েঁঘরে আগুন দিয়ে পুঁড়িয়ে দিল দুবৃর্ত্তরা। পাউবো বান্দরবান নিয়ন্ত্রিত উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিন মেহেরনামা বাজারপাড়ায় ৩৫ নং স্লুইচ গেইটের নিয়ন্ত্রন ও আধিপত্য নিতে একটি পক্ষ মরিয়া হয়েছে। তারা ওই স্লুইচ গেইটের পানির প্রবাহ রক্ষনাবেক্ষন করার প্রচেষ্টায় লিপ্ত। অবৈধ পক্ষ ও বৈধ পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। বহিরাগত একটি সিন্ডিকেট ওই স্লুইচ গেইটে মাছ ধরতে জাল পাতানোর চেষ্টা করছিলেন।

এ দিকে পাউবো বান্দরবানের নিয়ন্ত্রাধীন ৬৪/২ বি পোল্ডারের ৩৫ নং স্লুইচ গেইট রক্ষনাবেক্ষনের জন্য খালাচি অনুমোদন দেয়। চলতি ২০১৯ সালের জানুয়ারী মাসে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ৩ টি পয়েন্টে অবস্থিত পাউবোর স্লুইচ গেইট দেখভাল করতে নিয়ন্ত্রন কমিটি অনুমোদন দেয়।

স্থানীয় গ্রাম পরিষদ ওই কমিটি উপজেলায় পৌছায়। যাচাই বাছাই শেষে উপজেলা পরিষদ থেকে ওই কমিটি চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সুপারিশসহ পওর বিভাগ বান্দরবানে প্রেরন করে। ৩৫ নং স্লুইচ গেইট রক্ষনাবেক্ষন করতে খালাচি হিসেবে দায়িত্বভার পেয়েছেন সদর ইউনিয়নের বলিরপাড়া গ্রামের মৃত এমদাদ মিয়ার ছেলে নাছির উদ্দিন।

তার অনুকুলে এর স্বপক্ষে সদর ইউনিয়ন পরিষদ পেকুয়া উপজেলা পরিষদ সহ পাউবো কাগজপত্র ও চুক্তিনামা প্রেরন করে। বর্তমানে নাছির উদ্দিন স্লুইচ গেইটটির বৈধ রক্ষনাবেক্ষনকারী। স্লুইচ গেইটটিতে তিনি বর্তমানে তার নিয়ন্ত্রনে। সেখানে পানির প্রবাহ ও স্রোতধারা নিয়ন্ত্রন করতে ওই ব্যক্তি ব্যাপক উন্নয়ন করেন। শুষ্ক মৌসুমে লবণাক্ত পানির উৎস ঠেকাতে তিনি স্লুইচ গেইটের খালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিপুল অর্থ ব্যয় করে মাটির বাঁধ তৈরী করেন। মিষ্টি পানির উৎস লবণ পানির ক্ষতি থেকে বাঁচাতে এ বাঁধ তৈরী হয়েছে। যাতে বিশাল অঞ্চলে চলতি ব্যুরো মৌসুমে অবাধে ফসল উৎপাদন করছেন কৃষক।

সুত্র জানায়, স্লুইচ গেইটটি অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ চেষ্টা করছেন মেহেরনামা বাজারপাড়া এলাকার মৃত আলী আহমদের ছেলে শাহ আলম ও মৃত সিরাজদৌল্লাহর ছেলে আনোয়ার হোসনসহ একটি অসাধুচক্র। তারা অনুমোদনবিহীন ওই স্লুইচ গেইটটিতে জবর দখলের কুমানসে লিপ্ত। সেখানে কুঁড়েবাসা ছিল। স্থানীয় সুত্র জানায়, ১২ এপ্রিল গভীর রাতে স্লুইচ গেইটের বাসাটি আগুনে পুঁড়ে যায়। আগুনের সুত্রপাত নিয়ে রহস্যের জট তৈরী হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাজারপাড়া, সৈকতপাড়া, বলিরপাড়া ও মোরারপাড়ার গ্রামবাসীরা জানায়, বাসাটি পরিকল্পিতভাবে পুঁড়ানো হয়েছে। নাছির উদ্দিনকে স্লুইচ গেইটের দায়িত্ব দেয়ায় শাহ আলম গং এর বিরোধীতা করছে। তারা স্লুইচ গেইটটি কোন অবস্থাতেই হাতছাড়া করতে নারাজ। মুলত বৈধ উপকারভোগী নাছিরকে হটাতে বাসাটিতে নিজেরাই আগুন ধরিয়ে দেয়। নাশকতা ও কাল্পনিক ঘটনায় একটি মামলার চক্রান্ত দেখতে পাচ্ছি আমরা। নাছির হজ্ব করেছেন। রাজনীতি ও সমাজনীতিতে তিনি একজন প্রশংসনীয় ব্যক্তিত্ব। মুলত তাকে ঘায়েল করতে কুড়েঁঘরে আগুনের সুত্রপাত।

নাছির উদ্দিন জানায়, আমি বৈধ ভোগ দখলদার। শাহ আলম ও আনোয়ার অবৈধ জনবল নিয়ে স্লুইচ গেইট থেকে আমাকে হটানোর মিশনে ব্যস্ত। তারা আগুনের নাটক ও মুলহোতা।

সদর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মাহাবুল করিম জানায়, আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ নাছিরের অনুকুলে সুপারিশ পৌছায়। পাউবো তাকে স্লুইচ গেইটের দায়িত্ব দেয়।

সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাফায়াত আজিজ রাজু বলেন, যার কাগজপত্র বৈধ তিনি সেটির নিয়ন্ত্রন অধিকার রাখেন। উপজেলা পরিষদ নাছিরকে স্লুইচ গেইটটি নিয়ন্ত্রন দিতে সুপারিশ দিয়েছে।

Share this post

PinIt
scroll to top